Jashore , Saturday, 24 October 2026
সর্বশেষ:
জাতিসংঘের অর্থবহ সংস্কারে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির প্রকাশ্যে চুমু দেওয়ার সংস্কৃতি চালু করেছেন এক দলের প্রধান নেতা: রাশেদ খাঁন যশোরে ফুলকুঁড়ি আসরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সমাবেশ ও পুরস্কার বিতরণ যশোরে বিশ্ব পোলিও দিবসে বর্ণাঢ্য সচেতনতামূলক র‌্যালি টানা ১৮তম বার দ্রুততম মানবী যবিপ্রবির শিরিন আক্তার শ্যামকুড় মাধ্যমিকের এসএসসি ২০১৯ ব্যাচের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত যশোরে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২ যশোরে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ ‘মিথ্যা’ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন যশোরে জাতীয় পার্টির বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ যশোরে ইয়াবাসহ ‘আইনজীবী সহকারী’ ও আলোচিত লাবনী গ্রেপ্তার

রোজায় শহরের যানজট নিয়ন্ত্রণের দাবি

দড়াটানায় গাড়ির গড়াগড়ি

স্বাধীন মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ
শহরের দড়াটানা এলাকায় নিত্যদিনের চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে তীব্র যানজট। ইজিবাইক, বাংলার ‘টেসলা’খ্যাত রিকশা, ব্যক্তিগত গাড়ি ও বিভিন্ন ত্রিচক্রযান রাস্তার বড় অংশ দখল করে রাখায় দুর্ভোগে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। ফুটপাত দখল করে হকারদের ব্যবসা, দোকানের সামনে পার্কিং ব্যবস্থার অভাব এবং শহরের ধারণক্ষমতার বাইরে যানবাহন চলাচল সব মিলিয়ে যানজট পরিস্থিতি দিন দিন জটিল হয়ে উঠছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব বিষয়ে পৌর কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি নেই। ফলে দড়াটানাসহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সারাদিনই যানবাহনের গড়াগড়ি লেগে থাকে।

এদিকে আজ থেকে শুরু হয়েছে পবিত্র মাহে রমজান। রোজায় সকাল ও বিকেলে মানুষের চলাচল বেড়ে যায়। কর্মব্যস্ত মানুষ চান ইফতারের আগে নিরাপদে ঘরে ফিরতে। তবে যানজটের কারণে তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন অনেকে। অন্যদিকে রোজা ঘিরে বাড়তি আয়ের আশায় রিকশা ও ইজিবাইক চালকদের সংখ্যাও বেড়ে যায়। যে কারণে যানজট আরও বাড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাবলাতলা এলাকার বাসিন্দা মাসুদ পারভেজ বলেন, রোজার সময় আমরা চাই প্রশাসন যানজট নিয়ন্ত্রণ করুক। বিশেষ করে ইফতারের আগে রাস্তা যদি যানজটমুক্ত না থাকে, তাহলে রোজাদারদের কষ্ট বাড়বে।

শামমি রেজা নামে এক পথচারী বলেন, এমনিতেই শহরে স্বাভাবিকভাবে চলাচল করা যায় না। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কয়েকটি নির্দিষ্ট জায়গায় তীব্র যানজট থাকে। রোজায় অন্তত কিছুটা স্বস্তি চাই।

এদিকে জেলা ট্রাফিক পুলিশ জানিয়েছে, রোজায় যানজট নিয়ন্ত্রণে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ট্রাফিক বিভাগের ইনস্পেক্টর ইউসুফ চৌধুরি বলেন, আমরা একাধিক সমন্বয় সভা করেছি। বাজার ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক হয়েছে। পৌরসভা, সদর থানা ও জেলা পুলিশ যৌথভাবে কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বড়বাজারের গলির মুখে ব্যারিকেড থাকবে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বাইরের যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। ব্যানার ও মাইকিংয়ের মাধ্যমে সচেতনতা বাড়ানো হবে।

তিনি আরও জানান, রোজার সময় ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে কঠোর অবস্থানে থাকবে প্রশাসন। কোনো হকার বা ইফতার সামগ্রী বিক্রেতা ফুটপাত দখল করে বসতে পারবে না।

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 07:13 pm, Wednesday, 18 February 2026
100 Time View

রোজায় শহরের যানজট নিয়ন্ত্রণের দাবি

Update Time : 07:13 pm, Wednesday, 18 February 2026

দড়াটানায় গাড়ির গড়াগড়ি

স্বাধীন মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ
শহরের দড়াটানা এলাকায় নিত্যদিনের চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে তীব্র যানজট। ইজিবাইক, বাংলার ‘টেসলা’খ্যাত রিকশা, ব্যক্তিগত গাড়ি ও বিভিন্ন ত্রিচক্রযান রাস্তার বড় অংশ দখল করে রাখায় দুর্ভোগে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। ফুটপাত দখল করে হকারদের ব্যবসা, দোকানের সামনে পার্কিং ব্যবস্থার অভাব এবং শহরের ধারণক্ষমতার বাইরে যানবাহন চলাচল সব মিলিয়ে যানজট পরিস্থিতি দিন দিন জটিল হয়ে উঠছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব বিষয়ে পৌর কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি নেই। ফলে দড়াটানাসহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সারাদিনই যানবাহনের গড়াগড়ি লেগে থাকে।

এদিকে আজ থেকে শুরু হয়েছে পবিত্র মাহে রমজান। রোজায় সকাল ও বিকেলে মানুষের চলাচল বেড়ে যায়। কর্মব্যস্ত মানুষ চান ইফতারের আগে নিরাপদে ঘরে ফিরতে। তবে যানজটের কারণে তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন অনেকে। অন্যদিকে রোজা ঘিরে বাড়তি আয়ের আশায় রিকশা ও ইজিবাইক চালকদের সংখ্যাও বেড়ে যায়। যে কারণে যানজট আরও বাড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাবলাতলা এলাকার বাসিন্দা মাসুদ পারভেজ বলেন, রোজার সময় আমরা চাই প্রশাসন যানজট নিয়ন্ত্রণ করুক। বিশেষ করে ইফতারের আগে রাস্তা যদি যানজটমুক্ত না থাকে, তাহলে রোজাদারদের কষ্ট বাড়বে।

শামমি রেজা নামে এক পথচারী বলেন, এমনিতেই শহরে স্বাভাবিকভাবে চলাচল করা যায় না। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কয়েকটি নির্দিষ্ট জায়গায় তীব্র যানজট থাকে। রোজায় অন্তত কিছুটা স্বস্তি চাই।

এদিকে জেলা ট্রাফিক পুলিশ জানিয়েছে, রোজায় যানজট নিয়ন্ত্রণে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ট্রাফিক বিভাগের ইনস্পেক্টর ইউসুফ চৌধুরি বলেন, আমরা একাধিক সমন্বয় সভা করেছি। বাজার ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক হয়েছে। পৌরসভা, সদর থানা ও জেলা পুলিশ যৌথভাবে কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বড়বাজারের গলির মুখে ব্যারিকেড থাকবে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বাইরের যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। ব্যানার ও মাইকিংয়ের মাধ্যমে সচেতনতা বাড়ানো হবে।

তিনি আরও জানান, রোজার সময় ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে কঠোর অবস্থানে থাকবে প্রশাসন। কোনো হকার বা ইফতার সামগ্রী বিক্রেতা ফুটপাত দখল করে বসতে পারবে না।