Jashore , Thursday, 22 October 2026
সর্বশেষ:
যশোরে ঢাক-কাঁসরের শব্দে প্রতিমা বিসর্জন রংপুর মেডিকেলে শর্টসার্কিট থেকে আগুন; আহত ৪০ হেফাজতে ইসলামের মধ্যস্থতায় ৭ কওমি দলের নতুন রাজনৈতিক জোট ‘সমমনা ইসলামি দল’ সৌদিতে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: সরকারের কূটনৈতিক ব্যর্থতার অভিযোগে সিপিবির বিক্ষোভ সাত দশকের ঐতিহ্যবাহী ‘জামাই মেলা’! কোটি টাকার মাছ কেনাবেচার উৎসব যশোরে সার ডিলার নিয়োগে চরম দলীয়করণ ও দুর্নীতির অভিযোগ বিরোধী দলের ৫ এমপির অস্ত্র নিয়ে হামলা ও জমি দখলের হুমকি; যশোর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন জামায়াত জুলাইকে ধারণ করে না, বিএনপির এমন অভিযোগ হাস্যকর: গোলাম পরওয়ার সরকার চায় ঐক্য, কিন্তু একটি মহল ছড়াচ্ছে বিভ্রান্তি : প্রধানমন্ত্রী যশোরে চিহ্নিত চোর ও চাঁদাবাজ মনিরুল ইসলাম সাগর আটক

বিজয়ের ৪৯তম বছরে সমতল, পাহাড়, দ্বীপ সবখানে পৌঁছেছে বিদ্যুৎ

মানিক কুমার স্টাফ রিপোর্টার:- স্বাধীনতার ৫০ বছরে দেশের শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায়, মেগাপ্রকল্পে আরও উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ।

পাকিস্তানি শাসন, শোষণ আর বঞ্চনায় এদেশের মাত্র ৩ শতাংশ মানুষ পেতো বিজলি বাতির সুবিধা।

গ্রাম ছিল পুরোই অন্ধকারে। বিজয়ের ৪৯তম বছরে এসে সেই চিত্র পাল্টে গেছে পুরোটাই। এখন সমতল, পাহাড়, দ্বীপ সবখানে পৌঁছেছে বিদ্যুৎ। সুবিধা পাচ্ছেন দেশের ৯৯ ভাগ জনগোষ্ঠী। বিজয়ের মাস এই ডিসেম্বর শেষে বিদ্যুৎ সুবিধায় থাকবে শতভাগ মানুষ।

দুর্গম পাহাড়েও বিদ্যুৎতের খুঁটি বসবে, বিজয়ের আগে কেউ কি ভেবেছিল? ভেবে থাকলেও এখানে বিদ্যুত আসতে সময় লেগেছে ৪৯ বছর।প্রায় সব বিচ্ছিন্ন দ্বিপেই এখন বিদ্যুত পৌঁছে গেছে। জীবনকে সহজে করে দেয়া বিদ্যুৎ শুধু শহরে নয়, এখন গ্রামেও উৎপাদনের শক্তি যোগাচ্ছে।পাকিস্তানি শাসন আমলের শেষ দিকেও,১৯৭১ সালে এদেশে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় ছিলো মাত্র ৩ শতাংশ মানুষ। একদশক পরে ৬.১৫ শতাংশ। তবে, সবচেয়ে বেশি ৫২ শতাংশ জনগোষ্ঠী বিদ্যুৎ সেবার আওতায় এসেছে গত ১১ বছরে।

এখন দেশের ৯৯ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছেন। পাওয়ার সেল মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন বলেন, এ বছর ডিসেম্বরের মধ্যে গ্রিডের আওতায় যত গ্রাহক আছে তাদের শতভাগ বিদ্যুৎ আমরা নিশ্চিত করবো। বাকী যে অল্প সংখ্যক গ্রাহক অগ্রিড এলাকায় যেমন পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকা, কিছু চরাঞ্চল এগুলো আমরা ২১ সালের মধ্যে করার প্রস্তুতি নিয়েছি।

দেশে এখন চালু বিদ্যুৎ কেন্দ্র ১৪০টি । সবমিলিয়ে উৎপাদন ক্ষমতা ২৩ হাজার ৫৪৮ মেগাওয়াট। আর বাস্তবায়ন পর্যায়ে রয়েছে রূপপুর, মাতারবাড়ি, রামপাল, পায়রার মত সব মেগা প্রকল্প। বিদ্যুৎ খাতের এই উন্নয়নে বিমোহিত পরিকল্পনা মন্ত্রীও।

পরিকল্পনা মন্ত্রী আব্দুল মান্নান বলেন, এই দেশের শতভাগ বিদ্যুতায়ন হবে যাবে এটা আমিও কল্পনা করতে পারি নাই। আমার জীবদ্দশায় নিজের গ্রামে বিদ্যুৎ যাবে এটা আমি আশা করি নাই।আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্প সব মিলিয়ে দেশে এখন বিদ্যৎ গ্রাহক সংখ্যা ২ কোটি ৮১ লাখ।

এই গ্রাহকদের এখন সুলভ দরে, নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ করাই হবে বিদ্যুৎ খাতের পরবর্তী স্থরের সফলতা।

বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্টিজের সাবেক সভাপতি শাহেদুল ইসলাম হেলাল বলেন, ২০০৮ সালে মাত্র ২১ দিন আমরা পেয়েছি যেদিন ইলেক্ট্রিসিটি যায়নি। ২০০৯ তে ৪৫ দিন আর এ বছর আমরা ১০১ দিনের মত পেয়েছি বিদ্যুৎ ছাড়া।

গ্রাহক সেবা উন্নত করতে সাব স্টেশন বাড়ানো, মাটির নিচে বিতরণ তার বসানো, স্ক্যাডা সিস্টেমসহ নানামুখী উন্নয়ন বাস্তবায়ন করছে বিতরণ প্রতিষ্ঠানগুলো।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 10:24 am, Tuesday, 15 December 2020
44 Time View

বিজয়ের ৪৯তম বছরে সমতল, পাহাড়, দ্বীপ সবখানে পৌঁছেছে বিদ্যুৎ

Update Time : 10:24 am, Tuesday, 15 December 2020

মানিক কুমার স্টাফ রিপোর্টার:- স্বাধীনতার ৫০ বছরে দেশের শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায়, মেগাপ্রকল্পে আরও উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ।

পাকিস্তানি শাসন, শোষণ আর বঞ্চনায় এদেশের মাত্র ৩ শতাংশ মানুষ পেতো বিজলি বাতির সুবিধা।

গ্রাম ছিল পুরোই অন্ধকারে। বিজয়ের ৪৯তম বছরে এসে সেই চিত্র পাল্টে গেছে পুরোটাই। এখন সমতল, পাহাড়, দ্বীপ সবখানে পৌঁছেছে বিদ্যুৎ। সুবিধা পাচ্ছেন দেশের ৯৯ ভাগ জনগোষ্ঠী। বিজয়ের মাস এই ডিসেম্বর শেষে বিদ্যুৎ সুবিধায় থাকবে শতভাগ মানুষ।

দুর্গম পাহাড়েও বিদ্যুৎতের খুঁটি বসবে, বিজয়ের আগে কেউ কি ভেবেছিল? ভেবে থাকলেও এখানে বিদ্যুত আসতে সময় লেগেছে ৪৯ বছর।প্রায় সব বিচ্ছিন্ন দ্বিপেই এখন বিদ্যুত পৌঁছে গেছে। জীবনকে সহজে করে দেয়া বিদ্যুৎ শুধু শহরে নয়, এখন গ্রামেও উৎপাদনের শক্তি যোগাচ্ছে।পাকিস্তানি শাসন আমলের শেষ দিকেও,১৯৭১ সালে এদেশে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় ছিলো মাত্র ৩ শতাংশ মানুষ। একদশক পরে ৬.১৫ শতাংশ। তবে, সবচেয়ে বেশি ৫২ শতাংশ জনগোষ্ঠী বিদ্যুৎ সেবার আওতায় এসেছে গত ১১ বছরে।

এখন দেশের ৯৯ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছেন। পাওয়ার সেল মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন বলেন, এ বছর ডিসেম্বরের মধ্যে গ্রিডের আওতায় যত গ্রাহক আছে তাদের শতভাগ বিদ্যুৎ আমরা নিশ্চিত করবো। বাকী যে অল্প সংখ্যক গ্রাহক অগ্রিড এলাকায় যেমন পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকা, কিছু চরাঞ্চল এগুলো আমরা ২১ সালের মধ্যে করার প্রস্তুতি নিয়েছি।

দেশে এখন চালু বিদ্যুৎ কেন্দ্র ১৪০টি । সবমিলিয়ে উৎপাদন ক্ষমতা ২৩ হাজার ৫৪৮ মেগাওয়াট। আর বাস্তবায়ন পর্যায়ে রয়েছে রূপপুর, মাতারবাড়ি, রামপাল, পায়রার মত সব মেগা প্রকল্প। বিদ্যুৎ খাতের এই উন্নয়নে বিমোহিত পরিকল্পনা মন্ত্রীও।

পরিকল্পনা মন্ত্রী আব্দুল মান্নান বলেন, এই দেশের শতভাগ বিদ্যুতায়ন হবে যাবে এটা আমিও কল্পনা করতে পারি নাই। আমার জীবদ্দশায় নিজের গ্রামে বিদ্যুৎ যাবে এটা আমি আশা করি নাই।আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্প সব মিলিয়ে দেশে এখন বিদ্যৎ গ্রাহক সংখ্যা ২ কোটি ৮১ লাখ।

এই গ্রাহকদের এখন সুলভ দরে, নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ করাই হবে বিদ্যুৎ খাতের পরবর্তী স্থরের সফলতা।

বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্টিজের সাবেক সভাপতি শাহেদুল ইসলাম হেলাল বলেন, ২০০৮ সালে মাত্র ২১ দিন আমরা পেয়েছি যেদিন ইলেক্ট্রিসিটি যায়নি। ২০০৯ তে ৪৫ দিন আর এ বছর আমরা ১০১ দিনের মত পেয়েছি বিদ্যুৎ ছাড়া।

গ্রাহক সেবা উন্নত করতে সাব স্টেশন বাড়ানো, মাটির নিচে বিতরণ তার বসানো, স্ক্যাডা সিস্টেমসহ নানামুখী উন্নয়ন বাস্তবায়ন করছে বিতরণ প্রতিষ্ঠানগুলো।