নির্বাচন সুষ্ঠু করতে ক্ষমতাসীন বা বিরোধী দল ক্ষতিগ্রস্ত হলে করার কিছু নেই: মো. সাহাবুদ্দিন

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

নিজেস্ব প্রতিবেদন:- কাউকে অবদমিত করতে নয়, সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে আমি আমার ক্ষমতা প্রয়োগ করবো। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য দায়িত্ব পালনে যদি ক্ষমতাসীন বা বিরোধী দল ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে আমার করার কিছু নেই। আমি চাই একটি সুষ্ঠু নির্বাচন’— বলছিলেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মো. সাহাবুদ্দিনের নাম ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশনের প্রজ্ঞাপন জারির পর যমুনা টেলিভিশনের মুখোমুখি হন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপ্রধান। বিশেষ এক সাক্ষাৎকারে উঠে আসে নব রাষ্ট্রপতির ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ, ছাত্র ও যুব রাজনীতির ইতিহাস এবং দেশ নিয়ে ভাবনার কথা।

প্রশ্ন করা হয়, সব দলের অংশগ্রহণে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আয়োজনে কোনো উদ্যোগ নেবেন কিনা? বললেন, সবার অংশগ্রহণে নির্বাচন সারা বিশ্ব চায়, জনগণ চায়। সবাইকে নির্বাচনে অংশ নিতে হবে। সরকারের দায়িত্ব কী? দায়িত্ব হলো, যেসব ক্ষমতা দেয়া হয়েছে, সে ক্ষমতার মধ্যে থেকে যেন সকল দায়িত্ব পালন করা। এরমাঝে কখনও রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপের দায়িত্ব পড়ে। জাতীয় দুর্যোগ ও নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিলে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে নির্বাচনের পরিবেশটাকে নষ্ট করা হলে তখন কিছু কিছু কাজ করার থাকে। আমি তখন পিছপা হবো না। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা। এক্ষেত্রে আমার যে ভূমিকা তা রাখবো। একটা ন্যায়ভিত্তিক কর্মসূচির মাধ্যমে আমি আমার ক্ষমতাকে প্রয়োগ করবো। যাতে সেখানে পক্ষপাতিত্বের কোনো চিহ্নও না থাকে। মানুষ যেন উপলব্ধি করতে পারে, রাষ্ট্রপতি যে কাজ করেছে তা দেশের জন্যই করেছে; তা যদি প্রয়োজন হয়।

সাক্ষাৎকারের শুরুতেই মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার বিষয়ে জানতে চান প্রতিবেদক। তিনি বললেন, পত্র-পত্রিকায় দেখতাম, সব জায়গায় খোঁজ পেতাম, আমি তো আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, প্রচার ও প্রকাশনা কমিটির চেয়ারম্যান ছিলাম, মাঝেমধ্যে দলীয় কার্যালয়ে যেতাম, অনেক আলাপ-আলোচনা হতো; কিন্তু রাষ্ট্রপতি হবো এটা আঁচ করতে পারিনি