স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সুস্বাস্থ্য ও সুপ্ত মেধার বিকাশে পুষ্টিকর খাদ্যের গুরুত্ব অপরিসীম বলে মন্তব্য করেছেন ঝিকরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. রনী খাতুন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করা এবং ঝরে পড়া রোধে সরকারের উদ্যোগে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির সহায়তায় পুষ্টিকর খাবার বিতরণ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।
রোববার পৌর সদরের ঝিকরগাছা বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ড. গাজী মোস্তফা কবীরের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ওয়ালীয়ার রহমান এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মাসুমা আখতার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও রনী খাতুন আরও বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি যুগান্তকারী ভূমিকা রাখছে। এটি শিক্ষার্থীদের পুষ্টির ঘাটতি পূরণ, ক্ষুদ্র ক্ষুধা দূরীকরণ এবং পড়ালেখায় মনোযোগ বাড়াতে সহায়ক। ফলে শিশুদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি ও আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সরকারের এই উদ্যোগের আওতায় ঝিকরগাছা উপজেলার ১৩১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২০,৪৩০ জন শিক্ষার্থীকে পুষ্টিকর বনরুটি, কলা বা মৌসুমি ফল ও সেদ্ধ ডিম সরবরাহ করা হবে। এছাড়া ফর্টিফাইড বিস্কুট ও ইউএইচটি দুধও বিতরণ করা হবে, যা শিশুদের প্রয়োজনীয় শক্তি, প্রোটিন ও ভিটামিনের চাহিদা পূরণে সহায়তা করবে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আব্দুস সামাদ, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা প্রবীর কুমার কাঞ্জিলাল, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. শাহিদ হাসান শামীম, প্রধান শিক্ষক ইকবাল আহমেদ এবং প্রেসক্লাব সভাপতি রফিকুল ইসলামসহ অন্যান্যরা।
শেষে ইউএনও রনী খাতুন কর্মসূচি বাস্তবায়নে অভিভাবক, শিক্ষক, গণমাধ্যমকর্মী ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ হবে, ঝরে পড়ার হার কমবে এবং ভবিষ্যতে একটি সুস্থ, শিক্ষিত ও সচেতন প্রজন্ম গড়ে উঠবে।
