পাচারকৃত অর্থ ফেরাতে যা করা দরকার সব করছে সরকার: প্রেস সচিব

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

অনলাইন ডেস্ক:- পাচারকৃত অর্থ ফেরাতে যা করা দরকার এই সরকার সব করছে। টপ কনসালটেন্সি এজেন্সিগুলোর সাথেও আলাপ চলছে। প্রধান উপদেষ্টার এই সফরের আলোচনায় অন্যতম বিষয় ছিলো পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনার বিষয়ে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

রোববার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে এক বিফ্রিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।এ সময় প্রধান উপদেষ্টা উপ প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ, অপূর্ব জাহাঙ্গীর উপস্থিত ছিলেন।তিনি বলেন, যে টাকা চুরি হয়েছে তা দেশের মানুষের খেটে খাওয়া টাকা। অনেক উন্নত দেশে এই টাকা চলে গেছে। ড. ইউনূস আন্তর্জাতিক নেতাদের সাথে বারবার এই প্রসঙ্গটি তুলছেন। এ বিষয়ে সুইজারল্যান্ডের মন্ত্রীর সাথে আলাপ হয়েছে। তিনি বাংলাদেশে আসার কথাও বলেছেন। তবে এটি ধীরগতির প্রক্রিয়া বলে জানান তিনি।পোশাক শিল্প নিয়ে শফিকুল আলম জানান, গার্মেন্টসের এক্সপোর্ট কমেনি। ফ্যাক্টরি বন্ধ হবে, খুলবে। তবে সরকার দেখে যে দেশের এক্সপোর্ট বাড়ছে কিনা। বাংলাদেশের এক্সপোর্ট সেপ্টেম্বরে বেড়েছে ৭ শতাংশ, অক্টোবরে ১৬/১৮ শতাংশ, নভেম্বরে প্রায় ২২ শতাংশ। ডিসেম্বরে ১৮ শতাংশের মতো বলেও জানান তিনি।তিনি বলেন, যেসব ফ্যাক্টরির মালিক পালিয়ে গেছে, তাদের পুরো চাপটা সরকারের ওপর দিয়ে গেছেন। ব্যাংকগুলো থেকে চুরি করে যা যা ছিল সব নিয়ে পালিয়ে গেছে। শ্রমিকদের বেতন না দিয়ে তারা মজা দেখছেন। এক্সপোর্ট বাড়া মানে জব তৈরি হওয়া। ওভার অল এক্সপোর্ট আমাদের বাড়ছে। আমরা এক্সপোর্টের ফিগারের ব্যাপারে কোনো গড়মিল করছি না। শেখ হাসিনার আমলে এর গড়মিল হয়েছে।প্রেস সচিব জানান, আসিয়ান ফোরামে বক্তব্য দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। এ সময় বাংলাদেশ আসিয়ানের সদস্য হতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন তিনি। আসিয়ানের সাথে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে কথা হয়েছে। রোহিঙ্গাদের নিয়ে বড় কনফারেন্স হবে। জাতিসংঘ এবং বাংলাদেশ মিলে এটি করবে। ৭০টির বেশি দেশ এবং এজেন্সি এতে অংশ নিবে বলেও জানান তিনি।তিনি আরও জানান, জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধান উপদেষ্টা। এর মধ্য দিয়ে ইউরোপের দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের নতুন বাণিজ্যিক দুয়ার উন্মোচিত হবে। বৈঠকে ওলাফ শলৎস স্ব-উদ্যোগে বাংলাদেশে বিজনেস ডেলিগেশন, স্পেশাল ডেলিগেশন পাঠানোর কথা জানিয়েছেন। তারা এসে নীতি-নির্ধারক ও দেশের বাণিজ্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলবেন।