Jashore , Monday, 26 October 2026
সর্বশেষ:
৩১ অক্টোবরের লংমার্চ সফল করতে যশোরে এনসিপির লিফলেট বিতরণ চার দিনের সরকারি সফরে জাপানের উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৯ মাস পর খুলছে সেন্টমার্টিন: পর্যটকদের জন্য নতুন নিয়ম ও শত টাকা ফি নির্ধারণ যশোরে অনুমতি ছাড়াই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছের ডাল কেটে বিক্রির অভিযোগ বেনাপোল সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদক ও ভারতীয় মালামাল আটক দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ন্যানো-ইউরিয়ার পেটেন্ট পেলেন যবিপ্রবির গবেষক ড. জাভেদ যশোরে কলিমুদ্দিন সরদার ট্রাস্টের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাক্যাম্প অনুষ্ঠিত যশোরে মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে জমজ শিশুদের যৌন নিপীড়নের অভিযোগ টানা আট দিনের ছুটি শেষে বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরে পুরোদমে আমদানি-রপ্তানি শুরু জাতিসংঘের অর্থবহ সংস্কারে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির

ছাদের পলেস্তরা ভেঙ্গে পড়ায় আতঙ্কিত শরীয়তপুর হাসপাতালের কর্মীরা

মৃতিকা শরীয়ত জেলা প্রতিনিধি:- শরীয়তপুর সদর হাসপালের তত্ত্বাবধায়কের কক্ষের ছাদসহ ফলস সিলিং ধসে পরায় চরম আতংকে হাসপাতালের চিকিৎসকসহ কর্মকর্তা কর্মচারীরা। ভবনের নির্মাণ ত্রুটির বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরেও সময়োপযোগী ব্যবস্থা না নেয়ায় কার্যক্রম চালানো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে বলে জানান তারা।


১৯৮৮ সালে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের তিন তলা ফাউন্ডেশনের ১ তলা ভবন নির্মিত হয়। ২০০৩ সালে দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলা ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ হলে হাসপাতালটি ১০০ শয্যায় উন্নীত হয়।

২০১৬ সালে হাসপাতালের ১১ নম্বর কক্ষে ছাদের একটি অংশ ভেঙ্গে পড়ে। এরপর ২০১৭ সালের নভেম্বরে জরুরি বিভাগ, অফিস রুম, প্যাথলজি বিভাগসহ হাসপাতালের অন্তত ১৭ টি স্থানে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে।

গেল ১২ই সেপ্টেম্বর রাতে তত্ত্বাবধায়কের কক্ষের ছাদের বড় অংশের পলেস্তারা ও ফলস সিলিং ভেঙ্গে পড়লে হাসপাতালের কর্মকর্তা কর্মচারীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মুনির আহম্মেদ খান জানান, এ অবস্থায় কাজ চালানো ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় অন্যত্র চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম সরিয়ে নেয়ার অনুরোধ করে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে চিঠি দেয়া হয়েছে।

তবে বর্তমান অবস্থাকে ঝুঁকিপুর্ণ নয় বলে জানান শরীয়তপুর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সালেহ মোহাম্মদ ফিরোজ।

তবে, ২০১৭ সালে হাসপাতালের ১৭ টি স্থান ভেঙ্গে পড়লে তৎকালীন জেলা প্রশাসক জানিয়েছিলেন কোন প্রকারের কনসালটিং, ডিজাইন ও প্ল্যান ছাড়া পিডব্লিউডি কাজটি করেছে। ওভার লোডিং এর কারণেই এ ঘটনা ঘটেছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 09:18 am, Wednesday, 16 September 2020
37 Time View

ছাদের পলেস্তরা ভেঙ্গে পড়ায় আতঙ্কিত শরীয়তপুর হাসপাতালের কর্মীরা

Update Time : 09:18 am, Wednesday, 16 September 2020

মৃতিকা শরীয়ত জেলা প্রতিনিধি:- শরীয়তপুর সদর হাসপালের তত্ত্বাবধায়কের কক্ষের ছাদসহ ফলস সিলিং ধসে পরায় চরম আতংকে হাসপাতালের চিকিৎসকসহ কর্মকর্তা কর্মচারীরা। ভবনের নির্মাণ ত্রুটির বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরেও সময়োপযোগী ব্যবস্থা না নেয়ায় কার্যক্রম চালানো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে বলে জানান তারা।


১৯৮৮ সালে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের তিন তলা ফাউন্ডেশনের ১ তলা ভবন নির্মিত হয়। ২০০৩ সালে দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলা ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ হলে হাসপাতালটি ১০০ শয্যায় উন্নীত হয়।

২০১৬ সালে হাসপাতালের ১১ নম্বর কক্ষে ছাদের একটি অংশ ভেঙ্গে পড়ে। এরপর ২০১৭ সালের নভেম্বরে জরুরি বিভাগ, অফিস রুম, প্যাথলজি বিভাগসহ হাসপাতালের অন্তত ১৭ টি স্থানে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে।

গেল ১২ই সেপ্টেম্বর রাতে তত্ত্বাবধায়কের কক্ষের ছাদের বড় অংশের পলেস্তারা ও ফলস সিলিং ভেঙ্গে পড়লে হাসপাতালের কর্মকর্তা কর্মচারীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মুনির আহম্মেদ খান জানান, এ অবস্থায় কাজ চালানো ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় অন্যত্র চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম সরিয়ে নেয়ার অনুরোধ করে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে চিঠি দেয়া হয়েছে।

তবে বর্তমান অবস্থাকে ঝুঁকিপুর্ণ নয় বলে জানান শরীয়তপুর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সালেহ মোহাম্মদ ফিরোজ।

তবে, ২০১৭ সালে হাসপাতালের ১৭ টি স্থান ভেঙ্গে পড়লে তৎকালীন জেলা প্রশাসক জানিয়েছিলেন কোন প্রকারের কনসালটিং, ডিজাইন ও প্ল্যান ছাড়া পিডব্লিউডি কাজটি করেছে। ওভার লোডিং এর কারণেই এ ঘটনা ঘটেছে।