আসিয়ান সম্মেলনের ফাঁকে চীন, রাশিয়া ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে ড. খলিলুর রহমানের বৈঠক
স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় অনুষ্ঠিত ৩৩তম আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম (এআরএফ)-এর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের ফাঁকে চীন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে পৃথক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।
এসব বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, যোগাযোগ এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুসহ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নানা দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে জানানো হয় যে, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিই হবে ঢাকার বৈদেশিক সম্পর্কের মূল নির্দেশক।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র সঙ্গে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে দুই দেশ ‘বাংলাদেশ-চীন কমিউনিটি’ যৌথভাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ব্যাপক সহযোগিতামূলক অংশীদারত্ব এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে। বৈঠকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন, মাল্টি-মোডাল ট্রান্সপোর্ট করিডোর, বাণিজ্য-বিনিয়োগ এবং জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়গুলো প্রাধান্য পায়।
রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে উভয় দেশ জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে সম্মত হয়। এ সময় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় ড. খলিলুর রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান ল্যাভরভ।
দিনের শেষভাগে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী (সেক্রেটারি অব স্টেট) মার্কো রুবিও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান মার্কো রুবিওকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।
উল্লেখ্য, ড. খলিলুর রহমান ৩৩তম আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরামের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আমটি অ্যান্ড কো-অপারেশন চুক্তির (টিএসি) ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।



























