Jashore , Sunday, 25 October 2026
সর্বশেষ:
জাতিসংঘের অর্থবহ সংস্কারে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির প্রকাশ্যে চুমু দেওয়ার সংস্কৃতি চালু করেছেন এক দলের প্রধান নেতা: রাশেদ খাঁন যশোরে ফুলকুঁড়ি আসরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সমাবেশ ও পুরস্কার বিতরণ যশোরে বিশ্ব পোলিও দিবসে বর্ণাঢ্য সচেতনতামূলক র‌্যালি টানা ১৮তম বার দ্রুততম মানবী যবিপ্রবির শিরিন আক্তার শ্যামকুড় মাধ্যমিকের এসএসসি ২০১৯ ব্যাচের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত যশোরে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২ যশোরে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ ‘মিথ্যা’ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন যশোরে জাতীয় পার্টির বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ যশোরে ইয়াবাসহ ‘আইনজীবী সহকারী’ ও আলোচিত লাবনী গ্রেপ্তার

খুলনায় নির্মাণ শেষের আগেই দেবে গেল ৪ তলা স্কুল ভবন

তারেক আল আজিজ খুলনা বিভাগীয় সংবাদদাতা// খুলনার এক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রায় তিন কোটি টাকার চারতলা একাডেমিক ভবন নির্মাণকাজ শেষ করার আগেই দেবে হেলে গেছে।

তাছাড়া ‘ভবনটি নির্মাণের শুরু থেকেই অনিয়ম করা হয় এবং নির্মাণকাজ ঝুঁকিতে পড়ে’ বলে অভিযোগ তুলেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রভাষ মণ্ডল।

সোমবার জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার শোভনা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে পার মাদারতলা এলাকায় গিয়ে পল্লীশ্রী বিদ্যালয়ে দেখা গেছে, দেবে হেলে পড়া ভবনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন শ্রমিকরা।

এমএস রহিত এন্টারপ্রাইজ নামে এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি করছে। প্রধান শিক্ষক প্রভাষ মণ্ডল “ডেইলি বাংলাদেশ টুডে ডটকম” কে বলেন, “ঠিকাদার মাটি পরীক্ষা না করেই পাইলিং শুরু করলে তা বেঁকে মাটির গভীরে চলে যায়। তখন ক্রেন এনে পাইলিংয়ের যন্ত্র তুলতে হয়। এ কারণে প্রায় পাঁচ মাস কাজ বন্ধ থাকে।

“তৃতীয়তলা পর্যন্ত করা হলে ভবনটি ছয় ইঞ্চির মতো দেবে উত্তর দিকে হেলে পড়ে। ঠিকাদার তখন ক্রেন দিয়ে ঠেলে ভবনের নিচে বালু ও ঢালাইয়ের ব্যবস্থা করে। তারপর চতুর্থতলার ছাদ ঢালাই করে।ভবনটি দুই কোটি ৯০ লাখ টাকায় নির্মাণ করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

ঠিকাদার টিপু হাওলাদার দাবি করেন, “নির্ধারিত স্থানে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভবন করতে দেয়নি। তাদের কারণেই ডোবা ভরাটের পর সেখানে ভবন নির্মাণ করতে হয়েছে। কাজ করার সময় পেছন পাশটা একটু হেলে যায়।

ভবনটি নির্ধারিত স্থানে নির্মাণ করা হয়নি বলে প্রধান শিক্ষক স্বীকার করেছেন।তিনি বলেন, “ভবনটি সামনের দিকে একটু এগিয়ে করা যেত।

কিন্তু বৈদ্যুতিক লাইনের কারণে বিদ্যালয়ের দক্ষিণে জায়গা নির্ধারণ করা হয়। ঠিকাদার বালু দিয়ে ডোবা ভরাট করে কাজ শুরু করেন।

শুরু থেকেই যেখানে শঙ্কা দানা বেঁধেছে সেখানে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোস্তাফিজুর রহমান কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন।তিনি বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খবর নিয়ে সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 08:10 am, Saturday, 26 February 2022
29 Time View

খুলনায় নির্মাণ শেষের আগেই দেবে গেল ৪ তলা স্কুল ভবন

Update Time : 08:10 am, Saturday, 26 February 2022

তারেক আল আজিজ খুলনা বিভাগীয় সংবাদদাতা// খুলনার এক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রায় তিন কোটি টাকার চারতলা একাডেমিক ভবন নির্মাণকাজ শেষ করার আগেই দেবে হেলে গেছে।

তাছাড়া ‘ভবনটি নির্মাণের শুরু থেকেই অনিয়ম করা হয় এবং নির্মাণকাজ ঝুঁকিতে পড়ে’ বলে অভিযোগ তুলেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রভাষ মণ্ডল।

সোমবার জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার শোভনা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে পার মাদারতলা এলাকায় গিয়ে পল্লীশ্রী বিদ্যালয়ে দেখা গেছে, দেবে হেলে পড়া ভবনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন শ্রমিকরা।

এমএস রহিত এন্টারপ্রাইজ নামে এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি করছে। প্রধান শিক্ষক প্রভাষ মণ্ডল “ডেইলি বাংলাদেশ টুডে ডটকম” কে বলেন, “ঠিকাদার মাটি পরীক্ষা না করেই পাইলিং শুরু করলে তা বেঁকে মাটির গভীরে চলে যায়। তখন ক্রেন এনে পাইলিংয়ের যন্ত্র তুলতে হয়। এ কারণে প্রায় পাঁচ মাস কাজ বন্ধ থাকে।

“তৃতীয়তলা পর্যন্ত করা হলে ভবনটি ছয় ইঞ্চির মতো দেবে উত্তর দিকে হেলে পড়ে। ঠিকাদার তখন ক্রেন দিয়ে ঠেলে ভবনের নিচে বালু ও ঢালাইয়ের ব্যবস্থা করে। তারপর চতুর্থতলার ছাদ ঢালাই করে।ভবনটি দুই কোটি ৯০ লাখ টাকায় নির্মাণ করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

ঠিকাদার টিপু হাওলাদার দাবি করেন, “নির্ধারিত স্থানে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভবন করতে দেয়নি। তাদের কারণেই ডোবা ভরাটের পর সেখানে ভবন নির্মাণ করতে হয়েছে। কাজ করার সময় পেছন পাশটা একটু হেলে যায়।

ভবনটি নির্ধারিত স্থানে নির্মাণ করা হয়নি বলে প্রধান শিক্ষক স্বীকার করেছেন।তিনি বলেন, “ভবনটি সামনের দিকে একটু এগিয়ে করা যেত।

কিন্তু বৈদ্যুতিক লাইনের কারণে বিদ্যালয়ের দক্ষিণে জায়গা নির্ধারণ করা হয়। ঠিকাদার বালু দিয়ে ডোবা ভরাট করে কাজ শুরু করেন।

শুরু থেকেই যেখানে শঙ্কা দানা বেঁধেছে সেখানে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোস্তাফিজুর রহমান কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন।তিনি বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খবর নিয়ে সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।