ধর্ষণের পর কিশোরীকে পতিতালয়ে বিক্রি করেন লতিব

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

ঢাকার ধামরাইয়ে ধর্ষণের পর এক কিশোরীকে জামালপুর পতিতালয়ে বিক্রি করে দেন আব্দুল লতিব নামে একজন। এ ঘটনায় পুলিশ আব্দুল লতিবকে গ্রেফতার করেছে। মঙ্গলবার রাতে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

আব্দুল লতিব ধামরাই উপজেলার বাইশাকান্দা ইউনিয়নের চণ্ডিশ্বর কদমতলী এলাকার মো. ভোলা মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় ওই ধর্ষকের বিরুদ্ধে ধামরাই থানায় মামলা দায়ের হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে ধামরাই থানা পুলিশ।

এ মামলায় ওই ধর্ষককে বুধবার আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, উপজেলার চণ্ডিশ্বর কদমতলী গ্রামের এক কিশোরীকে (১৪) ফুঁসলিয়ে ভুট্টাখেতের ভেতর নিয়ে ধর্ষণ করেন আব্দুল লতিব (৫০)। এরপর তাকে বেড়ানোর কথা বলে জামালপুর জেলা শহরের নিষিদ্ধপল্লীতে নিয়ে বিক্রি করে দেন। পরে সে কৌশলে ওই যৌনপল্লী থেকে পালিয়ে বাড়িতে আসে।

ওই ধর্ষক মাঝে-মধ্যেই ওই কিশোরীকে উত্ত্যক্ত করে ও কু-প্রস্তাব দিতে থাকে। তার কথায় রাজি না হলে সোমবার গভীর রাতে ওই কিশোরীর ঘরে ঢুকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। এ সময় ওই কিশোরীর চিৎকারে পরিবার ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে আব্দুল লতিবকে আটক করে। এরপর তাকে গণধোলাই দিয়ে ধামরাই থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

ধামরাই থানার পরিদর্শক (অপারেশন) নির্মল চন্দ্র দাস বলেন, ধামরাই থানার এসআই মো. রবিউল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ধর্ষককে থানায় নিয়ে আসেন। এ ঘটনায় আব্দুল লতিবের বিরুদ্ধে ধামরাই থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। বুধবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।