স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি ‘ভূঁইফোড়’ গণমাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সাংবাদিকদের নিয়ে চরম মিথ্যাচার ও কুৎসা রটনার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যশোর জেলা সাংবাদিক ইউনিয়ন (জেডিইউজে)। সম্প্রতি ওই গণমাধ্যমে বাংলাদেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক আলোচনার প্রেক্ষিতে প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, সিনিয়র সদস্য ও জননন্দিত নেতা অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং যশোর চেম্বার অব কমার্সের সাধারণ সম্পাদক তানভীরুল ইসলাম সোহানকে নিয়ে অযাচিতভাবে মিথ্যা বয়ান হাজির করা হয়।
ভারতীয় গণমাধ্যমের দুজন আলোচক দাবি করেন, “যশোরের মাটিতে ভারত-বিরোধিতার ছক কষা হচ্ছে”। জেডিইউজে নেতৃবৃন্দ এই বক্তব্যকে নির্ভেজাল মিথ্যা এবং চরম জঘন্য মিথ্যাচার বলে অভিহিত করেছেন। এছাড়া, পাকিস্তানের একজন নেতার যশোরে আসার মতো কাল্পনিক ‘সিনেমার গল্পের’ অবতারণা করা হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। দেশের আরও কয়েকজন খ্যাতনামা ব্যক্তিকে নিয়েও কুৎসা রটনা করা হয়েছে।
যশোর জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শেখ দিনু আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মোর্শেদ আলম এক যুক্ত বিবৃতিতে এই মিথ্যাচারের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন। তারা বলেন, ইদানীং ভারতীয় গণমাধ্যমে এ ধরনের আজগুবি ও কল্পকাহিনী হরহামেশা দেখা যাচ্ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা আনোয়ারুল কবির নান্টু, উপদেষ্টা বদরুদ্দিন বাবুল এবং একেএম গোলাম সরওয়ার অপর এক বিবৃতিতে ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান।
নেতৃবৃন্দ এই প্রসঙ্গে শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হকের ঐতিহাসিক বক্তব্যটি স্মরণ করিয়ে দেন, যেখানে তিনি বলেছিলেন— “যখন ভারতের পত্রিকায় এদেশের সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে লেখা হয়, তখন বুঝবে আমি সঠিক পথে আছি; আর পক্ষে লিখলে বুঝবে আমি ভুল পথে আছি।” জেডিইউজে আফসোস করে জানায়, আধুনিক সভ্য সময়েও ভারতীয় মিডিয়ার সেই চরিত্র বদলায়নি।
জেডিইউজে দেশবাসীকে এই ধরনের “দুর্গন্ধযুক্ত পঁচা ভিউখোর কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের” সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। একই সাথে তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এই মিথ্যা সংবাদ প্রচারের সাথে যশোরের কোনো ব্যক্তি বা মহল জড়িত থাকলে তাদের খুঁজে বের করার জন্য জেডিইউজে গোয়েন্দা সংস্থাগুলির দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।







