Jashore , Friday, 23 October 2026
সর্বশেষ:
যশোরে ঢাক-কাঁসরের শব্দে প্রতিমা বিসর্জন রংপুর মেডিকেলে শর্টসার্কিট থেকে আগুন; আহত ৪০ হেফাজতে ইসলামের মধ্যস্থতায় ৭ কওমি দলের নতুন রাজনৈতিক জোট ‘সমমনা ইসলামি দল’ সৌদিতে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: সরকারের কূটনৈতিক ব্যর্থতার অভিযোগে সিপিবির বিক্ষোভ সাত দশকের ঐতিহ্যবাহী ‘জামাই মেলা’! কোটি টাকার মাছ কেনাবেচার উৎসব যশোরে সার ডিলার নিয়োগে চরম দলীয়করণ ও দুর্নীতির অভিযোগ বিরোধী দলের ৫ এমপির অস্ত্র নিয়ে হামলা ও জমি দখলের হুমকি; যশোর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন জামায়াত জুলাইকে ধারণ করে না, বিএনপির এমন অভিযোগ হাস্যকর: গোলাম পরওয়ার সরকার চায় ঐক্য, কিন্তু একটি মহল ছড়াচ্ছে বিভ্রান্তি : প্রধানমন্ত্রী যশোরে চিহ্নিত চোর ও চাঁদাবাজ মনিরুল ইসলাম সাগর আটক

তুরস্কের সামরিক শক্তি ও প্রযুক্তির বিশ্বে সেরা সিম্পোজিয়ামে বক্তৃতায় এ কথা বলেন: স্পিকার মুস্তাফা শেনতপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:- তুরস্কের সামরিক শক্তি ও প্রযুক্তির বিশ্বে যুদ্ধ ও সংঘাতের ধারণাকে পাল্টে দেয়ার সামর্থ্য রয়েছে।

শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত এক সিম্পোজিয়ামে বক্তৃতায় এ কথা বলেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মুস্তাফা শেনতপ।

দক্ষিণ ককেশাস ও কারাবাখ সংঘাত বিষয়ে আয়োজিত এই সিম্পোজিয়ামে তিনি বলেন,

তুরস্কের সামরিক শক্তি ও প্রযুক্তির এই সামর্থ্য কিছুটা সিরিয়া ও লিবিয়াতে প্রদর্শিত হয়েছে।

আবার অতি সম্প্রতি আরো স্পষ্টভাবে’ আজারবাইজানে দ্বিতীয় নাগরনো-কারাবাখ যুদ্ধে তা দেখানো হয়েছে।

আর্মেনিয়ার সেনাবাহিনী বেসামরিক নাগরিক ও আজারবাইজানি সেনাবাহিনীর ওপর হামলা করে বিবিধ মানবিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করলে ২৭ সেপ্টেম্বর এই যুদ্ধ শুরু হয়।

৪৪ দিনের এই যুদ্ধে আজারবাইজান বিভিন্ন শহর ও তিন শর মতো বসতি ও গ্রাম মুক্ত করে নেয়।

আজারবাইজানি ভূখণ্ডের অংশ এই শহর, গ্রাম ও বসতি তিন দশকের মতো আর্মেনিয়া জবরদখল করে রেখেছিল।

কারাবাখে আজারবাইজানের বিজয়ে বাকুর তুরস্ক থেকে কেনা বায়রাকতার টিবি২ অ’স্ত্রবাহী ড্রো’ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।বক্তব্যে মুস্তাফা শেনতপ বলেন,

যদিও মস্কোর মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে নাগরনো-কারাবাখের সংঘাতের আপাতত নিষ্পত্তি হয়েছে, তারপরেও দক্ষিণ ককেশাস, তুরস্কের আশেপাশে ও বিশ্বজুড়ে সংঘাত এখনো শেষ হয়নি।

বক্তব্যে শেনতপ শীর্ষ তুর্কি কর্মকর্তাদের যুদ্ধের সময় আজারবাইজানে সফর এবং ভ্রাতৃপ্রতীম দেশটির প্রতি সমর্থনের কথা স্মরণ করেন।

তিনি বলেন, নাগরনো-কারাবাখ সবসময়ই আজারবাইজানি ঐতিহাসিক ভূখণ্ড হিসেবে গণ্য হয়ে আসছে।

ইতিহাসের যত পেছনেই আমরা যাই না কেন, নাগরনো-কারাবাখ সবসময়ই আজারবাইজানি শাসনের অধীনে ছিল।

১৯ শতকের শুরুতে ইরান-রাশিয়ার চুক্তি এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের আমলের সংবিধান অনুযায়ীও এই ভূখণ্ড আজারবাইজানের সাথে ছিল।

তিনি বলেন, সোভিয়েত আমলে নাগরনো-কারাবাখের ওপর আজারবাইজানের ভূমির বাইরের কোনো প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণের কোনো প্রবণতা, অনুশীলন বা আইনগত বাধ্যবাধকতা ছিল না।

এই বিবেচনায় যখনই আমরা পেছনে ফিরে তাকাই, ঐতিহাসিকভাবেই নাগরনো-কারাবাখকে আজারবাইজানের সাথেই দেখি।

তিনি করেন, জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের চারটি প্রস্তাবের আইনগত দৃষ্টিভঙ্গিও একই পরিস্থিতি ও নায্যতার স্বীকৃতি দিয়েছে যে, আজারবাইজানি এই ভূখণ্ডে আর্মেনিয়া আ’ক্রমণকারী।

৩০ বছর ধরে আলোচনার টেবিলে এই অবস্থার নিষ্পত্তি হয়নি। সবশেষে আজারবাইজানের শক্তি প্রর্দশনেই তা সফল হয়েছে

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 05:43 pm, Sunday, 17 January 2021
32 Time View

তুরস্কের সামরিক শক্তি ও প্রযুক্তির বিশ্বে সেরা সিম্পোজিয়ামে বক্তৃতায় এ কথা বলেন: স্পিকার মুস্তাফা শেনতপ

Update Time : 05:43 pm, Sunday, 17 January 2021

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:- তুরস্কের সামরিক শক্তি ও প্রযুক্তির বিশ্বে যুদ্ধ ও সংঘাতের ধারণাকে পাল্টে দেয়ার সামর্থ্য রয়েছে।

শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত এক সিম্পোজিয়ামে বক্তৃতায় এ কথা বলেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মুস্তাফা শেনতপ।

দক্ষিণ ককেশাস ও কারাবাখ সংঘাত বিষয়ে আয়োজিত এই সিম্পোজিয়ামে তিনি বলেন,

তুরস্কের সামরিক শক্তি ও প্রযুক্তির এই সামর্থ্য কিছুটা সিরিয়া ও লিবিয়াতে প্রদর্শিত হয়েছে।

আবার অতি সম্প্রতি আরো স্পষ্টভাবে’ আজারবাইজানে দ্বিতীয় নাগরনো-কারাবাখ যুদ্ধে তা দেখানো হয়েছে।

আর্মেনিয়ার সেনাবাহিনী বেসামরিক নাগরিক ও আজারবাইজানি সেনাবাহিনীর ওপর হামলা করে বিবিধ মানবিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করলে ২৭ সেপ্টেম্বর এই যুদ্ধ শুরু হয়।

৪৪ দিনের এই যুদ্ধে আজারবাইজান বিভিন্ন শহর ও তিন শর মতো বসতি ও গ্রাম মুক্ত করে নেয়।

আজারবাইজানি ভূখণ্ডের অংশ এই শহর, গ্রাম ও বসতি তিন দশকের মতো আর্মেনিয়া জবরদখল করে রেখেছিল।

কারাবাখে আজারবাইজানের বিজয়ে বাকুর তুরস্ক থেকে কেনা বায়রাকতার টিবি২ অ’স্ত্রবাহী ড্রো’ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।বক্তব্যে মুস্তাফা শেনতপ বলেন,

যদিও মস্কোর মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে নাগরনো-কারাবাখের সংঘাতের আপাতত নিষ্পত্তি হয়েছে, তারপরেও দক্ষিণ ককেশাস, তুরস্কের আশেপাশে ও বিশ্বজুড়ে সংঘাত এখনো শেষ হয়নি।

বক্তব্যে শেনতপ শীর্ষ তুর্কি কর্মকর্তাদের যুদ্ধের সময় আজারবাইজানে সফর এবং ভ্রাতৃপ্রতীম দেশটির প্রতি সমর্থনের কথা স্মরণ করেন।

তিনি বলেন, নাগরনো-কারাবাখ সবসময়ই আজারবাইজানি ঐতিহাসিক ভূখণ্ড হিসেবে গণ্য হয়ে আসছে।

ইতিহাসের যত পেছনেই আমরা যাই না কেন, নাগরনো-কারাবাখ সবসময়ই আজারবাইজানি শাসনের অধীনে ছিল।

১৯ শতকের শুরুতে ইরান-রাশিয়ার চুক্তি এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের আমলের সংবিধান অনুযায়ীও এই ভূখণ্ড আজারবাইজানের সাথে ছিল।

তিনি বলেন, সোভিয়েত আমলে নাগরনো-কারাবাখের ওপর আজারবাইজানের ভূমির বাইরের কোনো প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণের কোনো প্রবণতা, অনুশীলন বা আইনগত বাধ্যবাধকতা ছিল না।

এই বিবেচনায় যখনই আমরা পেছনে ফিরে তাকাই, ঐতিহাসিকভাবেই নাগরনো-কারাবাখকে আজারবাইজানের সাথেই দেখি।

তিনি করেন, জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের চারটি প্রস্তাবের আইনগত দৃষ্টিভঙ্গিও একই পরিস্থিতি ও নায্যতার স্বীকৃতি দিয়েছে যে, আজারবাইজানি এই ভূখণ্ডে আর্মেনিয়া আ’ক্রমণকারী।

৩০ বছর ধরে আলোচনার টেবিলে এই অবস্থার নিষ্পত্তি হয়নি। সবশেষে আজারবাইজানের শক্তি প্রর্দশনেই তা সফল হয়েছে