Jashore , Sunday, 25 October 2026
সর্বশেষ:
জাতিসংঘের অর্থবহ সংস্কারে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির প্রকাশ্যে চুমু দেওয়ার সংস্কৃতি চালু করেছেন এক দলের প্রধান নেতা: রাশেদ খাঁন যশোরে ফুলকুঁড়ি আসরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সমাবেশ ও পুরস্কার বিতরণ যশোরে বিশ্ব পোলিও দিবসে বর্ণাঢ্য সচেতনতামূলক র‌্যালি টানা ১৮তম বার দ্রুততম মানবী যবিপ্রবির শিরিন আক্তার শ্যামকুড় মাধ্যমিকের এসএসসি ২০১৯ ব্যাচের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত যশোরে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২ যশোরে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ ‘মিথ্যা’ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন যশোরে জাতীয় পার্টির বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ যশোরে ইয়াবাসহ ‘আইনজীবী সহকারী’ ও আলোচিত লাবনী গ্রেপ্তার

ছুটির আগেই অফিস বন্ধ করে চলে গেছেন হাতীবান্ধা উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)

খালেকুজ্জামান লাল লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি// সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিজ কর্মস্থল ত্যাগ না করতে নির্দেশ দেয়া হলেও লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় ছুটির একদিন আগে গোটা অফিস বন্ধ করে বাড়ি গেছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)’র কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। অবশ্য উপজেলা প্রকৌশলী নজির হোসেনের দাবী লক ডাউনের কারণে অফিসে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।সড়ে জমিনে হাতীবান্ধা উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) অফিসে বুধবার (১২ মে) সকাল ১১ টার পর গিয়ে দেখা যায় গোটা অফিসের সকল কক্ষে তালা ঝুলছে। অথচ ওই ভবনে ইউএনও অফিস, যুব উন্নয়ন অফিস, পল্লী উন্নয়ন অফিস, প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস, হিসাব রক্ষক অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আগের মতই অফিস করছেন। এলজিইডি অফিসে ১৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী বিপরীতে ৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত থাকলেও সবাই সরকারী নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে ছুটির একদিন আগেই অফিস বন্ধ করে কর্মস্থল ত্যাগ করেছেন। ফলে ওই অফিসের সেবাগ্রহিতারা এসে সেবা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে তরিকুল রহমান নামে এক কর্মচারী এসে তারাহুড়া করে অফিসের তালা গুলো খুলতে থাকেন। তরিকুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি জানান, সকাল সাড়ে ১১টা বাজে কি কারণে অফিস সহায়ক অফিসের তালা খুলে নাই তা আমি জানি না। আমি অফিসে এসে দেখি কেউ নাই। তাই আমার কাছে যে চাবি ছিলো তাই দিয়ে তালা খুলছি। বাকি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কি কারণে অফিসে নাই তা আমি বলতে পাবো না। দুই একজন মাঠে থাকতে পারে। খোজ খবর নিয়ে জানা গেছে, ওই অফিস প্রধান উপজেলা প্রকৌশলী নজির হোসেন নিজেই কয়েকদিন ধরে অফিসে আসেন না। তিনি কর্মস্থলে নিয়মিত থাকেন না। অফিস টাইম শুরু হওয়ার অনেক পরে অফিসে আসেন উপজেলা প্রকৌশলী নজির হোসেন এবং শেষ হওয়ার আগেই চলে যান। ফলে তার সঠিক তদারকির অভাবে উন্নয়ন মুলক কাজে নানা অনিয়মের সুযোগ পায় অফিসের অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গুলো । এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী নজির হোসেন বলেন, ১৬ তারিখ পর্যন্ত লক ডাউন তাই অফিসে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। অফিসের ৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে ৩ জনের একটু সমস্যা তাই তারা চলে গেছেন। সরকারী নির্দেশ আছে কর্মস্থল ত্যাগ করা যাবে না আপনি নিজেই কর্মস্থল ত্যাগ করেছেন কেন ? এ প্রশ্নে কোনো সৎ উত্তর দিতে পারে নাই ওই কর্মকর্তা। লালমনিরহাট স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)’র নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফ আলী খান বলেন, কি কারণে অফিসে কেউ নাই তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 04:41 pm, Wednesday, 12 May 2021
29 Time View

ছুটির আগেই অফিস বন্ধ করে চলে গেছেন হাতীবান্ধা উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)

Update Time : 04:41 pm, Wednesday, 12 May 2021

খালেকুজ্জামান লাল লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি// সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিজ কর্মস্থল ত্যাগ না করতে নির্দেশ দেয়া হলেও লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় ছুটির একদিন আগে গোটা অফিস বন্ধ করে বাড়ি গেছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)’র কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। অবশ্য উপজেলা প্রকৌশলী নজির হোসেনের দাবী লক ডাউনের কারণে অফিসে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।সড়ে জমিনে হাতীবান্ধা উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) অফিসে বুধবার (১২ মে) সকাল ১১ টার পর গিয়ে দেখা যায় গোটা অফিসের সকল কক্ষে তালা ঝুলছে। অথচ ওই ভবনে ইউএনও অফিস, যুব উন্নয়ন অফিস, পল্লী উন্নয়ন অফিস, প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস, হিসাব রক্ষক অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আগের মতই অফিস করছেন। এলজিইডি অফিসে ১৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী বিপরীতে ৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত থাকলেও সবাই সরকারী নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে ছুটির একদিন আগেই অফিস বন্ধ করে কর্মস্থল ত্যাগ করেছেন। ফলে ওই অফিসের সেবাগ্রহিতারা এসে সেবা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে তরিকুল রহমান নামে এক কর্মচারী এসে তারাহুড়া করে অফিসের তালা গুলো খুলতে থাকেন। তরিকুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি জানান, সকাল সাড়ে ১১টা বাজে কি কারণে অফিস সহায়ক অফিসের তালা খুলে নাই তা আমি জানি না। আমি অফিসে এসে দেখি কেউ নাই। তাই আমার কাছে যে চাবি ছিলো তাই দিয়ে তালা খুলছি। বাকি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কি কারণে অফিসে নাই তা আমি বলতে পাবো না। দুই একজন মাঠে থাকতে পারে। খোজ খবর নিয়ে জানা গেছে, ওই অফিস প্রধান উপজেলা প্রকৌশলী নজির হোসেন নিজেই কয়েকদিন ধরে অফিসে আসেন না। তিনি কর্মস্থলে নিয়মিত থাকেন না। অফিস টাইম শুরু হওয়ার অনেক পরে অফিসে আসেন উপজেলা প্রকৌশলী নজির হোসেন এবং শেষ হওয়ার আগেই চলে যান। ফলে তার সঠিক তদারকির অভাবে উন্নয়ন মুলক কাজে নানা অনিয়মের সুযোগ পায় অফিসের অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গুলো । এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী নজির হোসেন বলেন, ১৬ তারিখ পর্যন্ত লক ডাউন তাই অফিসে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। অফিসের ৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে ৩ জনের একটু সমস্যা তাই তারা চলে গেছেন। সরকারী নির্দেশ আছে কর্মস্থল ত্যাগ করা যাবে না আপনি নিজেই কর্মস্থল ত্যাগ করেছেন কেন ? এ প্রশ্নে কোনো সৎ উত্তর দিতে পারে নাই ওই কর্মকর্তা। লালমনিরহাট স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)’র নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফ আলী খান বলেন, কি কারণে অফিসে কেউ নাই তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।