Jashore , Monday, 26 October 2026
সর্বশেষ:
৩১ অক্টোবরের লংমার্চ সফল করতে যশোরে এনসিপির লিফলেট বিতরণ চার দিনের সরকারি সফরে জাপানের উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৯ মাস পর খুলছে সেন্টমার্টিন: পর্যটকদের জন্য নতুন নিয়ম ও শত টাকা ফি নির্ধারণ যশোরে অনুমতি ছাড়াই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছের ডাল কেটে বিক্রির অভিযোগ বেনাপোল সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদক ও ভারতীয় মালামাল আটক দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ন্যানো-ইউরিয়ার পেটেন্ট পেলেন যবিপ্রবির গবেষক ড. জাভেদ যশোরে কলিমুদ্দিন সরদার ট্রাস্টের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাক্যাম্প অনুষ্ঠিত যশোরে মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে জমজ শিশুদের যৌন নিপীড়নের অভিযোগ টানা আট দিনের ছুটি শেষে বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরে পুরোদমে আমদানি-রপ্তানি শুরু জাতিসংঘের অর্থবহ সংস্কারে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির

করোনার মধ্যেও দেশে রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদন

ডা. ওমর সিলেট বিভাগীয় সংবাদদাতা// করোনা সংক্রমণের মতো বিপত্তির মধ্যেও চা উৎপাদনে রেকর্ড করেছে দেশ। গেল বছর ৯ কোটি ৬৫ লাখ ৫ হাজার কেজি চা উৎপাদন হয়েছে।

দেশের চা শিল্পের ১৬৮ বছরে এটাই সর্বোচ্চ উৎপাদনের নতুন রেকর্ড।বাংলাদেশ চা বোর্ডের হিসেবে ২০২১ সালে দেশের ১৬৭টি চা বাগান এবং ক্ষুদ্র উদ্যোগ থেকে ৯ কোটি ৬৫ লাখ ৫ হাজার কেজি চা উৎপাদিত হয়েছে।

যা আগের বছরের চেয়ে ১ কোটি ১ লাখ কেজি বেশি। আর এসব চায়ের প্রায় ৭০ ভাগ উৎপাদন হয় মৌলভীবাজারের ৯২টি চা বাগানে।সঠিক নেতৃত্ব ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সমতলের চা-বাগান ও ক্ষুদ্র চা চাষ থেকে গেল বছর ৪১ শতাংশ উৎপাদন বেড়েছে।

এ কথা জানিয়ে চা বাগান সংশ্লিষ্টরা নিম্নমানের চা আমদানি বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন।শ্রীমঙ্গলের জেরিন চা বাগানের উপ-মহাব্যবস্থাপক সেলিম রেজা চৌধুরী বলেন, যে চা আমদানি করা হয় তা অনেক নিম্নমানের। যা আমাদের চায়েরও কোয়ালিটি খারাপ করে দেয়। সরকারের প্রতি অনুরোধ আমদানি কমাতে আমদানি ট্যাক্সটা যেন বাড়ানো হয়।

উৎপাদন বাড়াতে চা বাগানগুলোতে বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের চা চাষিদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।বাংলাদেশ চা বোর্ডের প্রকল্প উন্নয়ন ইউনিটের পরিচালক ড. এ কে এম রফিকুল হক বলেন, বাংলাদেশ চা বোর্ডের নজদারির কারণে ও আবহাওয়া অনুকূলে ছিলো তাই এই উৎপাদন সম্ভব হয়েছে।এছাড়া এ উৎপাদন বাড়ার পেছনে কাজ করছেন বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট এর একদল বিজ্ঞানী।

বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. মোহাম্মদ আলী জানান, আমরা বিজ্ঞানীরা প্রতিটি বাগানে উপদেশমূলক ভ্রমণ করেছি। আমরা বিভিন্ন ওয়ার্কশপ করিয়েছি।

পোকামাকড় দমন ও রোগবালাই নিয়ন্ত্রণে আমাদের তৎপরতা ছিলো প্রচুর। উৎপাদন ভালো হয়েছে বলে আমি মনে করি।

সর্বশেষ ২০১৯ সালে রেকর্ড ৯ কোটি ৬০ লাখ ৭০ হাজার কেজি চা উৎপাদিত হয়। পরের বছর তা নেমে আসে ৮ কেটি ৬৩ লাখ ৯০ হাজার কেজিতে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 09:41 pm, Sunday, 13 March 2022
36 Time View

করোনার মধ্যেও দেশে রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদন

Update Time : 09:41 pm, Sunday, 13 March 2022

ডা. ওমর সিলেট বিভাগীয় সংবাদদাতা// করোনা সংক্রমণের মতো বিপত্তির মধ্যেও চা উৎপাদনে রেকর্ড করেছে দেশ। গেল বছর ৯ কোটি ৬৫ লাখ ৫ হাজার কেজি চা উৎপাদন হয়েছে।

দেশের চা শিল্পের ১৬৮ বছরে এটাই সর্বোচ্চ উৎপাদনের নতুন রেকর্ড।বাংলাদেশ চা বোর্ডের হিসেবে ২০২১ সালে দেশের ১৬৭টি চা বাগান এবং ক্ষুদ্র উদ্যোগ থেকে ৯ কোটি ৬৫ লাখ ৫ হাজার কেজি চা উৎপাদিত হয়েছে।

যা আগের বছরের চেয়ে ১ কোটি ১ লাখ কেজি বেশি। আর এসব চায়ের প্রায় ৭০ ভাগ উৎপাদন হয় মৌলভীবাজারের ৯২টি চা বাগানে।সঠিক নেতৃত্ব ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সমতলের চা-বাগান ও ক্ষুদ্র চা চাষ থেকে গেল বছর ৪১ শতাংশ উৎপাদন বেড়েছে।

এ কথা জানিয়ে চা বাগান সংশ্লিষ্টরা নিম্নমানের চা আমদানি বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন।শ্রীমঙ্গলের জেরিন চা বাগানের উপ-মহাব্যবস্থাপক সেলিম রেজা চৌধুরী বলেন, যে চা আমদানি করা হয় তা অনেক নিম্নমানের। যা আমাদের চায়েরও কোয়ালিটি খারাপ করে দেয়। সরকারের প্রতি অনুরোধ আমদানি কমাতে আমদানি ট্যাক্সটা যেন বাড়ানো হয়।

উৎপাদন বাড়াতে চা বাগানগুলোতে বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের চা চাষিদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।বাংলাদেশ চা বোর্ডের প্রকল্প উন্নয়ন ইউনিটের পরিচালক ড. এ কে এম রফিকুল হক বলেন, বাংলাদেশ চা বোর্ডের নজদারির কারণে ও আবহাওয়া অনুকূলে ছিলো তাই এই উৎপাদন সম্ভব হয়েছে।এছাড়া এ উৎপাদন বাড়ার পেছনে কাজ করছেন বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট এর একদল বিজ্ঞানী।

বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. মোহাম্মদ আলী জানান, আমরা বিজ্ঞানীরা প্রতিটি বাগানে উপদেশমূলক ভ্রমণ করেছি। আমরা বিভিন্ন ওয়ার্কশপ করিয়েছি।

পোকামাকড় দমন ও রোগবালাই নিয়ন্ত্রণে আমাদের তৎপরতা ছিলো প্রচুর। উৎপাদন ভালো হয়েছে বলে আমি মনে করি।

সর্বশেষ ২০১৯ সালে রেকর্ড ৯ কোটি ৬০ লাখ ৭০ হাজার কেজি চা উৎপাদিত হয়। পরের বছর তা নেমে আসে ৮ কেটি ৬৩ লাখ ৯০ হাজার কেজিতে।