শনিবার, মার্চ ২৮, ২০২৬
সর্বশেষ
মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা, ১২ মার্কিন সেনা আহতস্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের স্ত্রী মারা গেছেনপুলিশকে আগের পোশাকে ফেরাতে কাজ করছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীযশোরে অজ্ঞাতদুষ্কৃতির খপ্পরে পড়ে গৃহবধূর সর্বস্ব লুটবুকভরা বাওড়ে সেচ্ছাসেবকদের ঈদ পুনর্মিলনীমণিরামপুরে দুর্বৃত্তদের হামলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দুই কর্মী আহতযশোরে ‘অর্থ আওয়ার’ উপলক্ষে স্কাউটস রোভারের সচেতনতামূলক র‍্যালিভবদহ অঞ্চলের জলাবদ্ধতা নিরসনে বুরুলি খাল খনন উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী অমিতস্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় ডা. ডোরার মৃত্যু: যশোরে সংবাদ সম্মেলনে বিচার দাবিতে পরিবারযশোরে যাত্রা শুরু করেছে নাগরিক সংঘ
Homeআন্তর্জাতিকশ্রমজীবীর অভাব কানাডায়

শ্রমজীবীর অভাব কানাডায়

আন্তর্জাতিক সংবাদ// বার্ধক্যের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং কর্মক্ষম নাগরিকের সংখ্যা কমে যাওয়ায় যে নতুন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে তা কানাডার সমাজ ও অর্থনীতির ওপর একটি বড় প্রভাব ফেলবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা ও পেনশন ব্যবস্থার ওপরও চাপ সৃষ্টি করবে।

স্টাটিসটিকস কানাডা বলছে, অভিবাসন বৃদ্ধি করেও এই পরিস্থিতি এড়ানো যাবে না।

অভিবাসীবান্ধব হিসেবে পরিচিতি রয়েছে উত্তর আমেরিকার দেশ কানাডার। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেশী দেশটির জনসংখ্যা মাত্র ৩ কোটি ৮০ লাখ। দেশটিতে জীবনযাত্রার মান উন্নত হওয়ায় বিশ্বের অনেক দেশের নাগরিকরাই নতুন জীবন শুরু করতে সেখানে পাড়ি জমায়।প্রতি বছরই বিভিন্ন দেশ থেকে নতুন করে কানাডাতে অভিবাসী আসলেও দেশটি ভুগছে শ্রমজীবী কর্মীর ঘাটতিতে।ফিন্যান্সিয়াল পোস্টের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কানাডার প্রতি ৫ জনের ১ জনের অবসর গ্রহণের সময়সীমা ঘনিয়ে আসছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশটিতে যেমন বেকারত্বের হার কমে এসেছে, তেমনি শ্রমজীবী কর্মীর ঘাটতিও সৃষ্টি হচ্ছে।

২০২১ সালের আদমশুমারির ওপর ভিত্তি করে করা একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, কানাডার জনসংখ্যায় কখনও বয়স্কদের আধিক্য ছিল না। সর্বশেষ দেখা গেছে, দেশটির জনসংখ্যার ২২ শতাংশের বয়স ৫৫ থেকে ৬৪ বছরের মধ্যে। কানাডার আদমশুমারির ইতিহাসে এই সংখ্যাটি সর্বোচ্চ।কানাডার অর্থনীতিকে এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে অবদান রাখে ১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সীরা। আদমশুমারি অনুযায়ী দেশটিতে এই বয়সী নাগরিকের সংখ্যা ৬৪.৮ শতাংশ। যা জি-সেভেন দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। যেমন জাপানের জনসংখ্যার ৬০ শতাংশেরও কম, কর্মে সক্ষম বয়সসীমার মধ্যে রয়েছে।

কানাডার ক্ষেত্রেও ২০৫০ সালের আগেই কর্মজীবী কানাডীয়দের সংখ্যা জাপানের মতোই ৬০ শতাংশে নেমে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।স্টাটিসটিকস কানাডা বলছে, অভিবাসন বৃদ্ধি করেও এই পরিস্থিতি এড়ানো যাবে না। ২০১৬ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুর সংখ্যা ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষের সংখ্যার তুলনায় ৬ গুণ ধীরগতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে।গবেষণায় এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, বাচ্চা নেয়ার ক্ষেত্রে অনীহা ও গড় আয়ু বৃদ্ধি।

কানাডার জীবনযাত্রার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে গিয়ে নারীদের ক্ষেত্রে সন্তান ধারণে অনীহা দেখা গেছে। একই সঙ্গে উন্নত চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার কারণে বেড়েছে গড় আয়ু।২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত দেশটির প্রজনন হার প্রাপ্তবয়স্ক প্রতি নারীতে মাত্র ১.৪। সে ক্ষেত্রে যেভাবে বয়স্কদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, সে তুলনায় নতুনের আগমন হচ্ছে না। গবেষণা বলছে, এই হার আরও কমতে পারে।

কারণ প্রতি পাঁচজন নারীর একজন বলছেন, কোভিড-১৯ পরিস্থিতির জন্য তারা আরও দেরিতে বাচ্চা নিতে চান।বার্ধক্যের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং কর্মক্ষম নাগরিকের সংখ্যা কমে যাওয়ায় যে নতুন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে তা কানাডার সমাজ ও অর্থনীতির ওপর একটি বড় প্রভাব ফেলবে।

পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা ও পেনশন ব্যবস্থার ওপরও চাপ সৃষ্টি করবে। তবে আগের তুলনায় বয়স্করা এখন কর্মক্ষেত্রে বেশি সময় থাকতে চাইছেন। যা শ্রমের ঘাটতি পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

এই বিভাগের আরো খবর

জনপ্রিয়