বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
সর্বশেষ
কলারোয়ায় তাঁতি দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভাবাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির যশোর শহর শাখার নতুন কমিটি গঠনপদত্যাগ করলেন গণঅধিকার পরিষদ যশোরের প্রচার সম্পাদকনব নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে বেনাপোলে র‍্যালিযশোরে পেটে ইয়াবা বহনের অভিযোগে যুবক গ্রেফতাররোজায় শহরের যানজট নিয়ন্ত্রণের দাবিযশোরে মাহে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর মিছিলযশোরে শ্রীরামকৃষ্ণ-এর ১৯১তম জন্মতিথি উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী উৎসব শুরুতারেক রহমানের নেতৃত্বে শুরু হলো গণতান্ত্রিক অভিযাত্রাসন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
Homeসারাদেশদক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলরোজায় শহরের যানজট নিয়ন্ত্রণের দাবি

রোজায় শহরের যানজট নিয়ন্ত্রণের দাবি

দড়াটানায় গাড়ির গড়াগড়ি

স্বাধীন মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ
শহরের দড়াটানা এলাকায় নিত্যদিনের চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে তীব্র যানজট। ইজিবাইক, বাংলার ‘টেসলা’খ্যাত রিকশা, ব্যক্তিগত গাড়ি ও বিভিন্ন ত্রিচক্রযান রাস্তার বড় অংশ দখল করে রাখায় দুর্ভোগে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। ফুটপাত দখল করে হকারদের ব্যবসা, দোকানের সামনে পার্কিং ব্যবস্থার অভাব এবং শহরের ধারণক্ষমতার বাইরে যানবাহন চলাচল সব মিলিয়ে যানজট পরিস্থিতি দিন দিন জটিল হয়ে উঠছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব বিষয়ে পৌর কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি নেই। ফলে দড়াটানাসহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সারাদিনই যানবাহনের গড়াগড়ি লেগে থাকে।

এদিকে আজ থেকে শুরু হয়েছে পবিত্র মাহে রমজান। রোজায় সকাল ও বিকেলে মানুষের চলাচল বেড়ে যায়। কর্মব্যস্ত মানুষ চান ইফতারের আগে নিরাপদে ঘরে ফিরতে। তবে যানজটের কারণে তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন অনেকে। অন্যদিকে রোজা ঘিরে বাড়তি আয়ের আশায় রিকশা ও ইজিবাইক চালকদের সংখ্যাও বেড়ে যায়। যে কারণে যানজট আরও বাড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাবলাতলা এলাকার বাসিন্দা মাসুদ পারভেজ বলেন, রোজার সময় আমরা চাই প্রশাসন যানজট নিয়ন্ত্রণ করুক। বিশেষ করে ইফতারের আগে রাস্তা যদি যানজটমুক্ত না থাকে, তাহলে রোজাদারদের কষ্ট বাড়বে।

শামমি রেজা নামে এক পথচারী বলেন, এমনিতেই শহরে স্বাভাবিকভাবে চলাচল করা যায় না। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কয়েকটি নির্দিষ্ট জায়গায় তীব্র যানজট থাকে। রোজায় অন্তত কিছুটা স্বস্তি চাই।

এদিকে জেলা ট্রাফিক পুলিশ জানিয়েছে, রোজায় যানজট নিয়ন্ত্রণে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ট্রাফিক বিভাগের ইনস্পেক্টর ইউসুফ চৌধুরি বলেন, আমরা একাধিক সমন্বয় সভা করেছি। বাজার ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক হয়েছে। পৌরসভা, সদর থানা ও জেলা পুলিশ যৌথভাবে কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বড়বাজারের গলির মুখে ব্যারিকেড থাকবে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বাইরের যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। ব্যানার ও মাইকিংয়ের মাধ্যমে সচেতনতা বাড়ানো হবে।

তিনি আরও জানান, রোজার সময় ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে কঠোর অবস্থানে থাকবে প্রশাসন। কোনো হকার বা ইফতার সামগ্রী বিক্রেতা ফুটপাত দখল করে বসতে পারবে না।

এই বিভাগের আরো খবর

জনপ্রিয়