ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেট-২ এর নকশা বহির্ভূত ৯১১টি দোকান উচ্ছেদ করার ঘোষণা

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

মানিক কুমার স্টাফ রিপোর্টার:- ৫/১০ লাখ টাকার বিনিময়ে ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেটের অবৈধ দোকানগুলোকে ডিএসসিসির সাবেক মেয়র সাঈদ খোকন বৈধতা দেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র হিসেবে ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস দায়িত্ব নেয়ার পরই রাজধানীর গুলিস্তানের ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেট-২ এর নকশা বহির্ভূত ৯১১টি দোকান উচ্ছেদ করার ঘোষণা দেন।

এ লক্ষ্যে ডিএসসিসির পাঁচ সদস্যের একটি কমিটিও করা হয়।

ডিএসসিসির সাবেক মেয়র সাঈদ খোকন ডেইলি বাংলাদেশ টুডে কে জানিয়েছেন, এভাবে ঢালাওভাবে অভিযান পরিচালনা আইনসিদ্ধ নয়।ফজলে নূর তাপস মেয়

র হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার আগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সাঈদ খোকন।

সাবেক এ মেয়রের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে দায়িত্ব পালনকালে তিনি ফুলবাড়িয়া মার্কেটের নকশা বহির্ভূত এসব অবৈধ দোকানকে বৈধতা দেন। মার্কেটের ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন প্রতিটি দোকানকে বৈধতা দিতে পাঁচ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত নেয়া হয়।

ফুলবাড়িয়ার সিটি প্লাজায় অবৈধ দোকানে সিটি কর্পোরেশনের উচ্ছেদ অভিযান শুরু হলে আবারো সামনে আসে দোকান মালিকদের কাছ থেকে সিটি কর্পোরেশনের মোটা অংকের টাকা নেয়ার বিষয়টি।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা জানান, দোকানের বৈধতা পেতে সাঈদ খোকনের শেষ সময়ে দোকান প্রতি ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা নিয়েছে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন।আবার অনেক ব্যবসায়ীর অভিযোগ, টাকা দেয়ার পরও সেসময় দোকানে বৈধতা পাননি।

এ বিষয়ে সাবেক মেয়র সাঈদ খোকন টেলিফোনে ডিবিসি নিউজকে বলেন, আদালতের নির্দেশনা ও সিটি কর্পোরেশনের সিদ্ধান্তেই টাকা নিয়ে বৈধতা ঘোষণা করা হয়েছিল অনেক দোকানকে।

তিনি আরও বলেন, এখন ঢালাওভাবে অভিযান পরিচালনা ঠিক নয়।

তবে, বর্তমান মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলছেন, কারা টাকা নিয়েছে তা জানে না সিটি কর্পোরেশন।ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা বলছেন, দুই মেয়রের তর্কযুদ্ধ সমস্যার স্থায়ী সমাধান চান তারা।