স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য এবং বর্ষীয়ান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব অ্যাডভোকেট বদরুজ্জামান মিন্টু আর নেই। ভারতের দিল্লি রাজ্যের মেডান্তা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শনিবার মধ্যরাতে তাকে মৃত ঘোষণা করেছে।
হাসপাতালের আইসিইউতে থাকা অবস্থায় শনিবার মধ্যরাতে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে মৃত ঘোষণা করা হয় এবং মরদেহ আইসিইউ থেকে বের করে পরিবারের কাছে দেওয়া হয়। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মরদেহ হাসপাতালের ফ্রিজে সংরক্ষণ করে। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন মিন্টুর ভাইপো সাজ্জাদ মিল্টন।
সাজ্জাদ মিল্টন জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাতে মরদেহ ঢাকায় আনা হবে। সেখান থেকে মরদেহ যশোর হয়ে কেশবপুরের বালিয়াডাঙ্গা নিজ গ্রামে নেওয়া হবে এবং পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফনের প্রস্তুতি চলছে।
উল্লেখযোগ্য, অ্যাডভোকেট মিন্টুর মৃত্যু নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছিল। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে একবার মৌখিকভাবে মৃত ঘোষণা করে। পরে আইসিইউতে থাকা অবস্থায় জানানো হয় যে, তিনি এখনো বেঁচে আছেন। সর্বশেষ, শনিবার মধ্যরাতে তাকে লিখিতভাবে মৃত ঘোষণা করা হয়।
কেশবপুর পৌরসভার বালিয়াডাঙ্গা এলাকার সন্তান অ্যাডভোকেট মিন্টু ছিলেন প্রয়াত মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের আপন ভাগনে। কেশবপুর বিএনপির রাজনীতিতে তার অবদান ছিল অপরিসীম। তিনি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে একাধিকবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
পাশাপাশি, তিনি ছিলেন যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য। এই সমিতির গুরুত্বপূর্ণ পদেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন এবং সরকারি কৌশুলি হিসেবেও কাজ করেছেন।
অ্যাডভোকেট বদরুজ্জামান মিন্টুর মৃত্যুতে রাজনৈতিক, সামাজিক ও আইনজীবী মহলে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।







