নিত্যপণ্যের চড়া দামে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

নিজস্ব প্রতিবেদন:- চাল-ডাল-তেলের বাজার চড়া, বেড়েছে সবজি ও মুরগির দামও। ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ, স্বল্প আয়ের মানুষের নাভিশ্বাস।চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপণ্যের চড়া দামে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ।

সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে সবজি ও মুরগির দামও। বাড়তি দামের হিসাব মেলাতে স্বল্প আয়ের ক্রেতার যেন নাভিশ্বাস। জোরালো দাবি উঠছে দ্রুত বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার।রাজধানীর খিলগাঁও তালতলা কাঁচাবাজারে সবজির চড়া দামে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন ক্রেতারা।

এ বাজারে বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৭০/৮০ টাকা, আর করলা ৮০/১০০ টাকা কেজি। মৌসুমের শেষের দিকেও চড়া বাঁধাকপি ও ফুলকপির দর। বাড়তি দামে ক্ষুব্ধ ক্রেতারা।সরবরাহ কমার অজুহাতে পেঁয়াজের দরও বেশি। দেশি পেঁয়াজ ৫০ আর ভারতীয় পেঁয়াজ ৬০ টাকা কেজি। তবে আগের দরেই বিক্রি হচ্ছে আদা রসুন।সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা দরে।

আর কক মুরগি ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৩শ’ টাকা কেজি।১৭৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে খোলা সয়াবিন তেল। বিক্রেতারা বলছেন, কোনো পণ্যের দামই কমেনি। দামের অস্থিরতার কারণে বিক্রিই বন্ধ করে দিয়েছেন তারা।এছাড়া খোলা আটা ৩৫, চিনি ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে। খুচরা বাজারে নাজিরশাইল চাল পাওয়া যাচ্ছে মানভেদে ৬৮/৭৩ আর মিনিকেট ৬৪/৬৫ টাকা কেজি।

বিআর আটাশ ৫২/৫৪ আর পাইজাম চাল ৪৮/৫০ টাকা কেজি। বিক্রেতারা জানান, পাইকারিতে বাড়ায় আগামী সপ্তাহেই আরও বাড়বে চালের দাম।এমন চড়া বাজারে অসহায় সীমিত আয়ের ক্রেতা। নিত্যপণ্যের চড়া দামে বিপাকে থাকা সাধারণ মানুষ দ্রুত বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ চায়।