Jashore , Monday, 2 November 2026
সর্বশেষ:
অভয়নগরে পুলিশের হাত থেকে মৎস্যজীবী লীগ নেতাকে ছিনিয়ে নিলেন বিএনপি নেতা! যশোরে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগ: দুই পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার, বিক্ষোভ ঢাকায় পোষাক শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ যশোরে চৌগাছার জিআই পণ্য খেজুরের গুড় রক্ষায় গাছি সমাবেশ ও চারা বিতরণ ফের এলপিজির দাম বাড়াল ২২৩ টাকা বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিকের দাফনে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে যশোরে গণসমাবেশ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের অভিযোগে আদালতে মানহানি মামলা যশোরে নিষিদ্ধ কফ সিরাপসহ আটক ২ যশোরে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গ্রেপ্তার ৪১ গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে: শফিকুর রহমান

অভয়নগরে পুলিশের হাত থেকে মৎস্যজীবী লীগ নেতাকে ছিনিয়ে নিলেন বিএনপি নেতা!

নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরের অভয়নগরে পুলিশের হেফাজত থেকে এক মৎস্যজীবী লীগ নেতাকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে। সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে উপজেলার প্রেমবাগ ইউনিয়নের মাগুরা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত বিএনপি নেতার নাম রেজাউল ইসলাম মোল্যা। তিনি প্রেমবাগ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন। তবে তিনি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যায় নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে প্রেমবাগ ইউনিয়নের মাগুরা গ্রামে অভিযান চালায় অভয়নগর থানা পুলিশ। অভিযানকালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন মৎস্যজীবী লীগের ইউনিয়ন যুগ্ম আহ্বায়ক হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের খবর পেয়ে প্রেমবাগ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল ইসলাম মোল্যা তাঁর অনুসারীদের নিয়ে পুলিশ দলকে ঘেরাও করেন। একপর্যায়ে তাঁরা পুলিশের হাত থেকে গ্রেপ্তারকৃত হাফিজুর রহমানকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে যান।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান জানান, প্রেমবাগ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল ইসলাম মোল্যার নেতৃত্বে একদল লোক মাগুরা বাজারে পুলিশ টিমকে ঘেরাও করে মৎস্যজীবী লীগ নেতা হাফিজুর রহমানকে ছিনিয়ে নিয়েছে। আসামিকে পুনরায় গ্রেপ্তারে ওই এলাকায় পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

অন্যদিকে অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে প্রেমবাগ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল ইসলাম মোল্যা বলেন, আমি শুনেছি হাফিজুর রহমান নামের সেনাবাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত সদস্য ও মৎস্যজীবী লীগের সদস্যকে কে বা কারা মাগুরা বাজারে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

এদিকে পুলিশের হেফাজত থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম অস্বস্তি ও তোলপাড় লক্ষ্য করা গেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : One hour ago
7 Time View

অভয়নগরে পুলিশের হাত থেকে মৎস্যজীবী লীগ নেতাকে ছিনিয়ে নিলেন বিএনপি নেতা!

Update Time : One hour ago

নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরের অভয়নগরে পুলিশের হেফাজত থেকে এক মৎস্যজীবী লীগ নেতাকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে। সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে উপজেলার প্রেমবাগ ইউনিয়নের মাগুরা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত বিএনপি নেতার নাম রেজাউল ইসলাম মোল্যা। তিনি প্রেমবাগ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন। তবে তিনি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যায় নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে প্রেমবাগ ইউনিয়নের মাগুরা গ্রামে অভিযান চালায় অভয়নগর থানা পুলিশ। অভিযানকালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন মৎস্যজীবী লীগের ইউনিয়ন যুগ্ম আহ্বায়ক হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের খবর পেয়ে প্রেমবাগ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল ইসলাম মোল্যা তাঁর অনুসারীদের নিয়ে পুলিশ দলকে ঘেরাও করেন। একপর্যায়ে তাঁরা পুলিশের হাত থেকে গ্রেপ্তারকৃত হাফিজুর রহমানকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে যান।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান জানান, প্রেমবাগ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল ইসলাম মোল্যার নেতৃত্বে একদল লোক মাগুরা বাজারে পুলিশ টিমকে ঘেরাও করে মৎস্যজীবী লীগ নেতা হাফিজুর রহমানকে ছিনিয়ে নিয়েছে। আসামিকে পুনরায় গ্রেপ্তারে ওই এলাকায় পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

অন্যদিকে অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে প্রেমবাগ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল ইসলাম মোল্যা বলেন, আমি শুনেছি হাফিজুর রহমান নামের সেনাবাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত সদস্য ও মৎস্যজীবী লীগের সদস্যকে কে বা কারা মাগুরা বাজারে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

এদিকে পুলিশের হেফাজত থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম অস্বস্তি ও তোলপাড় লক্ষ্য করা গেছে।