দৌলতপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাড়ীঘরে ভাঙচুর লুটপাটের অভিযোগ

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

দৌলতপুর প্রতিনিধি(কুষ্টিয়া):- দৌলতপুর উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের, আদাবাড়ীয়া মালিথা পাড়া গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার বাড়ীঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ হয়েছে থানায়। এ বিষয়ে অনুসন্ধান গেলে একাধিক এলাকাবাসী জানান, আবুলের ছেলে মহনের ছোট বাচ্চা মেয়ে ও নুর বক্সর ছেলে রশিদুলের ছোট ছেলে পুকুরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে ঝগড়াঝাটি হয়। বিষয়টির স্থানীয়ভাবে সমাধান হওয়ার কিছু সময় পরে মহনের চাচাতো ভাই মহনের বাড়ী ছাড়া প্রায় ১ কিলোমিটার দুরে থেকে উজিরের ছেলে নান্টু ও সাত্তারের ছেলে তৌহিদের নেত্রীতে ৪০ থেকে ৫০ জন ব্যক্তি এসে, রশিদুল ও আনারুলের বাড়ীঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করেন। এ বিষয়ে রশিদুল ও আনারুল জানান,ছেলে – ছেলের সঙ্গে ছোটখাটো একটি ঝগড়া বিবাদ হয় বিষয়টি সমাধানের পরে আমরা বাড়ীতে চলে আসি কিছু বুঝে উঠার আগেই মোহনের বংশের লোকজন আমাদের বাড়িঘরে হামলা চালায়। আমরা লোক সংখ্যায় কম হওয়াতে ভয়ে গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যায়। তখন মোহনের বংশীয় লোকজন আমাদের বসত বাড়ী ভাঙচুর ও লুটপাট করে নিয়ে যায়। আমাদের ঘরে থাকা বিভিন্ন মালামাল সহ গরু বিক্রয় করা প্রায় তিন লক্ষাধিক টাকা লুটপাট হয়েছে। এবং ঘটনাস্থলে থাকা আমার ভাই জুয়াদের ছেলে শাকিল কে তারা মারপিট করে গুরুতর জখম করে শাকিল দৌলতপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত করে আমরা বিচার দাবি করছি। এ বিষয়ে তহিদুল এর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, মোহন আমার চাচাতো ভাই তাকে মারধর করে তার হাত কেটে দিয়েছে শুনে আমরা এখান থেকে গিয়েছিলাম, আমরা গিয়ে দেখি আমার ভাইকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমরা কোন বাড়িঘর ভাঙচুর লুটপাট করি নাই। আমার ভাইয়ের হাত কেটে দিয়েছে আমরা মামলা করতে পারি সেই জন্য হয়তোবা তারা বাচার জন্য বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে নিজে নিজে।এ বিষয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা প্রত্যক্ষদর্শী একসাদের স্ত্রী সকেনা গণমাধ্যমকে জানান , মোহনের হাতেই হাসুয়া ছিল। সেই হাসুয়া কাড়াকাড়ি করতে গিয়ে নিজের হাসুয়াতেই মোহনের হাত কেটেছে। এবং আমি নিজে দেখেছি রশিদের ঘর থেকে নান্টুকে টাকা নিয়ে তার নিজের টেরে গুজেছে । এ বিষয়ে মুঠোফোনে আহত মোহনের সাথে যোগাযোগ করলে মোহন জানান, আমার হাতের অবস্থা ভালো না আমাকে ঢাকা পিজি হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। কিন্তু কার হাসুয়ায় আমার হাত কেটেছে আমি দেখি নাই পিছন দিক থেকে কে যেন কোপটা দিয়েছে তবে হয়তো বা রশিদুল হতে পারে।এ বিষয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ জানায় , এ বিষয়ে একটি থানায় লিখিত অভিযোগ হয়েছে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।