Jashore , Tuesday, 27 October 2026
সর্বশেষ:
যশোরে গণঅধিকার পরিষদের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন যশোরে ১১ দলীয় জোটের লংমার্চ সফল করতে এনসিপির লিফলেট বিতরণ আইডিইএক্স ২০২৭-এ অংশ নিতে তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ শার্শায় ৩০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার যশোরে ২৪ লাখ টাকার স্বর্ণের বারসহ আটক ১ খুলনায় আতঙ্কের নাম ‘বি কোম্পানি’: আড়ালে সন্ত্রাসী তাণ্ডব ও রাজনৈতিক ছত্রছায়া যশোরে সড়ক দূর্ঘটনায় মা ও শিশু নিহত; আহত বাবা চুরির অপবাদে কিশোর স্বাধীনকে হত্যা: বিচারের দাবিতে মায়ের সংবাদ সম্মেলন ৩১ অক্টোবরের লংমার্চ সফল করতে যশোরে এনসিপির লিফলেট বিতরণ চার দিনের সরকারি সফরে জাপানের উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

যশোরে শোভাযাত্রা ও দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপন

স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
বর্ণাঢ্য আয়োজন, উৎসবমুখর পরিবেশ ও সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে যশোরে উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ উৎসব ঘিরে পুরো শহরজুড়ে সৃষ্টি হয় এক আনন্দঘন মিলনমেলা। যেখানে ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির এক অনন্য চিত্র ফুটে ওঠে।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে শহরের ঐতিহ্যবাহী যশোর টাউন হল ময়দান থেকে বের হয় বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা।জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের নেতৃত্বে সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে শুরু হওয়া এ শোভাযাত্রা রঙিন ব্যানার, ফেস্টুন, মুখোশ, পুতুল ও গ্রামীণ ঐতিহ্যের নানা উপকরণে সজ্জিত হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

শোভাযাত্রাটি টাউন হল ময়দান থেকে শুরু হয়ে জজ কোর্ট মোড়, দড়াটানা, চিত্রা মোড়, থানা চৌরাস্তা, রেল রোড, আদ্-দ্বীন হাসপাতাল এবং মাইকপট্টি মোড় ঘুরে পুনরায় টাউন হল ময়দানে এসে শেষ হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা এনএসআইয়ের যুগ্ম পরিচালক আবু তাহের মো. পারভেজ, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, দৈনিক লোকসমাজ-এর প্রকাশক শান্তনু ইসলাম সুমিত, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট-এর সভাপতি দীপঙ্কর দাস রতনসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীরা।

শোভাযাত্রার পাশাপাশি দিনব্যাপী চলে নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন। শহরের বিভিন্ন স্থানে মঞ্চস্থ হয় নাচ, গান, লোকসংগীত, আধুনিক সংগীত এবং ইসলামী সংগীতের পরিবেশনা। স্থানীয় শিল্পীদের প্রাণবন্ত পরিবেশনায় দর্শনার্থীরা মুগ্ধ হয়ে উৎসবের আনন্দে শামিল হন। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে প্রবীণ সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে প্রতিটি আয়োজন হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও উপভোগ্য।

এদিন শহরের পৌর পার্কে উদীচী যশোর বর্ষবরণের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্টানের আয়োজন করে। যেখানে বাঙ্গালি সাংস্কৃতির অংশ গান, নাচ, কবিতা উপভোগ করে সর্বস্তরের মানুষ।

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে শহরজুড়ে বিরাজ করে উৎসবের আমেজ। সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রতিষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নিজেদের উদ্যোগে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও সড়কগুলো রঙিন ব্যানার, আলপনা ও বৈশাখী সাজে সজ্জিত করা হয়। যা উৎসবের আবহকে আরও বর্ণিল করে তোলে।

উৎসবকে কেন্দ্র করে যশোরে সৃষ্টি হয় এক সম্প্রীতির মিলনমেলা। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে অংশগ্রহণ করে বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এ ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মের কাছে বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরার পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও সাংস্কৃতিক চর্চাকে জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এদিকে, শোভাযাত্রা শুরুর পর জেলা প্রশাসক র‌্যালি থেকে বের হলে বিশৃঙ্খলা দেখা যায়। অনেকে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তাদের মনে সকল সাংস্কৃতি সামাজিক ,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যশোরের বর্ষবরণের শোভাযাত্রার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে থকলেও যথাযথ সমন্বয়হীনতার কারণে নিজেদের আয়োজন সম্বলিত ভাবে ফুঁটিেতেুরতে পারেননি।

অন্যদিকে, ট্রাফিক বিভাগের পরিকল্পনার অভাবে এদিন বিকেলেথেকে রাত অবধি শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। যে যানজটেেভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ মানুষ।#

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 06:02 pm, Wednesday, 15 April 2026
78 Time View

যশোরে শোভাযাত্রা ও দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপন

Update Time : 06:02 pm, Wednesday, 15 April 2026

স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
বর্ণাঢ্য আয়োজন, উৎসবমুখর পরিবেশ ও সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে যশোরে উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ উৎসব ঘিরে পুরো শহরজুড়ে সৃষ্টি হয় এক আনন্দঘন মিলনমেলা। যেখানে ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির এক অনন্য চিত্র ফুটে ওঠে।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে শহরের ঐতিহ্যবাহী যশোর টাউন হল ময়দান থেকে বের হয় বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা।জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের নেতৃত্বে সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে শুরু হওয়া এ শোভাযাত্রা রঙিন ব্যানার, ফেস্টুন, মুখোশ, পুতুল ও গ্রামীণ ঐতিহ্যের নানা উপকরণে সজ্জিত হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

শোভাযাত্রাটি টাউন হল ময়দান থেকে শুরু হয়ে জজ কোর্ট মোড়, দড়াটানা, চিত্রা মোড়, থানা চৌরাস্তা, রেল রোড, আদ্-দ্বীন হাসপাতাল এবং মাইকপট্টি মোড় ঘুরে পুনরায় টাউন হল ময়দানে এসে শেষ হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা এনএসআইয়ের যুগ্ম পরিচালক আবু তাহের মো. পারভেজ, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, দৈনিক লোকসমাজ-এর প্রকাশক শান্তনু ইসলাম সুমিত, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট-এর সভাপতি দীপঙ্কর দাস রতনসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীরা।

শোভাযাত্রার পাশাপাশি দিনব্যাপী চলে নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন। শহরের বিভিন্ন স্থানে মঞ্চস্থ হয় নাচ, গান, লোকসংগীত, আধুনিক সংগীত এবং ইসলামী সংগীতের পরিবেশনা। স্থানীয় শিল্পীদের প্রাণবন্ত পরিবেশনায় দর্শনার্থীরা মুগ্ধ হয়ে উৎসবের আনন্দে শামিল হন। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে প্রবীণ সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে প্রতিটি আয়োজন হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও উপভোগ্য।

এদিন শহরের পৌর পার্কে উদীচী যশোর বর্ষবরণের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্টানের আয়োজন করে। যেখানে বাঙ্গালি সাংস্কৃতির অংশ গান, নাচ, কবিতা উপভোগ করে সর্বস্তরের মানুষ।

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে শহরজুড়ে বিরাজ করে উৎসবের আমেজ। সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রতিষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নিজেদের উদ্যোগে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও সড়কগুলো রঙিন ব্যানার, আলপনা ও বৈশাখী সাজে সজ্জিত করা হয়। যা উৎসবের আবহকে আরও বর্ণিল করে তোলে।

উৎসবকে কেন্দ্র করে যশোরে সৃষ্টি হয় এক সম্প্রীতির মিলনমেলা। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে অংশগ্রহণ করে বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এ ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মের কাছে বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরার পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও সাংস্কৃতিক চর্চাকে জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এদিকে, শোভাযাত্রা শুরুর পর জেলা প্রশাসক র‌্যালি থেকে বের হলে বিশৃঙ্খলা দেখা যায়। অনেকে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তাদের মনে সকল সাংস্কৃতি সামাজিক ,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যশোরের বর্ষবরণের শোভাযাত্রার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে থকলেও যথাযথ সমন্বয়হীনতার কারণে নিজেদের আয়োজন সম্বলিত ভাবে ফুঁটিেতেুরতে পারেননি।

অন্যদিকে, ট্রাফিক বিভাগের পরিকল্পনার অভাবে এদিন বিকেলেথেকে রাত অবধি শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। যে যানজটেেভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ মানুষ।#