আমার বক্তব্যের মাধ্যমে জুলাইযোদ্ধাদের সম্মানিত করার চেষ্টা করেছি: সালাহ উদ্দিন

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক

জুলাই সনদ সই করার দিনে ‘জুলাইযোদ্ধাদের’ নিয়ে দেওয়া বক্তব্যের জন্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। বিষয়টি স্পষ্ট করতে সংবাদ সম্মেলনে আসেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

রবিবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমার এ বক্তব্যের মাধ্যমে জুলাইযোদ্ধাদের সম্মানিত করার চেষ্টা করেছি। যাতে উশৃঙ্খল কর্মকাণ্ডের জন্য জুলাই যোদ্ধাদের দায়ী করতে না পারে এবং তাদের সম্মানহানি না হয়।’

সালাহ উদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘সেখানে যে বিশৃঙ্খলা হয়েছে, আমি খোঁজ নিয়েছি— তদন্তাধীন আছে। দেখা গেছে, জুলাইযোদ্ধাদের নামে কিছু সংখ্যক ছাত্র নামধারী উশৃঙ্খল লোক প্রবেশ করেছে। তাদের ফ্যাসিস্ট সরকারের ফ্যাসিস্ট বাহিনী বলে আমি মনে করি। আওয়ামী লীগ বাহিনী বিভিন্ন জায়গায় এখনও বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করছে— সেটা গতকাল দৃশ্যমান হয়েছে। এখানে (সংসদের সামনে) জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে জড়িত সঠিক কোনও সংগঠন বা যোদ্ধা থাকতে পারে না। এটা ছিল আমার সুস্পষ্ট বক্তব্য।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘বিষয়গুলো তদন্তাধীন আছে। এখন কথা বলা উচিত হবে না। তবে আমার মনে হয়— কিছু কিছু ঘটনা একই সূত্রে গাঁথা। দেশের অস্থিরতা সৃষ্টি করার জন্য কোনও কোনও গোষ্ঠী এগুলো করে থাকতে পারে। এর সঙ্গে পতিত ফ্যাসিবাদ জড়িত থাকতে পারে। তবে এটা তদন্তের আগে বলা যাবে না।’

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক দল আমাকে ক্ষমা চাইতে আহ্বান করেছে। এটিকে আমরা স্বাগত জানাই। গণতান্ত্রিক চর্চা এমনই হওয়া উচিত। যথেষ্ট সম্মানের সঙ্গে তারা কথাগুলো বলেছেন। আমার বক্তব্যকে তারা কাট করে বলেছেন।’

তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আমি বলেছিলাম— “জুলাইযোদ্ধা” নামের একটি সংগঠন আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। ঐক্যমত্য কমিশনের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছিল। তাদের যৌক্তিক দাবি নিয়ে আমি নিজেও ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছি। পরে ঐক্যমত্য কমিশন জুলাই সনদ সংশোধন করেছে। এরপরও তাদের অসন্তোষ থাকার কথা নয়।’

ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন নিয়ে কোনও সংশয় দেখছেন কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত কোন রাজনৈতিক দল কি বলেছে— ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন চায় না? সবাই বলেছে, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হতে হবে। ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন চায়। যদি তাই হয়, তাহলে সংশয় থাকবে কেন? পিআর দাবিতে আন্দোলন করছে কিছু দল, এটাই গণতান্ত্রিক চর্চা। এই গণতান্ত্রিক চর্চার জন্যই তো আমরা জীবন দিয়েছি।’