যশোরে ইয়াবাসহ ‘আইনজীবী সহকারী’ ও আলোচিত লাবনী গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক
শহরের জজ কোর্ট মোড় এলাকা থেকে ৫০ পিস ইয়াবাসহ আইনজীবী সহকারী পরিচয়ে পরিচিত এক ব্যক্তি ও একাধিক বিতর্কে আলোচিত লাবনী আক্তার ইয়াসমিন নামে এক নারীকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এই অভিযানের পর তাঁদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করা হয়। আজ শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) আদালতের মাধ্যমে তাঁদের জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন— যশোর সদর উপজেলার কাশিমপুর গ্রামের সরদারপাড়ার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে মাসুদ রানা এবং যশোর শহরের বেজপাড়া আজিমাবাদ কলোনির সাদ্দাম হোসেন জিতুর স্ত্রী লাবনী আক্তার ইয়াসমিন।
অভিযানের বিষয়ে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) কামাল হোসেন জানান, আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত বলে গোপন সূত্রে তথ্য ছিল। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, আসামিরা জজ কোর্ট মোড়ের বাদশা ফয়সাল ইনস্টিটিউটের পশ্চিম পাশে ইয়াবা বিক্রির জন্য অবস্থান করছেন। খবর পেয়ে ডিবি পুলিশের একটি চৌকস দল সেখানে অভিযান চালিয়ে মাসুদ রানা ও লাবনীকে হাতেনাতে আটক করে। পরে তল্লাশি চালিয়ে তাঁদের কাছ থেকে ৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ কর্মকর্তা এসআই কামাল হোসেন আরও জানান, আইনজীবী সহকারী পরিচয়দানকারী আটক মাসুদ রানার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত থাকার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এদিকে ৫০ পিস ইয়াবাসহ ডিবির হাতে আটক হওয়ায় শহরের নতুন করে ‘টক অব দ্য টাউন’-এ পরিণত হয়েছেন লাবনী আক্তার ইয়াসমিন।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লাবনীর বিরুদ্ধে নানা ধরনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে এবং এর আগেও তিনি একাধিকবার পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। সম্প্রতি নিজের স্বামীকে মারধর ও বলপ্রয়োগ করে সম্পত্তি লিখে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় মিডিয়াগুলোতে তাঁকে নিয়ে ভিডিও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি ব্যাপক সমালোচিত ও আলোচিত হন। সেই বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার মাদকসহ গ্রেপ্তার হওয়ায় শহরজুড়ে ফের নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে।






















