গ্যাস অনুসন্ধান ও খননে সরকারি প্রতিষ্ঠান বাপেক্সের সক্ষমতা থাকার পরও কেন! খননে বিদেশি প্রতিষ্ঠান।

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

নিজস্ব প্রতিবেদক:- গ্যাস অনুসন্ধান ও কূপ খননে সরকারি প্রতিষ্ঠান বাপেক্সের সক্ষমতা থাকার পরও অতিরিক্ত খরচে কূপ খননে বিদেশি প্রতিষ্ঠান।

কুমিল্লার শ্রীকাইলের উন্নয়ন কূপ থেকে ২ কোটি ঘনফুট গ্যাস উত্তোলনের মাধ্যমে আবারো সক্ষমতার প্রমাণ দিলো সরকারি প্রতিষ্ঠান বাপেক্স। অথচ ভোলায় বাপেক্সের আবিস্কার করা গ্যাসক্ষেত্রে অতিরিক্ত খরচে কূপ খনন করছে রাশিয়ার গ্যাজপ্রম।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একমাত্র উত্তরাঞ্চল বাদে সারা দেশেই নতুন গ্যাসফিল্ড পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যেখানে অনুসন্ধান ও উন্নয়নের সক্ষমতা দেশি প্রতিষ্ঠান বাপেক্সেরই রয়েছে।

এর আগে, শ্রীকাইলে ৪ নম্বর কূপের ওপরের স্তর থেকে দৈনিক গ্যাস উঠতো ৬০ থেকে ৭০ লাখ ঘনফুট করে। নতুন করে খননের ফলে এখন প্রতিদিন গ্যাস মিলছে ২ কোটি ঘনফুট।

শ্রীকাইলে এই গ্যাসক্ষেত্রটির অনুসন্ধান, উন্নয়ন এবং উত্তোলনের কাজ করছে রাষ্ট্রায়ত্ব প্রতিষ্ঠান বাপেক্স নিজেই।

অথচ বাপেক্সের অক্ষমতার প্রশ্ন তুলে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সব গ্যাসক্ষেত্রে যুক্ত করা হয়েছে নাইকো, গ্যাজপ্রম ও শেভরনের মতো বিদেশি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানকে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন বাপেক্স সঠিকভাবে গড়ে তুলতে পারলে দেশের গ্যাসক্ষেত্রগুলো বিদেশি কোম্পানির হাত থেকে ঝুঁকিমুক্ত থাকতো।

এ বিষয়ে জ্বালানি বিভাগের সিনিয়র সচিব আনিছুর রহমান জানান, পাহাড় ও সাগরে অনুসন্ধানের সক্ষমতা বাপেক্সের নেই।

এ কারণেই আনতে হয় বিদেশি কোম্পানি। এই তথ্য কতুটুকু সঠিক?

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক বদরূল ইমাম বলেন, বর্তমানে বাপেক্সের সাগরে গ্যাস অনুসন্ধানের সক্ষমতা না থাকলেও ভূখণ্ডে গ্যাস অনুসন্ধানে বা উত্তোলনে সক্ষমতা না থাকার কোনো কারণ নেই। দেশের উত্তরাঞ্চল ছাড়া সব অঞ্চলেই গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এসব স্থানে বাপেক্সকে দিয়েই গ্যাসফিল্ড আবিষ্কার করা সম্ভব।শ্রীকাইলেই আরেকটি কূপ খনন করছে বাপেক্স। সম্ভাবনা আছে এখান থেকেও গ্যাস পাওয়ার।