Jashore , Sunday, 25 October 2026
সর্বশেষ:
জাতিসংঘের অর্থবহ সংস্কারে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির প্রকাশ্যে চুমু দেওয়ার সংস্কৃতি চালু করেছেন এক দলের প্রধান নেতা: রাশেদ খাঁন যশোরে ফুলকুঁড়ি আসরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সমাবেশ ও পুরস্কার বিতরণ যশোরে বিশ্ব পোলিও দিবসে বর্ণাঢ্য সচেতনতামূলক র‌্যালি টানা ১৮তম বার দ্রুততম মানবী যবিপ্রবির শিরিন আক্তার শ্যামকুড় মাধ্যমিকের এসএসসি ২০১৯ ব্যাচের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত যশোরে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২ যশোরে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ ‘মিথ্যা’ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন যশোরে জাতীয় পার্টির বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ যশোরে ইয়াবাসহ ‘আইনজীবী সহকারী’ ও আলোচিত লাবনী গ্রেপ্তার

আড়াই বছর অফিস না করেই বেতন নিচ্ছেন শিক্ষা কর্মকর্তা!

সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:– সুনামগঞ্জের প্রত্যন্ত শাল্লা উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আজিজুর রহমানের ব্যাপক ক্ষমতা! তিনি এতটাই বেপরোয়া যে প্রায় আড়াই বছর ধরে অফিস না করেই বেতন নিচ্ছেন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই।

শাল্লা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন আজিজুর রহমান। ২০১৯ সালের মার্চ মাস থেকে এ পর্যন্ত কর্মস্থলে অনুপস্থিত তিনি।

দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষাব্যবস্থায় নানা সমস্যা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে করোনা-পরবর্তী স্কুল খোলার পর সরকার শিক্ষাব্যবস্থার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে নানা উদ্যোগ নিলেও এ উপজেলায় তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না।

বিষয়টি প্রত্যক্ষ করে উপজেলার মাসিক সমন্বয় কমিটির সভায় তাঁকে নিয়ে আলোচনার পর তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়। কিন্তু এসবের তোয়াক্কা না করে এখনো কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন তিনি।

শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল মোক্তাদীর হোসেন বলেন, শিক্ষা কর্মকর্তার অনুপস্থিতির কারণে আমাদের উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষাব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার অবগত করেছি। এখনো তিনি কর্মস্থলে আসছেন না।

তিনি কাউকেই পাত্তা দিচ্ছেন না।’জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘শাল্লা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে নিয়ে আমরা বিব্রত। তাঁকে অফিসে এসে নিয়মিত কাজ করার কথা বলায় তিনি আমাকে ফোনে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন ও গালিগালাজ করেন। আমি থানায় জিডির পাশাপাশি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি।

সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন,

শাল্লা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে নেই। তাঁকে কর্মস্থলে আসার কথা বারবার বলা হলেও শুনছেন না। আমরা তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 11:17 pm, Thursday, 24 March 2022
40 Time View

আড়াই বছর অফিস না করেই বেতন নিচ্ছেন শিক্ষা কর্মকর্তা!

Update Time : 11:17 pm, Thursday, 24 March 2022

সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:– সুনামগঞ্জের প্রত্যন্ত শাল্লা উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আজিজুর রহমানের ব্যাপক ক্ষমতা! তিনি এতটাই বেপরোয়া যে প্রায় আড়াই বছর ধরে অফিস না করেই বেতন নিচ্ছেন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই।

শাল্লা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন আজিজুর রহমান। ২০১৯ সালের মার্চ মাস থেকে এ পর্যন্ত কর্মস্থলে অনুপস্থিত তিনি।

দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষাব্যবস্থায় নানা সমস্যা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে করোনা-পরবর্তী স্কুল খোলার পর সরকার শিক্ষাব্যবস্থার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে নানা উদ্যোগ নিলেও এ উপজেলায় তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না।

বিষয়টি প্রত্যক্ষ করে উপজেলার মাসিক সমন্বয় কমিটির সভায় তাঁকে নিয়ে আলোচনার পর তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়। কিন্তু এসবের তোয়াক্কা না করে এখনো কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন তিনি।

শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল মোক্তাদীর হোসেন বলেন, শিক্ষা কর্মকর্তার অনুপস্থিতির কারণে আমাদের উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষাব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার অবগত করেছি। এখনো তিনি কর্মস্থলে আসছেন না।

তিনি কাউকেই পাত্তা দিচ্ছেন না।’জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘শাল্লা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে নিয়ে আমরা বিব্রত। তাঁকে অফিসে এসে নিয়মিত কাজ করার কথা বলায় তিনি আমাকে ফোনে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন ও গালিগালাজ করেন। আমি থানায় জিডির পাশাপাশি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি।

সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন,

শাল্লা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে নেই। তাঁকে কর্মস্থলে আসার কথা বারবার বলা হলেও শুনছেন না। আমরা তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।