মেহেদী হাসান ঢাকা// মতো বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।
শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে তাকে সভাপতি নির্বাচিত করেন সারাদেশের প্রতিনিধিরা।

নির্বাচন কমিশনার ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন সভাপতি পদে মনোনয়নের আহ্বান জানান। এরপর উপদেষ্টারা একযোগে শেখ হাসিনার নাম উল্লেখ করেন। পরে আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা আমির হোসেন আমু সভাপতি পদে শেখ হাসিনার নাম প্রস্তাব করেন। এ উদ্যোগকে সমর্থন করেন দিনাজপুর জেলা আওয়ামী সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান। পরে কমিটি প্রস্তাবের ওপর ভোট দেয়। অন্য কোনো নাম প্রস্তাব না করায় শেখ হাসিনা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
এরপর নির্বাচন কমিশনার ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে মঞ্চে আসতে আহ্বান জানান। তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে মঞ্চে গিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে ফের দায়িত্ব বুঝে নেন শেখ হাসিনা।
১৯৮১ সাল থেকে আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন শেখ হাসিনা। দলে এখনও তার বিকল্প তৈরি হয়নি বলে মনে করেন নেতাকর্মীরাএর আগে, সকাল সাড়ে ১০টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পায়রা উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ, মৎস্যজীবি লীগ, শ্রমিক লীগ, মহিলা লীগ, যুব মহিলা লীগ, তাঁতি লীগ এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সারাদেশের সাংগঠনিক জেলা থেকেও নেতাকর্মীদের ঢল নামে সম্মেলনে।
সারা দেশে দেশে কাউন্সিলর ও ডেলিগেটের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও সভাপতিমণ্ডলীর পরিষদের সদস্যরা সম্মেলনে যোগ দেন। এছাড়া দলের সাধারণ সম্পাদকসহ দলের কার্যনির্বাহী কমিটির সব সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের মধ্য দিয়ে দুপুর সোয়া একটায় প্রথম অধিবেশন শেষ হয়।
প্রথম অধিবেশন মুলতবি ঘোষণার সময় শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের দ্বিতীয় অধিবেশন শুধুমাত্র কাউন্সিলরদের জন্য। আমাদের এই কমিটি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। নতুন কমিটি গঠন হবে। তার জন্য নির্বাচন কমিশনও আমরা গঠন করেছি। সেই নির্বাচন কমিশন বসবে এবং নাম প্রস্তাব হবে এবং সেখানে নতুন নেতৃত্ব আসবে।
তিনি আরও বলেন, আজ থেকে আমাদের বিদায়, নতুন নেতৃত্ব আসুক সেটাই আমি চাই।







