গণ-মানুষের দল না বিএনপি: শেখ হাসিনা

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

কাকলি সুলতানা স্টাফ রিপোর্টার:- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘গণ-মানুষের দল না বিএনপি। ওরা মানুষকে পরোয়া করে না। ক্ষমতা ওদের কাছে ভোগের বস্তু, লুটের সুযোগ, লুটের মাল। আর বাংলাদেশের মানুষ তো তাদের কাছে কিছুই না।তাদেরকে তারা পরোয়াই করে না।

’বৃহস্পতিবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যুব মহিলা লীগের সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব কথা বলেন তিনি।শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ জানে, এই আওয়ামী লীগ স্বাধীনতা এনে দিয়েছে। জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে তারই হাতে গড়া গণসংগঠন আওয়ামী লীগের মাধ্যমে এই স্বাধীনতা এসেছে।এই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয়।

আমরা ৯৬ সালে যেরকম উন্নয়ন করেছিলাম ২০০৮ সালে ক্ষমতায় এসে দেখি তার উল্টো। স্বাক্ষরতার হার আবার পৌঁছে গেছে ৪৫ ভাগে। তবে এর কারণ আছে। খালেদা জিয়া মেট্রিক পরীক্ষা দিয়েছিল। উর্দু ও অংকে শুধু পাস করেছিল, বাকি সব সাবজেক্টে ফেল করেছিল। উর্দু তার প্রিয় সাবজেক্ট কারণ পাকিস্তান প্রীতি। আর টাকা গোনার জন্য অংকে পাস।

নির্বাচন নিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচন নিয়ে তো কথা হয়নি। জাতীয়-আন্তর্জাতিকভাবে কেউ তো সে নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলেনি। ৩০০ সিটের নির্বাচনে বিএনপি কয়টা সিট পেয়েছে? মাত্র ৩০টা সিট। জাতীয় পার্টি পায় ২৭টা সিট। জাতীয় পার্টি আর কয়েকটা সিট পেলে খালেদা জিয়া বিরোধীদলীয় নেতা হতে পারতেন না। এত লাফালাফি কেন?

২০০৮ এর নির্বাচনেই তো এই ফলাফল। ‘‘২০১৪-তে নির্বাচনে বাঁধা দিবে বলে এতে অংশ নেয়নি। ১৩-১৫ থেকে অগ্নিসন্ত্রাস করে ৩ হাজারের বেশি মানুষকে পুড়িয়েছে বিএনপি। হাজার হাজার গাড়ি, লঞ্চ পুড়িয়েছে। ইউনিভার্সিটির ছাত্রীও রেহাই পায়নি। আমাদের সামিয়ার সুন্দর চেহেরা পুড়িয়ে বিকৃতি করে দিয়েছে ওই খালেদা জিয়ার অগ্নি সন্ত্রাসীরা,’ যোগ করেন তিনি।সরকার প্রধান আরও বলেন, ‘তাদের আগুনে পোড়া মানুষদের চেহারা দেখলে মানুষ ভয় পায়।

সেদিন একজন এসে আমাকে বললো, আপা তারা আমার চেহারা এমনই বিকৃত করে দিয়েছে যে আমি কোথাও গেলে কেউ আমাকে মানুষ মনে করে না। তারা মনে করে, আমি যেন কি একটা আজিব চিজ।

১৯৯৬ সালের নির্বাচনের কথা টেনে শেখ হাসিনা বলেন, ভোটরবিহীন নির্বাচন করে বিএনপি। ৯৬ সালে তাদের ভোটে মানুষ সাড়া দেয়নি। তারা বঙ্গবন্ধুর খুনি রশিদ ও বজলুরকে সংসদে এনে বিরোধী দলের লিডার বানিয়েছিল।