Jashore , Tuesday, 27 October 2026
সর্বশেষ:
বন্দর ইজারা দেওয়ার প্রতিবাদে যশোরে এনডিএফ’র বিক্ষোভ ও সমাবেশ বেনাপোল সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় চোরাচালানি পণ্য জব্দ পল্টনে সিপিবি কার্যালয়ে হামলা ও অবরুদ্ধ করার ঘটনায় গণসংহতি আন্দোলনের নিন্দা যশোরে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৩৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৪ ‘বিগ বি’ উদ্যোগ যৌথভাবে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ-জাপান একমত সকালে প্রভাতী ট্রেন চালুসহ ৬ দফা দাবিতে রেলপথমন্ত্রীকে যশোর সংগ্রাম কমিটির স্মারকলিপি যশোরে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ সিজন-২ এর মার্শাল আর্ট ইভেন্টে পৌরসভা দল বাছাই সম্পন্ন যশোরে গণঅধিকার পরিষদের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন যশোরে ১১ দলীয় জোটের লংমার্চ সফল করতে এনসিপির লিফলেট বিতরণ আইডিইএক্স ২০২৭-এ অংশ নিতে তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ

বাংলাদেশের নির্বাচনে চোখ রাখবে যুক্তরাষ্ট্র: পিটার হাস

কাকলি সুলতানা স্টাফ রিপোর্টার// বাংলাদেশের অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের নজর থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত পিটার হাস।

বাংলাদেশের একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। পিটার হাস বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাস করে যে, গণতন্ত্রের শক্তি তার জনগণের কণ্ঠস্বর শোনার সক্ষমতার ওপর নির্ভর করে।

বাংলাদেশসহ যেকোনো দেশের নির্বাচনের বিষয়ে আমাদের নীতি হচ্ছে, দেশের জনগণ যেন আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী পরিচালিত অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের সরকার নির্বাচন করতে পারে।আমরা কোনো রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করি না।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে ভয়ভীতি দেখানো ও রাজনৈতিক সহিংসতার খবর উদ্বেগজনক। এমন পরিবেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না। আমরা সব পক্ষকে আইনের শাসনকে সম্মান করার এবং সহিংসতা, জবরদস্তি, ভীতি প্রদর্শন বা প্রতিশোধ নেওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাই।

সেইসঙ্গে সাংবাদিকরা যেন স্বাধীন ও পরিপূর্ণভাবে নির্বাচনের খবর সংগ্রহ করতে পারে, সে জন্য তাদের হয়রানি ও সহিংসতা থেকে নিরাপত্তা দিতে হবে। রাষ্ট্রদূত বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তিনি ও তার সরকার অবাধ ও সুষ্ঠু সংসদ নির্বাচন চায়।

আমরা এই শব্দগুলোকে স্বাগত জানাই এবং সরকার কীভাবে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করবে তা দেখার অপেক্ষায় আছি। নির্বাচনের আগে বাংলাদেশ যেসব গঠনমূলক উদ্যোগ নেবে, আমরা তা সমর্থন করি।

পিটার ডি. হাস আরও বলেন, গত ৫০ বছরে বাংলাদেশের যে অর্জন তাতে আমি বিস্মিত এবং বাংলাদেশি জনগণ ও সরকারকে যুক্তরাষ্ট্র যে সমর্থন দিয়েছে তাতে আমি গর্বিত।

আমরা অনেক খাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করেছি এবং আগামী ৫০ বছরে আমাদের অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী হবে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করে যাবে এবং খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও দারিদ্র্য নিরসনে আমরা একসঙ্গে যে অগ্রগতি অর্জন করেছি তার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখব।

আমরা জলবায়ু পরিবর্তন, গণতান্ত্রিক নীতির প্রচার, বাণিজ্য বৃদ্ধি ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার মতো সমস্যাগুলো মোকাবিলায় নতুন ও উদ্ভাবনী পদ্ধতি নিয়েও কাজ করব। আমি আমাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অত্যন্ত আশাবাদী।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 04:07 pm, Monday, 3 October 2022
20 Time View

বাংলাদেশের নির্বাচনে চোখ রাখবে যুক্তরাষ্ট্র: পিটার হাস

Update Time : 04:07 pm, Monday, 3 October 2022

কাকলি সুলতানা স্টাফ রিপোর্টার// বাংলাদেশের অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের নজর থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত পিটার হাস।

বাংলাদেশের একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। পিটার হাস বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাস করে যে, গণতন্ত্রের শক্তি তার জনগণের কণ্ঠস্বর শোনার সক্ষমতার ওপর নির্ভর করে।

বাংলাদেশসহ যেকোনো দেশের নির্বাচনের বিষয়ে আমাদের নীতি হচ্ছে, দেশের জনগণ যেন আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী পরিচালিত অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের সরকার নির্বাচন করতে পারে।আমরা কোনো রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করি না।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে ভয়ভীতি দেখানো ও রাজনৈতিক সহিংসতার খবর উদ্বেগজনক। এমন পরিবেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না। আমরা সব পক্ষকে আইনের শাসনকে সম্মান করার এবং সহিংসতা, জবরদস্তি, ভীতি প্রদর্শন বা প্রতিশোধ নেওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাই।

সেইসঙ্গে সাংবাদিকরা যেন স্বাধীন ও পরিপূর্ণভাবে নির্বাচনের খবর সংগ্রহ করতে পারে, সে জন্য তাদের হয়রানি ও সহিংসতা থেকে নিরাপত্তা দিতে হবে। রাষ্ট্রদূত বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তিনি ও তার সরকার অবাধ ও সুষ্ঠু সংসদ নির্বাচন চায়।

আমরা এই শব্দগুলোকে স্বাগত জানাই এবং সরকার কীভাবে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করবে তা দেখার অপেক্ষায় আছি। নির্বাচনের আগে বাংলাদেশ যেসব গঠনমূলক উদ্যোগ নেবে, আমরা তা সমর্থন করি।

পিটার ডি. হাস আরও বলেন, গত ৫০ বছরে বাংলাদেশের যে অর্জন তাতে আমি বিস্মিত এবং বাংলাদেশি জনগণ ও সরকারকে যুক্তরাষ্ট্র যে সমর্থন দিয়েছে তাতে আমি গর্বিত।

আমরা অনেক খাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করেছি এবং আগামী ৫০ বছরে আমাদের অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী হবে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করে যাবে এবং খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও দারিদ্র্য নিরসনে আমরা একসঙ্গে যে অগ্রগতি অর্জন করেছি তার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখব।

আমরা জলবায়ু পরিবর্তন, গণতান্ত্রিক নীতির প্রচার, বাণিজ্য বৃদ্ধি ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার মতো সমস্যাগুলো মোকাবিলায় নতুন ও উদ্ভাবনী পদ্ধতি নিয়েও কাজ করব। আমি আমাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অত্যন্ত আশাবাদী।