Jashore , Sunday, 25 October 2026
সর্বশেষ:
জাতিসংঘের অর্থবহ সংস্কারে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির প্রকাশ্যে চুমু দেওয়ার সংস্কৃতি চালু করেছেন এক দলের প্রধান নেতা: রাশেদ খাঁন যশোরে ফুলকুঁড়ি আসরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সমাবেশ ও পুরস্কার বিতরণ যশোরে বিশ্ব পোলিও দিবসে বর্ণাঢ্য সচেতনতামূলক র‌্যালি টানা ১৮তম বার দ্রুততম মানবী যবিপ্রবির শিরিন আক্তার শ্যামকুড় মাধ্যমিকের এসএসসি ২০১৯ ব্যাচের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত যশোরে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২ যশোরে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ ‘মিথ্যা’ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন যশোরে জাতীয় পার্টির বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ যশোরে ইয়াবাসহ ‘আইনজীবী সহকারী’ ও আলোচিত লাবনী গ্রেপ্তার

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বর্জন করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা

আনোয়ার হোসেন গাংনী উপজেলা প্রতিনিধি// স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বর্জন করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা।

শনিবার (২৬ মার্চ) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান বর্জন করেন তারা। পরে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে গিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেয় উপজেলা প্রশাসন।বীর মুক্তিযোদ্ধা তাহাজ উদ্দীন বলেন, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সংবর্ধনার আয়োজন করে গাংনী উপজেলা প্রশাসন।

প্রকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধারা দাবি তোলেন, যারা গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা নন তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠানে অংশ নিবেন না। এরপরও অনুষ্ঠানে অমুক্তিযোদ্ধা থাকায় প্রকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধারা অনুষ্ঠান বর্জন করেন।তিনি আরও বলেন, প্রশাসনের আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংবর্ধনা এমনকি খাবারও নেওয়া হয়নি।

পরে প্রশাসনের লোকজন মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে এসে সংবর্ধনা দেওয়ায় সেটি নেওয়া হয়েছে।বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল লতিফ জানান, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) কর্তৃক সর্বশেষ যাচাই বাছাই করা হয়। সে সময় যারা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি তাদের গেজেট থেকে বাদ দেওয়া হয়।

পাশাপাশি ভাতাও বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্রশাসনের আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাদের উপস্থিতি থাকলে কোনো মুক্তিযোদ্ধা ওই অনুষ্ঠানে যাবেন না বলেও জানানো হয়েছিল। কিন্তু অনুষ্ঠানে অমুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন তাই বর্জন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মৌসুমী খানম ডেইলি বাংলাদেশ টুডে ডটকম কে বলেন, অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধারা না আসায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক, পৌর মেয়র আহম্মেদ আলী, গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাকসহ প্রশাসনের লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে গিয়ে তাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে না আসার বিষয়টি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। প্রশাসনের সঙ্গে তাদের কোনো দ্বন্দ্ব নেই।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 10:57 am, Sunday, 27 March 2022
52 Time View

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বর্জন করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা

Update Time : 10:57 am, Sunday, 27 March 2022

আনোয়ার হোসেন গাংনী উপজেলা প্রতিনিধি// স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বর্জন করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা।

শনিবার (২৬ মার্চ) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান বর্জন করেন তারা। পরে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে গিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেয় উপজেলা প্রশাসন।বীর মুক্তিযোদ্ধা তাহাজ উদ্দীন বলেন, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সংবর্ধনার আয়োজন করে গাংনী উপজেলা প্রশাসন।

প্রকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধারা দাবি তোলেন, যারা গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা নন তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠানে অংশ নিবেন না। এরপরও অনুষ্ঠানে অমুক্তিযোদ্ধা থাকায় প্রকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধারা অনুষ্ঠান বর্জন করেন।তিনি আরও বলেন, প্রশাসনের আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংবর্ধনা এমনকি খাবারও নেওয়া হয়নি।

পরে প্রশাসনের লোকজন মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে এসে সংবর্ধনা দেওয়ায় সেটি নেওয়া হয়েছে।বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল লতিফ জানান, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) কর্তৃক সর্বশেষ যাচাই বাছাই করা হয়। সে সময় যারা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি তাদের গেজেট থেকে বাদ দেওয়া হয়।

পাশাপাশি ভাতাও বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্রশাসনের আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাদের উপস্থিতি থাকলে কোনো মুক্তিযোদ্ধা ওই অনুষ্ঠানে যাবেন না বলেও জানানো হয়েছিল। কিন্তু অনুষ্ঠানে অমুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন তাই বর্জন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মৌসুমী খানম ডেইলি বাংলাদেশ টুডে ডটকম কে বলেন, অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধারা না আসায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক, পৌর মেয়র আহম্মেদ আলী, গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাকসহ প্রশাসনের লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে গিয়ে তাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে না আসার বিষয়টি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। প্রশাসনের সঙ্গে তাদের কোনো দ্বন্দ্ব নেই।