Jashore , Saturday, 24 October 2026
সর্বশেষ:
যশোরে জাতীয় পার্টির বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ যশোরে ইয়াবাসহ ‘আইনজীবী সহকারী’ ও আলোচিত লাবনী গ্রেপ্তার যশোরে সার ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে হাটসভা জাতীয় নাগরিক পার্টির পুনর্গঠিত কমিটির আহ্বায়ক নাহিদ, সদস্যসচিব আখতার মণিরামপুরে পাঁচ শহীদ বিপ্লবীর ৫৫তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত যশোর জেনারেল হাসপাতালে ৪০ লাখ টাকার চিকিৎসাসামগ্রী বিতরণ বিশ্ব পোলিও দিবস উপলক্ষে যশোরে রোটারির সচেতনতামূলক র‍্যালি কাল যশোরে ঢাক-কাঁসরের শব্দে প্রতিমা বিসর্জন রংপুর মেডিকেলে শর্টসার্কিট থেকে আগুন; আহত ৪০ হেফাজতে ইসলামের মধ্যস্থতায় ৭ কওমি দলের নতুন রাজনৈতিক জোট ‘সমমনা ইসলামি দল’

পরিকল্পনার ভুলে গরমিল হয়ে যায় প্রাক্কলিত ৪০০ কোটির ব্যয়ের

মানিক কুমার স্টাফ রিপোর্টার// প্রকল্প তৈরির গোড়ায় ছিল গলদ। ঠিকঠাক হয়নি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা। পরিকল্পনার সঙ্গে মেলেনি বাস্তবতা। যে কারণে পরিবর্তন করতে হচ্ছে বিদ্যুৎ লাইন নির্মাণের রুটও।

পরিকল্পনার ভুলে গরমিল হয়ে যায় প্রাক্কলিত ব্যয়ের হিসাবও। সংকট নিরসনে আড়াই বছর পর এখন প্রয়োজনীয় অনেক কিছুই সংশোধন করতে হচ্ছে। ব্যয়ও বাড়ছে প্রায় চারশ কোটি টাকা। ওদিকে কাজের অগ্রগতি তেমন হয়নি। কাজ হয়েছে মাত্র ৯.৭৫ শতাংশ।

প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে এমন সব ভুল ও দায়িত্বহীনতার ঘটনা ঘটেছে ‘বড়পুকুরিয়া-বগুড়া-কালিয়াকৈর ৪০০ কেভি লাইন’ প্রকল্পে।আড়াই বছর আগে প্রকল্পটি অনুমোদনের সময় ব্যয় ধরা হয় তিন হাজার ৩২২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের এক হাজার ৪২৪ কোটি ২৬ লাখ টাকা, ভারতীয় ঋণ থেকে এক হাজার ৭৪৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা এবং পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) নিজস্ব তহবিল থেকে ১৫৩ কোটি ৪৪ লাখ টাকা ব্যয়ের লক্ষ্য ছিল।

কিন্তু এখন প্রথম সংশোধনী প্রস্তাবে ব্যয় বাড়িয়ে প্রস্তাব করা হয়েছে মোট চার হাজার ৫২ কোটি ২৩ লাখ টাকা। অনুমোদিত ব্যয়ের তুলনায় বৃদ্ধির হার দাঁড়াচ্ছে ২১ দশমিক ৯৭ শতাংশ। এ অবস্থায় নতুন করে খরচ বাড়ছে ৭২৯ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। তবে এর মধ্যে সিডি ভ্যাট ও ট্যাক্স সংক্রান্ত খাতে সরকারে কোষাগারে জমা হবে প্রায় সাড়ে ৩০০ কোটি টাকা। যদি এই হিসাব বাদ দেয়াও হয় তাহলে নিট ব্যয় বাড়বে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা।

যদিও এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে মাত্র দুই কোটি ৩৭ লাখ টাকা।ব্যয় বাড়ার কারণ জানতে চাইলে বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী গত বৃহস্পতিবার যুগান্তরকে বলেন, ‘প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ঠিকঠাক মতো হলে এত জটিলতা থাকত না। এজন্যই ২৫ কোটি টাকার বেশি যেকোনো প্রকল্পে সম্ভাব্যতা যাচাই বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে প্রকল্পটি যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ হতো তাহলে এর সুফলও সময়মতো পাওয়া যেত।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘টাইম কস্ট বলে একটা বিষয় আছে। সঙ্গত কারণে সময় বাড়লে ব্যয় বাড়বে, এটাই স্বাভাবিক।’এদিকে জানা যায়, ২০১৯ সালে প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদনের সময় এর মেয়াদ ছিল ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত। কিন্তু ব্যয়সহ অনেক কিছু এখন সংশোধন করা জরুরি হয়ে পড়েছে। এর ফলে প্রকল্পটি শেষ করার প্রস্তাবিত মেয়াদ রাখা হয়েছে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত।পরিকল্পনা কমিশনের শিল্প ও শক্তি বিভাগের সদস্য (সচিব) শরিফা খান যুগান্তরকে বলেন, ‘প্রকল্পটিতে নানা ধরনের জটিলতা ছিল। সম্ভাব্যতা সমীক্ষার সঙ্গে বাস্তব ডিজাইনের বেশ কিছু ক্ষেত্রে মিল ছিল না। এমনকি রুটে পরিবর্তন আনতে হয়েছে।

এ ছাড়া দরপত্রের ক্ষেত্রে ডিপিপিতে অনুমোদিত ব্যয়ের চেয়ে সর্বনিু দরদাতাদের ব্যয় বেশি ছিল। এ সব কারণে প্রকল্প সংশোধনের বিকল্প ছিল না।’প্রকল্পটির ধীরগতির কারণ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে প্রকল্প পরিচালক শেখ জাকিরুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, ‘এখানে তিনি নতুন যোগ দিয়েছেন। তাই আগে কি হয়েছে সেটি তিনি জানেন না। তবে তিনি মনে করেন, প্রকল্প সংশোধিত হলে কাজের গতি বাড়বে।

বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ধীরগতির কারণ হিসাবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ডিপিপি তৈরির সময় বগুড়া ৪০০/২৩০ কেভি উপকেন্দ্রের জন্য শাহজাহানপুর উপজেলার জায়গাকে বিবেচনায় নিয়ে রুট জরিপ করা হয়েছিল। কিন্তু সেখানে উপযুক্ত জমি না পাওয়ায় পরে অপর একটি প্রকল্পের আওতায় একই জেলার কাহালু উপজেলায় ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়। এর ফলে বড়পুকুরিয়া থেকে বগুড়া পর্যন্ত লাইন রুটের কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। এ ছাড়া কালিয়াকৈর থেকে বগুড়া পর্যন্ত ৪০০ কেভি লাইনের জন্য অনুমোদিত ডিপিপি অনুযায়ী লাইনটি বঙ্গবন্ধু সেতুর দক্ষিণ পাশ দিয়ে অতিক্রম করার প্রস্তাব ছিল।

কিন্তু এখানে অন্য একটি প্রকল্পের জন্য লাইন নির্মাণ করা হচ্ছে। এ অবস্থায় ৪০০ কেভি লাইনের রুট পরিবর্তন করে বঙ্গবন্ধু সেতুর উত্তর পাশ দিয়ে অতিক্রম করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার যমুনা নদীর পশ্চিম তীরে বিসিক শিল্প নগরীর জন্য জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। অনুমোদিত ডিপিপিতে এই বিদ্যুৎ লাইন বিসিকের অধিগ্রহণ করা জমির ওপর দিয়ে চলে গেছে।

এর ফলে ওই এলাকার রুটেও কিছুটা পরিবর্তন করা হয়েছে। এসব কারণে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে দেরি হয়।প্রসঙ্গত, জনগুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পটি তিনটি বিভাগের ছয়টি জেলার ২৩টি উপজেলা স্পর্শ করবে। প্রকল্পের আওতায় বড়পুকুরিয়া-বগুড়া রুটে ৪০০ কেভি ক্ষমতাসম্পন্ন ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ ডাবল সার্কিট সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হবে।

এ ছাড়া বগুড়া-কালিয়াকৈর রুটে নির্মিত হবে ৪০০ কেভি ক্ষমতাসম্পন্ন ১৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ (৯ কিলোমিটার রিভার ক্রসিংসহ) ডাবল সার্কিট সঞ্চালন লাইন। অপর দিকে কালিয়াকৈর ৪০০/২৩০ কেভি উপকেন্দ্রে ৪০০ কেভি ক্ষমতার দুটি এআইএস বে-সম্প্রসারণ এবং পার্বতীপুর ২৩০ কেভি সুইচিং স্টেশনে ২৩০ কেভি ক্ষমতার দুটি এআইএস বে-সম্প্রসারণ করা হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 07:50 am, Sunday, 5 September 2021
36 Time View

পরিকল্পনার ভুলে গরমিল হয়ে যায় প্রাক্কলিত ৪০০ কোটির ব্যয়ের

Update Time : 07:50 am, Sunday, 5 September 2021

মানিক কুমার স্টাফ রিপোর্টার// প্রকল্প তৈরির গোড়ায় ছিল গলদ। ঠিকঠাক হয়নি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা। পরিকল্পনার সঙ্গে মেলেনি বাস্তবতা। যে কারণে পরিবর্তন করতে হচ্ছে বিদ্যুৎ লাইন নির্মাণের রুটও।

পরিকল্পনার ভুলে গরমিল হয়ে যায় প্রাক্কলিত ব্যয়ের হিসাবও। সংকট নিরসনে আড়াই বছর পর এখন প্রয়োজনীয় অনেক কিছুই সংশোধন করতে হচ্ছে। ব্যয়ও বাড়ছে প্রায় চারশ কোটি টাকা। ওদিকে কাজের অগ্রগতি তেমন হয়নি। কাজ হয়েছে মাত্র ৯.৭৫ শতাংশ।

প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে এমন সব ভুল ও দায়িত্বহীনতার ঘটনা ঘটেছে ‘বড়পুকুরিয়া-বগুড়া-কালিয়াকৈর ৪০০ কেভি লাইন’ প্রকল্পে।আড়াই বছর আগে প্রকল্পটি অনুমোদনের সময় ব্যয় ধরা হয় তিন হাজার ৩২২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের এক হাজার ৪২৪ কোটি ২৬ লাখ টাকা, ভারতীয় ঋণ থেকে এক হাজার ৭৪৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা এবং পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) নিজস্ব তহবিল থেকে ১৫৩ কোটি ৪৪ লাখ টাকা ব্যয়ের লক্ষ্য ছিল।

কিন্তু এখন প্রথম সংশোধনী প্রস্তাবে ব্যয় বাড়িয়ে প্রস্তাব করা হয়েছে মোট চার হাজার ৫২ কোটি ২৩ লাখ টাকা। অনুমোদিত ব্যয়ের তুলনায় বৃদ্ধির হার দাঁড়াচ্ছে ২১ দশমিক ৯৭ শতাংশ। এ অবস্থায় নতুন করে খরচ বাড়ছে ৭২৯ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। তবে এর মধ্যে সিডি ভ্যাট ও ট্যাক্স সংক্রান্ত খাতে সরকারে কোষাগারে জমা হবে প্রায় সাড়ে ৩০০ কোটি টাকা। যদি এই হিসাব বাদ দেয়াও হয় তাহলে নিট ব্যয় বাড়বে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা।

যদিও এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে মাত্র দুই কোটি ৩৭ লাখ টাকা।ব্যয় বাড়ার কারণ জানতে চাইলে বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী গত বৃহস্পতিবার যুগান্তরকে বলেন, ‘প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ঠিকঠাক মতো হলে এত জটিলতা থাকত না। এজন্যই ২৫ কোটি টাকার বেশি যেকোনো প্রকল্পে সম্ভাব্যতা যাচাই বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে প্রকল্পটি যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ হতো তাহলে এর সুফলও সময়মতো পাওয়া যেত।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘টাইম কস্ট বলে একটা বিষয় আছে। সঙ্গত কারণে সময় বাড়লে ব্যয় বাড়বে, এটাই স্বাভাবিক।’এদিকে জানা যায়, ২০১৯ সালে প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদনের সময় এর মেয়াদ ছিল ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত। কিন্তু ব্যয়সহ অনেক কিছু এখন সংশোধন করা জরুরি হয়ে পড়েছে। এর ফলে প্রকল্পটি শেষ করার প্রস্তাবিত মেয়াদ রাখা হয়েছে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত।পরিকল্পনা কমিশনের শিল্প ও শক্তি বিভাগের সদস্য (সচিব) শরিফা খান যুগান্তরকে বলেন, ‘প্রকল্পটিতে নানা ধরনের জটিলতা ছিল। সম্ভাব্যতা সমীক্ষার সঙ্গে বাস্তব ডিজাইনের বেশ কিছু ক্ষেত্রে মিল ছিল না। এমনকি রুটে পরিবর্তন আনতে হয়েছে।

এ ছাড়া দরপত্রের ক্ষেত্রে ডিপিপিতে অনুমোদিত ব্যয়ের চেয়ে সর্বনিু দরদাতাদের ব্যয় বেশি ছিল। এ সব কারণে প্রকল্প সংশোধনের বিকল্প ছিল না।’প্রকল্পটির ধীরগতির কারণ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে প্রকল্প পরিচালক শেখ জাকিরুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, ‘এখানে তিনি নতুন যোগ দিয়েছেন। তাই আগে কি হয়েছে সেটি তিনি জানেন না। তবে তিনি মনে করেন, প্রকল্প সংশোধিত হলে কাজের গতি বাড়বে।

বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ধীরগতির কারণ হিসাবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ডিপিপি তৈরির সময় বগুড়া ৪০০/২৩০ কেভি উপকেন্দ্রের জন্য শাহজাহানপুর উপজেলার জায়গাকে বিবেচনায় নিয়ে রুট জরিপ করা হয়েছিল। কিন্তু সেখানে উপযুক্ত জমি না পাওয়ায় পরে অপর একটি প্রকল্পের আওতায় একই জেলার কাহালু উপজেলায় ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়। এর ফলে বড়পুকুরিয়া থেকে বগুড়া পর্যন্ত লাইন রুটের কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। এ ছাড়া কালিয়াকৈর থেকে বগুড়া পর্যন্ত ৪০০ কেভি লাইনের জন্য অনুমোদিত ডিপিপি অনুযায়ী লাইনটি বঙ্গবন্ধু সেতুর দক্ষিণ পাশ দিয়ে অতিক্রম করার প্রস্তাব ছিল।

কিন্তু এখানে অন্য একটি প্রকল্পের জন্য লাইন নির্মাণ করা হচ্ছে। এ অবস্থায় ৪০০ কেভি লাইনের রুট পরিবর্তন করে বঙ্গবন্ধু সেতুর উত্তর পাশ দিয়ে অতিক্রম করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার যমুনা নদীর পশ্চিম তীরে বিসিক শিল্প নগরীর জন্য জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। অনুমোদিত ডিপিপিতে এই বিদ্যুৎ লাইন বিসিকের অধিগ্রহণ করা জমির ওপর দিয়ে চলে গেছে।

এর ফলে ওই এলাকার রুটেও কিছুটা পরিবর্তন করা হয়েছে। এসব কারণে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে দেরি হয়।প্রসঙ্গত, জনগুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পটি তিনটি বিভাগের ছয়টি জেলার ২৩টি উপজেলা স্পর্শ করবে। প্রকল্পের আওতায় বড়পুকুরিয়া-বগুড়া রুটে ৪০০ কেভি ক্ষমতাসম্পন্ন ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ ডাবল সার্কিট সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হবে।

এ ছাড়া বগুড়া-কালিয়াকৈর রুটে নির্মিত হবে ৪০০ কেভি ক্ষমতাসম্পন্ন ১৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ (৯ কিলোমিটার রিভার ক্রসিংসহ) ডাবল সার্কিট সঞ্চালন লাইন। অপর দিকে কালিয়াকৈর ৪০০/২৩০ কেভি উপকেন্দ্রে ৪০০ কেভি ক্ষমতার দুটি এআইএস বে-সম্প্রসারণ এবং পার্বতীপুর ২৩০ কেভি সুইচিং স্টেশনে ২৩০ কেভি ক্ষমতার দুটি এআইএস বে-সম্প্রসারণ করা হবে।