Jashore , Sunday, 25 October 2026
সর্বশেষ:
জাতিসংঘের অর্থবহ সংস্কারে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির প্রকাশ্যে চুমু দেওয়ার সংস্কৃতি চালু করেছেন এক দলের প্রধান নেতা: রাশেদ খাঁন যশোরে ফুলকুঁড়ি আসরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সমাবেশ ও পুরস্কার বিতরণ যশোরে বিশ্ব পোলিও দিবসে বর্ণাঢ্য সচেতনতামূলক র‌্যালি টানা ১৮তম বার দ্রুততম মানবী যবিপ্রবির শিরিন আক্তার শ্যামকুড় মাধ্যমিকের এসএসসি ২০১৯ ব্যাচের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত যশোরে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২ যশোরে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ ‘মিথ্যা’ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন যশোরে জাতীয় পার্টির বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ যশোরে ইয়াবাসহ ‘আইনজীবী সহকারী’ ও আলোচিত লাবনী গ্রেপ্তার

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অন্যতম অর্জন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সম্মানীভাতা ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বাড়ানো

মেহেদী হাসান বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা// প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অন্যতম অর্জন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সম্মানীভাতা ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বাড়ানো।

পাশাপাশি সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য কোটার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে মুক্তিযোদ্ধারা ও তাদের পরিবার সম্মানের সাথে সচ্ছল জীবনযাপন করতে পারছে। এছাড়া সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন উপকারভোগীর সংখ্যা ও তাদের জন্য বরাদ্দ এবং নানা সুযোগ সুবিধা বাড়ানো এক অনন্য উদাহরণ।

যে ত্যাগ, তিতীক্ষা, সংগ্রামের মাধ্যমে এদেশকে স্বাধীন করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও সম্মানার্থে ভাতা দিচ্ছে সরকার। প্রতি বাজেটেই এ খাতে বরাদ্দ বাড়ছে।

২০২১-২২ অর্থবছরে সম্মানীর জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা ঠিক করা হয়েছে ২ লাখ, বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৪ হাজার ৬শ ৫৩ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। এর আগের অর্থবছরে মূল বরাদ্দ ছিল ৩ হাজার ৩শ ৮৫ কোটি ৫ লাখ টাকা।ব্যয় হয় ২ হাজার ৮শ ৮০ কোটি টাকা।

শহীদ পরিবার ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা ও সম্মানী ভাতারজন্য ২০২১-২২ অর্থবছরে উপকারভোগী ধরা হয়েছে ১৩ হাজার জন, বরাদ্দ ৪শ ৪৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। আগের অর্থবছরে উপকারভোগী ধরা হয়েছিল ১৫ হাজার জন, বরাদ্দ ছিল ৪শ ৮০ কোটি ৪০ লাখ টাকা। তবে ১৩ হাজার উপভোগীকে ৪শ ৫০ কোটি ৮ লাখ টাকা দেওয়া হয়।

১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারই দায়িত্বে এসে বয়স্কদের জন্য ভাতার ব্যবস্থা করে। তারপর থেকে এর আওতা বেড়েই চলেছে। ২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য বয়স্ক ভাতার উপকারভোগী ধরা হয়েছে ৫৭ লাখ, বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩ হাজার ৪শ ৪৪ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। আগের অর্থ বছরে ৪৯ লাখ জনকে ২ হাজার ৯শ ৪০ কোটি টাকা দেওয়া হয়।

বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতাদের জন্যও ভাতার ব্যবস্থা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০২১-২২ অর্থবছরে ২৪ লাখ ৭৫ হাজার জনের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ হাজার ৪শ ৯৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা। আগের অর্থবছরে ২০ লাখ ৫০ হাজার জনকে ১ হাজার ২শ ৩০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে।

দরিদ্র মায়েদের জন্য রয়েছে মাতৃত্বকালীন ভাতা। ২০২১-২২ অর্থবছরে এ খাতে ৭ লাখ ৭০ হাজার জনের জন্য বরাদ্দ রয়েছে ৭শ ৬৪ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। আগের অর্থবছরে ৭ লাখ ৭০ হাজার জনের জন্য বরাদ্দ ছিল ৭শ ৬৩ কোটি ২৭ লাখ টাকা; খরচ হয়েছে ৭শ ৫৩ কোটি ৯৭ লাখ টাকা।

ভাতা পাচ্ছেন কর্মজীবী স্তন্যদায়ী মায়েরাও। ২০২১-২২ অর্থবছরে ২ লাখ ৭৫ হাজার মায়ের জন্য বরাদ্দ রয়েছে ২শ ৭৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। এর আগে অর্থবছরে ২ লাখ ৭৫ হাজার জনকে ২শ ৭২ কোটি ২৮ লাখ টাকা ভাতা দেওয়া হয়েছে।

২০২১-২২ অর্থবছরে ২০ লাখ ৮ হাজার জন অসচ্ছল প্রতিবন্ধীর জন্য বরাদ্দ রয়েছে ১ হাজার ৮শ ২০ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরে ১৮ লাখ জন অসচ্ছল প্রতিবন্ধীকে ১ হাজার ৬শ ২০ কোটি টাকা ভাতা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া ভাতা পাচ্ছেন হিজড়া, বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর সদস্যরা।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 01:15 pm, Tuesday, 7 September 2021
24 Time View

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অন্যতম অর্জন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সম্মানীভাতা ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বাড়ানো

Update Time : 01:15 pm, Tuesday, 7 September 2021

মেহেদী হাসান বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা// প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অন্যতম অর্জন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সম্মানীভাতা ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বাড়ানো।

পাশাপাশি সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য কোটার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে মুক্তিযোদ্ধারা ও তাদের পরিবার সম্মানের সাথে সচ্ছল জীবনযাপন করতে পারছে। এছাড়া সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন উপকারভোগীর সংখ্যা ও তাদের জন্য বরাদ্দ এবং নানা সুযোগ সুবিধা বাড়ানো এক অনন্য উদাহরণ।

যে ত্যাগ, তিতীক্ষা, সংগ্রামের মাধ্যমে এদেশকে স্বাধীন করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও সম্মানার্থে ভাতা দিচ্ছে সরকার। প্রতি বাজেটেই এ খাতে বরাদ্দ বাড়ছে।

২০২১-২২ অর্থবছরে সম্মানীর জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা ঠিক করা হয়েছে ২ লাখ, বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৪ হাজার ৬শ ৫৩ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। এর আগের অর্থবছরে মূল বরাদ্দ ছিল ৩ হাজার ৩শ ৮৫ কোটি ৫ লাখ টাকা।ব্যয় হয় ২ হাজার ৮শ ৮০ কোটি টাকা।

শহীদ পরিবার ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা ও সম্মানী ভাতারজন্য ২০২১-২২ অর্থবছরে উপকারভোগী ধরা হয়েছে ১৩ হাজার জন, বরাদ্দ ৪শ ৪৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। আগের অর্থবছরে উপকারভোগী ধরা হয়েছিল ১৫ হাজার জন, বরাদ্দ ছিল ৪শ ৮০ কোটি ৪০ লাখ টাকা। তবে ১৩ হাজার উপভোগীকে ৪শ ৫০ কোটি ৮ লাখ টাকা দেওয়া হয়।

১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারই দায়িত্বে এসে বয়স্কদের জন্য ভাতার ব্যবস্থা করে। তারপর থেকে এর আওতা বেড়েই চলেছে। ২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য বয়স্ক ভাতার উপকারভোগী ধরা হয়েছে ৫৭ লাখ, বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩ হাজার ৪শ ৪৪ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। আগের অর্থ বছরে ৪৯ লাখ জনকে ২ হাজার ৯শ ৪০ কোটি টাকা দেওয়া হয়।

বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতাদের জন্যও ভাতার ব্যবস্থা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০২১-২২ অর্থবছরে ২৪ লাখ ৭৫ হাজার জনের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ হাজার ৪শ ৯৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা। আগের অর্থবছরে ২০ লাখ ৫০ হাজার জনকে ১ হাজার ২শ ৩০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে।

দরিদ্র মায়েদের জন্য রয়েছে মাতৃত্বকালীন ভাতা। ২০২১-২২ অর্থবছরে এ খাতে ৭ লাখ ৭০ হাজার জনের জন্য বরাদ্দ রয়েছে ৭শ ৬৪ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। আগের অর্থবছরে ৭ লাখ ৭০ হাজার জনের জন্য বরাদ্দ ছিল ৭শ ৬৩ কোটি ২৭ লাখ টাকা; খরচ হয়েছে ৭শ ৫৩ কোটি ৯৭ লাখ টাকা।

ভাতা পাচ্ছেন কর্মজীবী স্তন্যদায়ী মায়েরাও। ২০২১-২২ অর্থবছরে ২ লাখ ৭৫ হাজার মায়ের জন্য বরাদ্দ রয়েছে ২শ ৭৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। এর আগে অর্থবছরে ২ লাখ ৭৫ হাজার জনকে ২শ ৭২ কোটি ২৮ লাখ টাকা ভাতা দেওয়া হয়েছে।

২০২১-২২ অর্থবছরে ২০ লাখ ৮ হাজার জন অসচ্ছল প্রতিবন্ধীর জন্য বরাদ্দ রয়েছে ১ হাজার ৮শ ২০ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরে ১৮ লাখ জন অসচ্ছল প্রতিবন্ধীকে ১ হাজার ৬শ ২০ কোটি টাকা ভাতা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া ভাতা পাচ্ছেন হিজড়া, বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর সদস্যরা।