Jashore , Saturday, 24 October 2026
সর্বশেষ:
যশোরে জাতীয় পার্টির বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ যশোরে ইয়াবাসহ ‘আইনজীবী সহকারী’ ও আলোচিত লাবনী গ্রেপ্তার যশোরে সার ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে হাটসভা জাতীয় নাগরিক পার্টির পুনর্গঠিত কমিটির আহ্বায়ক নাহিদ, সদস্যসচিব আখতার মণিরামপুরে পাঁচ শহীদ বিপ্লবীর ৫৫তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত যশোর জেনারেল হাসপাতালে ৪০ লাখ টাকার চিকিৎসাসামগ্রী বিতরণ বিশ্ব পোলিও দিবস উপলক্ষে যশোরে রোটারির সচেতনতামূলক র‍্যালি কাল যশোরে ঢাক-কাঁসরের শব্দে প্রতিমা বিসর্জন রংপুর মেডিকেলে শর্টসার্কিট থেকে আগুন; আহত ৪০ হেফাজতে ইসলামের মধ্যস্থতায় ৭ কওমি দলের নতুন রাজনৈতিক জোট ‘সমমনা ইসলামি দল’

পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিবেদন কক্সবাজারে অতিঝুঁকিতে থাকা রোহিঙ্গাদের সরিয়ে নেয়ার সুপারিশ

ওসামম কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি:- কক্সবাজারের টেকনাফের দুটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে প্রায় ৪০,০০০ রোহিঙ্গা। তাদের মধ্যে অতিঝুকিপূর্ণদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার সুপারিশ করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

সম্প্রতি ক্যাম্প দুটি পরিদর্শন শেষে অধিদপ্তর একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। যেখান অনিয়ন্ত্রিতভাবে পাহাড় কাটায় ধসের ঝুঁকিসহ, মাটির নিচের পানির স্তর কমে যাওয়া ও বণ্যপ্রাণীর জীবনের ঝুঁকির কথাও বলা হয়েছে। গত বছরের জুনে টেকনাফের চাকমারকুল ক্যাম্পে এক রোহিঙ্গা নারী নিহত হয়।

২১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বসতঘর সংলগ্ন পাহাড় ভারী বৃষ্টিতে ধসে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। কক্সবাজারের টেকনাফের ২১ ও ২২ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্প দুটি চাকমারকুল এবং উনচিপ্রাং নামে পরিচিত।

পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিবেদন বলছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অত্যন্ত ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছে প্রায় ছয় হাজার জন এবং ঝুঁকির মধ্যে অবস্থান করছে আরও ৩০ হাজার রোহিঙ্গা।চট্রগ্রাম বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা জানান, ২১ ও ২২ নাম্বার ক্যাম্পে বসবাসকারীরাই পাহাড়ের বিভিন্ন জায়গায় কেটে তৈরি করেছে বসতবাড়ি।

ফলে পানি নিষ্কাশনের জায়গা না থাকায় বৃষ্টি বা অতি বৃষ্টিতে পাহাড় ধসে প্রাণহানি ঘটতে পারে। সেখানে বসবাসকারীদের নিরাপদে সরিয়ে নেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়াও দুটি ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য দৈনিক ব্যবহৃত হয় ৭৪ লাখ ৭০হাজার লিটার পানি।

ফলে মাটির নিচের পানির স্তর মেপে দেখার সুপারিশ করা হয়েছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরকে। ক্যাম্প স্থাপনের ফলে বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ ও বন্যপ্রাণীর বসবাস ও জীবনযাপনের বিষয়ে খতিয়ে দেখতে বন বিভাগকে সুপারিশ করা হয়েছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 05:58 pm, Monday, 24 January 2022
34 Time View

পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিবেদন কক্সবাজারে অতিঝুঁকিতে থাকা রোহিঙ্গাদের সরিয়ে নেয়ার সুপারিশ

Update Time : 05:58 pm, Monday, 24 January 2022

ওসামম কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি:- কক্সবাজারের টেকনাফের দুটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে প্রায় ৪০,০০০ রোহিঙ্গা। তাদের মধ্যে অতিঝুকিপূর্ণদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার সুপারিশ করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

সম্প্রতি ক্যাম্প দুটি পরিদর্শন শেষে অধিদপ্তর একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। যেখান অনিয়ন্ত্রিতভাবে পাহাড় কাটায় ধসের ঝুঁকিসহ, মাটির নিচের পানির স্তর কমে যাওয়া ও বণ্যপ্রাণীর জীবনের ঝুঁকির কথাও বলা হয়েছে। গত বছরের জুনে টেকনাফের চাকমারকুল ক্যাম্পে এক রোহিঙ্গা নারী নিহত হয়।

২১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বসতঘর সংলগ্ন পাহাড় ভারী বৃষ্টিতে ধসে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। কক্সবাজারের টেকনাফের ২১ ও ২২ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্প দুটি চাকমারকুল এবং উনচিপ্রাং নামে পরিচিত।

পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিবেদন বলছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অত্যন্ত ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছে প্রায় ছয় হাজার জন এবং ঝুঁকির মধ্যে অবস্থান করছে আরও ৩০ হাজার রোহিঙ্গা।চট্রগ্রাম বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা জানান, ২১ ও ২২ নাম্বার ক্যাম্পে বসবাসকারীরাই পাহাড়ের বিভিন্ন জায়গায় কেটে তৈরি করেছে বসতবাড়ি।

ফলে পানি নিষ্কাশনের জায়গা না থাকায় বৃষ্টি বা অতি বৃষ্টিতে পাহাড় ধসে প্রাণহানি ঘটতে পারে। সেখানে বসবাসকারীদের নিরাপদে সরিয়ে নেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়াও দুটি ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য দৈনিক ব্যবহৃত হয় ৭৪ লাখ ৭০হাজার লিটার পানি।

ফলে মাটির নিচের পানির স্তর মেপে দেখার সুপারিশ করা হয়েছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরকে। ক্যাম্প স্থাপনের ফলে বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ ও বন্যপ্রাণীর বসবাস ও জীবনযাপনের বিষয়ে খতিয়ে দেখতে বন বিভাগকে সুপারিশ করা হয়েছে।