ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি// গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলার কিশোরগাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম রিন্টু ও সদস্যদের বিরুদ্ধে ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এলাকাবাসীর।অভিযোগ আছে মসজিদ-মন্দিরের নামে বরাদ্দ টাকা লোপাটেরও।২০০৩ সালে নির্বাচনে কিশোরগাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন আমিনুল ইসলাম রিন্টুসহ অন্য সদস্যরা। এরপর পলাশবাড়ী পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সীমানা সংক্রান্ত জটিলতার কারণ দেখিয়ে উচ্চ আদালতে রিট হওয়ায় ১৯ বছর ধরে চেয়ারম্যান রয়েছেন রিন্টু। তার বিরুদ্ধে সড়ক নির্মাণ, পুননির্মাণ, কালভার্ট নির্মান, টিআর, কাবিখা ,কাবিটাসহ বিভিন্ন প্রকল্প ও নানা ধরণের ভাতা দেয়ার ক্ষেত্রে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ এলাকাবাসীর।স্থানীয়রা জানান, এখন বয়স্ক ভাতা পাওয়া যায়না, মরে গেলে হয়তো পাওয়া যাবে এই ভাতা। আগে এলাকার রাস্তা দিয়ে গাড়ি নিয়ে যেতে পারলেও এখন পায়ে হেঁটেও যাওয়া যায়না। রাস্তার বরাদ্ধ অনুযায়ী কাজ হলেই মানুষের দাবি পূরণ হয়।স্থানীয়রা আরও জানান, মন্দিরের জন্য ৪৫ হাজার টাকা বরাদ্ধ হলেও শোনা যায় চেয়ারম্যান সে টাকা আত্মসাৎ করেছে। মসজিদের জন্য এক লাখ ৮০ হাজার টাকা তুলে নিলেও তা মসজিদে দেয়নি। এর বিচার হওয়া দরকার।সম্প্রতি গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এর প্রতিকার ও বিচার দাবি করেছেন ইউনিয়নবাসী। তবে সব অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট উল্লেখ করে চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিপক্ষ এই ইউনিয়নে এবার নির্বাচন করবে বলে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ ছড়াচ্ছে। ভাতার কাজ তো শতভাগ হয়ে গেছে। মসজিদ-মন্দিরের কাজ চেয়ারম্যান মেম্বাররা করেনা, এটা মসজিদ-মন্দিরের সভাপতি-সেক্রেটারিরা করে থাকে।’উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। গাইবান্ধার পলাশবাড়ির উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, ‘এলাকাবাসীর পক্ষে কয়েকজন একটা অভিযোগ দিয়েছে আমাদের কাছে। শীঘ্রই এটি তদন্ত করা হবে। যদি তিনি বা অন্যকেউ এর সাথে জড়িত থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।