বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৬, ২০২৬
Homeসারাদেশদক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলযবিপ্রবির নতুন উপাচার্য ড. ইয়ারুল কবির ফুলের বদলে চাইলেন দোয়া

যবিপ্রবির নতুন উপাচার্য ড. ইয়ারুল কবির ফুলের বদলে চাইলেন দোয়া

স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি)-এর পঞ্চম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ড. ইয়ারুল কবির। বুধবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে যোগদানপত্রে স্বাক্ষরের মাধ্যমে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

দায়িত্ব গ্রহণের সময় শুভেচ্ছা জানাতে আগত শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছে ফুলের পরিবর্তে দোয়া কামনা করেন নবনিযুক্ত উপাচার্য। যে প্রত্যাশা উপস্থিতদের মধ্যে ভিন্নমাত্রার আবেগের সৃষ্টি করে।

এর আগে সোমবার (১৩ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়।

যোগদানের আনুষ্ঠানিকতার আগে ড. ইয়ারুল কবির বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-র স্মৃতিফলকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন, রেজিস্ট্রার কাজী মো. জালালুদ্দিন, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা।

দায়িত্ব গ্রহণের পর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ড. ইয়ারুল কবির বলেন, যবিপ্রবি শিক্ষা ও গবেষণায় অনেক এগিয়ে রয়েছে। এ ধারাবাহিকতাকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রস্তাব পেলেও এই বিশ্ববিদ্যালয় ছিল আমার প্রথম পছন্দ।

আনুষ্ঠানিকতা শেষে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর ‘জিয়া ট্রি’ কর্মসূচির আদলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি নিম গাছের চারা রোপণ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, ড. ইয়ারুল কবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে জাপানের তোহোকু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নিউট্রিশনাল বায়োকেমিস্ট্রিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি শিক্ষকতা ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত। ১৯৮৪ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। এছাড়া কুয়েত বিশ্ববিদ্যালয়ে সহযোগী অধ্যাপক এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়-এর রসায়ন বিভাগে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

গবেষণার ক্ষেত্রেও তার রয়েছে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা। জাপান ও জার্মানিসহ বিভিন্ন দেশে পোস্ট-ডক্টরাল গবেষণা ও ভিজিটিং সায়েন্টিস্ট হিসেবে কাজ করেছেন তিনি।

এই বিভাগের আরো খবর

জনপ্রিয়