Jashore , Friday, 23 October 2026
সর্বশেষ:
যশোরে জাতীয় পার্টির বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ যশোরে ইয়াবাসহ ‘আইনজীবী সহকারী’ ও আলোচিত লাবনী গ্রেপ্তার যশোরে সার ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে হাটসভা জাতীয় নাগরিক পার্টির পুনর্গঠিত কমিটির আহ্বায়ক নাহিদ, সদস্যসচিব আখতার মণিরামপুরে পাঁচ শহীদ বিপ্লবীর ৫৫তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত যশোর জেনারেল হাসপাতালে ৪০ লাখ টাকার চিকিৎসাসামগ্রী বিতরণ বিশ্ব পোলিও দিবস উপলক্ষে যশোরে রোটারির সচেতনতামূলক র‍্যালি কাল যশোরে ঢাক-কাঁসরের শব্দে প্রতিমা বিসর্জন রংপুর মেডিকেলে শর্টসার্কিট থেকে আগুন; আহত ৪০ হেফাজতে ইসলামের মধ্যস্থতায় ৭ কওমি দলের নতুন রাজনৈতিক জোট ‘সমমনা ইসলামি দল’

ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করা হচ্ছে, ক্ষোভ ব্রিকসে আমন্ত্রণ না পাওয়ায়: চিফ হুইপ

স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত ১০১টি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি বর্তমান সরকার পর্যালোচনা করছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। অনৈতিক এসব চুক্তি নিয়ে শিগগিরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের মূলনীতি হলো ‘সবার আগে বাংলাদেশ’।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে চিফ হুইপ এসব কথা বলেন।

সাবেক সরকারের আমলের চুক্তির সমালোচনা করে চিফ হুইপ জানান, অতীতে চট্টগ্রাম বন্দরে বাংলাদেশ ও কোনো বন্ধু দেশের জাহাজ একসঙ্গে এলে বন্ধু দেশের জাহাজকে আগে খালাস করার মতো জাতীয় স্বার্থবিরোধী চুক্তি করা হয়েছে। এছাড়া ভারতের আদানি গ্রুপের সঙ্গে অসম চুক্তির কারণে বিদ্যুতের ওপর ১৭ শতাংশ বৈদেশিক নির্ভরতা তৈরি হয়েছিল, যেখানে বিদ্যুৎ না পেয়েও বিপুল পরিমাণ ক্যাপাসিটি চার্জ গুনতে হয়েছে। বর্তমান সরকার এসব ক্ষতিকর চুক্তি ও বিদ্যুৎ খাতের দায়মুক্তি অধ্যাদেশ থেকে বের হয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছে।

ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ না জানানোয় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে নুরুল ইসলাম মনি বলেন, একটি স্বাধীন দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ না জানানো অত্যন্ত দুঃখজনক।

সংবাদ সম্মেলনে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পদক্ষেপ তুলে ধরে চিফ হুইপ জানান, বিগত সরকারের রেখে যাওয়া ঋণের বিপরীতে গত পাঁচ মাসে ২০৫ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ ও সুদ পরিশোধ করেছে বর্তমান সরকার। রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় রোধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃচ্ছ্রসাধনের নীতি গ্রহণ করেছেন। এমপি-মন্ত্রীদের রসিদ ছাড়া বিল পরিশোধ না করা, সরকারি প্রটোকল কমানো ও সাধারণ জীবনযাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এমনকি সরকারি খাবারের পেছনে যেখানে আগে বছরে প্রায় ৩৫ কোটি টাকা ব্যয় হতো, সেখানেও বিপুল খরচ কমানো হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 06:38 pm, Friday, 11 September 2026
42 Time View

ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করা হচ্ছে, ক্ষোভ ব্রিকসে আমন্ত্রণ না পাওয়ায়: চিফ হুইপ

Update Time : 06:38 pm, Friday, 11 September 2026

স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত ১০১টি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি বর্তমান সরকার পর্যালোচনা করছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। অনৈতিক এসব চুক্তি নিয়ে শিগগিরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের মূলনীতি হলো ‘সবার আগে বাংলাদেশ’।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে চিফ হুইপ এসব কথা বলেন।

সাবেক সরকারের আমলের চুক্তির সমালোচনা করে চিফ হুইপ জানান, অতীতে চট্টগ্রাম বন্দরে বাংলাদেশ ও কোনো বন্ধু দেশের জাহাজ একসঙ্গে এলে বন্ধু দেশের জাহাজকে আগে খালাস করার মতো জাতীয় স্বার্থবিরোধী চুক্তি করা হয়েছে। এছাড়া ভারতের আদানি গ্রুপের সঙ্গে অসম চুক্তির কারণে বিদ্যুতের ওপর ১৭ শতাংশ বৈদেশিক নির্ভরতা তৈরি হয়েছিল, যেখানে বিদ্যুৎ না পেয়েও বিপুল পরিমাণ ক্যাপাসিটি চার্জ গুনতে হয়েছে। বর্তমান সরকার এসব ক্ষতিকর চুক্তি ও বিদ্যুৎ খাতের দায়মুক্তি অধ্যাদেশ থেকে বের হয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছে।

ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ না জানানোয় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে নুরুল ইসলাম মনি বলেন, একটি স্বাধীন দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ না জানানো অত্যন্ত দুঃখজনক।

সংবাদ সম্মেলনে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পদক্ষেপ তুলে ধরে চিফ হুইপ জানান, বিগত সরকারের রেখে যাওয়া ঋণের বিপরীতে গত পাঁচ মাসে ২০৫ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ ও সুদ পরিশোধ করেছে বর্তমান সরকার। রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় রোধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃচ্ছ্রসাধনের নীতি গ্রহণ করেছেন। এমপি-মন্ত্রীদের রসিদ ছাড়া বিল পরিশোধ না করা, সরকারি প্রটোকল কমানো ও সাধারণ জীবনযাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এমনকি সরকারি খাবারের পেছনে যেখানে আগে বছরে প্রায় ৩৫ কোটি টাকা ব্যয় হতো, সেখানেও বিপুল খরচ কমানো হয়েছে।