Jashore , Tuesday, 27 October 2026
সর্বশেষ:
যশোরে গণঅধিকার পরিষদের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন যশোরে ১১ দলীয় জোটের লংমার্চ সফল করতে এনসিপির লিফলেট বিতরণ আইডিইএক্স ২০২৭-এ অংশ নিতে তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ শার্শায় ৩০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার যশোরে ২৪ লাখ টাকার স্বর্ণের বারসহ আটক ১ খুলনায় আতঙ্কের নাম ‘বি কোম্পানি’: আড়ালে সন্ত্রাসী তাণ্ডব ও রাজনৈতিক ছত্রছায়া যশোরে সড়ক দূর্ঘটনায় মা ও শিশু নিহত; আহত বাবা চুরির অপবাদে কিশোর স্বাধীনকে হত্যা: বিচারের দাবিতে মায়ের সংবাদ সম্মেলন ৩১ অক্টোবরের লংমার্চ সফল করতে যশোরে এনসিপির লিফলেট বিতরণ চার দিনের সরকারি সফরে জাপানের উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রেইনট্রি ধর্ষণ মামলা বিচারক কামরুন্নাহারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চিঠি দেয়া হবে: আইনমন্ত্রী

কাকলি সুলতানা স্টাফ রিপোর্টার// রাজধানীর বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই শিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলার বিচারকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি দেয়া হবে।

এমনটা জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।শনিবার বিকেলে সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী আবদুল বাসেত মজুমদারের স্মরণসভা শেষে সাংবাদিকদের একথা জানান আইনমন্ত্রী।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ডেইলি বাংলাদেশ টুডে ডটকম কে বলেন, ৭২ ঘণ্টা পর ধর্ষণ মামলা না নেয়ার জন্য বিচারক যে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন, তা সম্পূর্ণ বেআইনি ও অসাংবিধানিক।

ওই বিচারকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রধান বিচারপতির কাছে আগামীকাল চিঠি দেয়া হবে। যেখানে বিচারিক ক্ষমতা স্থগিতের বিষয়টি উল্লেখ থাকবে।

গত ১১ই নভেম্বর ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক বেগম মোছা. কামরুন্নাহার বনানীর রেইনট্রি হোটেলে ২ শিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণা করে পর্যবেক্ষণে জানান, “৭২ ঘণ্টার বেশি হলে পুলিশ যেন ধর্ষণ মামলা না নেয়।

বিচারকের এমন পর্যবেক্ষণের প্রতিবাদও জানায় বেশ কিছু সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।এর আগে, রেইনট্রি হোটেলে শিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলায় আপন জুয়েলার্সের কর্ণধার দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদসহ পাঁচ আসমিকে খালাস দেয় বেগম কামরুন্নাহারের আদালত।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২৮ মার্চ রাজধানীর বনানীর ‘দ্য রেইনট্রি’ হোটেলে জন্মদিনের অনুষ্ঠানের কথা বলে ওই দুই শিক্ষার্থীকে নিয়ে আসে আসামিরা।

পরে অস্ত্র দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন, ধর্ষণ ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে তারা। এই ঘটনায় ওই বছরের ৬ই মে সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানী থানায় ধর্ষণের অভিযোগে ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থী বাদী হয়ে মামলা করেন।

মামলায় পাঁচজনকে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে ওই বছরের ৮ই জুন ঢাকা মহানগর পুলিশের উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের পুলিশ পরিদর্শক ইসমত আরা এমি ৫ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

একই বছরের ১৩ জুলাই পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে মামলায় চার্জ গঠন করেন আদালত। এরপর সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়ে তা শেষ হয় ২২ আগস্ট।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 08:41 pm, Saturday, 13 November 2021
19 Time View

রেইনট্রি ধর্ষণ মামলা বিচারক কামরুন্নাহারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চিঠি দেয়া হবে: আইনমন্ত্রী

Update Time : 08:41 pm, Saturday, 13 November 2021

কাকলি সুলতানা স্টাফ রিপোর্টার// রাজধানীর বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই শিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলার বিচারকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি দেয়া হবে।

এমনটা জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।শনিবার বিকেলে সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী আবদুল বাসেত মজুমদারের স্মরণসভা শেষে সাংবাদিকদের একথা জানান আইনমন্ত্রী।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ডেইলি বাংলাদেশ টুডে ডটকম কে বলেন, ৭২ ঘণ্টা পর ধর্ষণ মামলা না নেয়ার জন্য বিচারক যে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন, তা সম্পূর্ণ বেআইনি ও অসাংবিধানিক।

ওই বিচারকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রধান বিচারপতির কাছে আগামীকাল চিঠি দেয়া হবে। যেখানে বিচারিক ক্ষমতা স্থগিতের বিষয়টি উল্লেখ থাকবে।

গত ১১ই নভেম্বর ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক বেগম মোছা. কামরুন্নাহার বনানীর রেইনট্রি হোটেলে ২ শিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণা করে পর্যবেক্ষণে জানান, “৭২ ঘণ্টার বেশি হলে পুলিশ যেন ধর্ষণ মামলা না নেয়।

বিচারকের এমন পর্যবেক্ষণের প্রতিবাদও জানায় বেশ কিছু সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।এর আগে, রেইনট্রি হোটেলে শিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলায় আপন জুয়েলার্সের কর্ণধার দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদসহ পাঁচ আসমিকে খালাস দেয় বেগম কামরুন্নাহারের আদালত।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২৮ মার্চ রাজধানীর বনানীর ‘দ্য রেইনট্রি’ হোটেলে জন্মদিনের অনুষ্ঠানের কথা বলে ওই দুই শিক্ষার্থীকে নিয়ে আসে আসামিরা।

পরে অস্ত্র দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন, ধর্ষণ ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে তারা। এই ঘটনায় ওই বছরের ৬ই মে সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানী থানায় ধর্ষণের অভিযোগে ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থী বাদী হয়ে মামলা করেন।

মামলায় পাঁচজনকে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে ওই বছরের ৮ই জুন ঢাকা মহানগর পুলিশের উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের পুলিশ পরিদর্শক ইসমত আরা এমি ৫ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

একই বছরের ১৩ জুলাই পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে মামলায় চার্জ গঠন করেন আদালত। এরপর সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়ে তা শেষ হয় ২২ আগস্ট।