Jashore , Sunday, 25 October 2026
সর্বশেষ:
জাতিসংঘের অর্থবহ সংস্কারে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির প্রকাশ্যে চুমু দেওয়ার সংস্কৃতি চালু করেছেন এক দলের প্রধান নেতা: রাশেদ খাঁন যশোরে ফুলকুঁড়ি আসরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সমাবেশ ও পুরস্কার বিতরণ যশোরে বিশ্ব পোলিও দিবসে বর্ণাঢ্য সচেতনতামূলক র‌্যালি টানা ১৮তম বার দ্রুততম মানবী যবিপ্রবির শিরিন আক্তার শ্যামকুড় মাধ্যমিকের এসএসসি ২০১৯ ব্যাচের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত যশোরে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২ যশোরে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ ‘মিথ্যা’ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন যশোরে জাতীয় পার্টির বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ যশোরে ইয়াবাসহ ‘আইনজীবী সহকারী’ ও আলোচিত লাবনী গ্রেপ্তার

‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুসারে কৃষকদের মধ্যে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ শুরু করেছে বিএনপির সরকার। এই কার্ড পাওয়া কৃষকরা সরাসরি সরকারি ভর্তুকি ও নগদ প্রণোদনাসহ ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখের মাহেন্দ্রক্ষণে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কার্ড বিতরণের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর টাঙ্গাইল পৌর উদ্যানে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী কৃষি মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রাথমিকভাবে দেশের ১০ জেলার ১১টি উপজেলায় এই কর্মসূচি চালু হয়েছে। আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের সব কৃষককে এই কার্যক্রমের আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সরকার বলছে, কৃষকরা অর্থনীতির প্রাণ। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে যে ফসল ফলান, তাতেই এ দেশের মানুষের অন্নসংস্থান হয়।

যে কার্ডটি কৃষকের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে, এটি কেবল একটি পরিচয়পত্র নয়; এটি অধিকারের দলিল, এটি সমৃদ্ধির সোপান। এই কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা যে সুবিধাগুলো পাবেন, তা জীবন ও জীবিকার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, কার্ডধারী কৃষকরা ১০ ধরনের সরাসরি সুবিধা পাবেন—
১. সরাসরি সরকারি ভর্তুকি ও নগদ প্রণোদনা।
২. ন্যায্যমূল্যে সার, বীজ ও উন্নত মানের কীটনাশক।
৩. সহজ শর্তে ও স্বল্প সুদে কৃষিঋণ।
৪. প্রথমবারের মতো প্রবর্তিত ‘শস্য ও কৃষি বীমা’।
৫. ন্যায্যমূল্যে সেচ সুবিধা।
৬. মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য এড়িয়ে সরাসরি সরকারি ক্রয়কেন্দ্রে পণ্য বিক্রির সুযোগ।
৭. আধুনিক কৃষিযন্ত্রপাতির (ট্রাক্টর, হার্ভেস্টার) সহায়তা।
৮. উন্নত চাষাবাদের ওপর বিশেষ প্রশিক্ষণ।
৯. আবহাওয়া ও রোগবালাই দমনের পূর্বাভাস সরাসরি মোবাইলে প্রাপ্তি।
১০. সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে সরাসরি আর্থিক অন্তর্ভুক্তি।

কৃষক কার্ড কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকদের একটি ডাটাবেজ তৈরি এবং সরাসরি সরকারি প্রণোদনা ও সহায়তা পৌঁছানো সহজ হবে বলে আশা করছে কৃষি মন্ত্রণালয়।

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 08:10 pm, Tuesday, 14 April 2026
73 Time View

‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

Update Time : 08:10 pm, Tuesday, 14 April 2026

স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুসারে কৃষকদের মধ্যে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ শুরু করেছে বিএনপির সরকার। এই কার্ড পাওয়া কৃষকরা সরাসরি সরকারি ভর্তুকি ও নগদ প্রণোদনাসহ ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখের মাহেন্দ্রক্ষণে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কার্ড বিতরণের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর টাঙ্গাইল পৌর উদ্যানে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী কৃষি মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রাথমিকভাবে দেশের ১০ জেলার ১১টি উপজেলায় এই কর্মসূচি চালু হয়েছে। আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের সব কৃষককে এই কার্যক্রমের আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সরকার বলছে, কৃষকরা অর্থনীতির প্রাণ। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে যে ফসল ফলান, তাতেই এ দেশের মানুষের অন্নসংস্থান হয়।

যে কার্ডটি কৃষকের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে, এটি কেবল একটি পরিচয়পত্র নয়; এটি অধিকারের দলিল, এটি সমৃদ্ধির সোপান। এই কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা যে সুবিধাগুলো পাবেন, তা জীবন ও জীবিকার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, কার্ডধারী কৃষকরা ১০ ধরনের সরাসরি সুবিধা পাবেন—
১. সরাসরি সরকারি ভর্তুকি ও নগদ প্রণোদনা।
২. ন্যায্যমূল্যে সার, বীজ ও উন্নত মানের কীটনাশক।
৩. সহজ শর্তে ও স্বল্প সুদে কৃষিঋণ।
৪. প্রথমবারের মতো প্রবর্তিত ‘শস্য ও কৃষি বীমা’।
৫. ন্যায্যমূল্যে সেচ সুবিধা।
৬. মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য এড়িয়ে সরাসরি সরকারি ক্রয়কেন্দ্রে পণ্য বিক্রির সুযোগ।
৭. আধুনিক কৃষিযন্ত্রপাতির (ট্রাক্টর, হার্ভেস্টার) সহায়তা।
৮. উন্নত চাষাবাদের ওপর বিশেষ প্রশিক্ষণ।
৯. আবহাওয়া ও রোগবালাই দমনের পূর্বাভাস সরাসরি মোবাইলে প্রাপ্তি।
১০. সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে সরাসরি আর্থিক অন্তর্ভুক্তি।

কৃষক কার্ড কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকদের একটি ডাটাবেজ তৈরি এবং সরাসরি সরকারি প্রণোদনা ও সহায়তা পৌঁছানো সহজ হবে বলে আশা করছে কৃষি মন্ত্রণালয়।