Jashore , Wednesday, 28 October 2026
সর্বশেষ:
বন্দর ইজারা দেওয়ার প্রতিবাদে যশোরে এনডিএফ’র বিক্ষোভ ও সমাবেশ বেনাপোল সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় চোরাচালানি পণ্য জব্দ পল্টনে সিপিবি কার্যালয়ে হামলা ও অবরুদ্ধ করার ঘটনায় গণসংহতি আন্দোলনের নিন্দা যশোরে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৩৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৪ ‘বিগ বি’ উদ্যোগ যৌথভাবে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ-জাপান একমত সকালে প্রভাতী ট্রেন চালুসহ ৬ দফা দাবিতে রেলপথমন্ত্রীকে যশোর সংগ্রাম কমিটির স্মারকলিপি যশোরে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ সিজন-২ এর মার্শাল আর্ট ইভেন্টে পৌরসভা দল বাছাই সম্পন্ন যশোরে গণঅধিকার পরিষদের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন যশোরে ১১ দলীয় জোটের লংমার্চ সফল করতে এনসিপির লিফলেট বিতরণ আইডিইএক্স ২০২৭-এ অংশ নিতে তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ

দেশের বাইরে ভোট নিয়ে মাতামাতি দেখে সন্দেহ প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

বাংলাদেশ যখন অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তখন সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বলে দেশ ও দেশের বাইরে এত মাতামাতি কেন হচ্ছে তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য অপতৎপরতা চলছে কিনা সে বিষয়েও সন্দিহান বলে জানিয়েছেন তিনি।

আজ শুক্রবার (৬ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। জাতিসংঘের ৭৮তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদান ও যুক্তরাজ্য সফরের নানা দিক তুলে ধরতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের বিষয়ে সরকার এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আকাঙ্ক্ষার তেমন কোনো তফাত দেখা যাচ্ছে না। এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্যে অন্য কিছু আছে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটা নিয়মতান্ত্রিকতার মধ্যে এসে দেশটা যখন অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তখন হঠাৎ অবাধ, সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে সবার এত মাতামাতি কেন?

তিনি বলেন, আমরা ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তো উন্নতিটা হচ্ছে। এখন এত প্রশ্ন আসে কেন সেটাই আমার কথা। একটা দেশ এত দ্রুত উন্নতি করে ফেলছে সেটাই সবার মাথাব্যথার কারণ হয়ে গেল কিনা এবং কীভাবে এটাকে নষ্ট করা যায় সেই প্রচেষ্টা কিনা সে ব্যাপারে সন্দেহ আমারও আছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি তাদের এটাও বলেছি যে, এক সময় আমাদের দেশে ছিল গভমেন্ট বাই দি আর্মি, অব দি আর্মি ফর দি জেনারেল। আর গভমেন্ট বাই দি পিপল, অব দি পিপল, ফর দি পিপল- এটা তো আমরা স্ট্যাবলিশ করেছি।

সব ধরনের অপকর্ম থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটা নিয়মতান্ত্রিকতার মধ্যে এসে দেশটা যখন অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তখন হঠাৎ অবাধ, সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে সবার এত মাতামাতি কেন? সন্দেহ হয় রে…। এটাই বলতে হয়, সন্দেহ হয় রে…। আসল কথা নির্বাচনটাকে বানচাল করে দেওয়া। যারা জানে, নির্বাচনে ভোট পাবে না তারা সব জায়গায় গিয়ে ধরনা দিয়ে বেড়াচ্ছে। কারণ, তাদের তো কোটি কোটি টাকা। ক্ষমতায় থাকাকালে এত বেশি টাকার মারিল হয়ে গেছে তারা, অবাধে সেই টাকা খরচ করে যাচ্ছে। এর সাথে আন্তর্জাতিক পর্যায় থেকে বাস্তব অবস্থাটা বোঝে কিনা আমি জানি না, কিন্তু তারা এই একই কথা, ভাঙা রেকর্ড বাজিয়েই যাচ্ছে।

তিনি বলেন, আমি এ কথা বলে এসেছি যে, ভোটের জন্য তো আমরা সংগ্রাম করলাম। আমি নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ দেশের মানুষের জন্য ভোটের অধিকার নিশ্চিত করে দিয়েছি। আজকে আমাকে তো ভোটের বিষয়ে শেখাতে হবে না।

তিনি আরও বলেন, জিয়া, এরশাদ, খালেদা সবাই তো ভোট চোর। আওয়ামী লীগের তো ভোট চুরি করা লাগে না। আমাদের তো মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দেয়। আমরা কাজের মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন করি।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 06:38 pm, Friday, 6 October 2023
21 Time View

দেশের বাইরে ভোট নিয়ে মাতামাতি দেখে সন্দেহ প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

Update Time : 06:38 pm, Friday, 6 October 2023

বাংলাদেশ যখন অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তখন সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বলে দেশ ও দেশের বাইরে এত মাতামাতি কেন হচ্ছে তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য অপতৎপরতা চলছে কিনা সে বিষয়েও সন্দিহান বলে জানিয়েছেন তিনি।

আজ শুক্রবার (৬ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। জাতিসংঘের ৭৮তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদান ও যুক্তরাজ্য সফরের নানা দিক তুলে ধরতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের বিষয়ে সরকার এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আকাঙ্ক্ষার তেমন কোনো তফাত দেখা যাচ্ছে না। এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্যে অন্য কিছু আছে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটা নিয়মতান্ত্রিকতার মধ্যে এসে দেশটা যখন অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তখন হঠাৎ অবাধ, সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে সবার এত মাতামাতি কেন?

তিনি বলেন, আমরা ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তো উন্নতিটা হচ্ছে। এখন এত প্রশ্ন আসে কেন সেটাই আমার কথা। একটা দেশ এত দ্রুত উন্নতি করে ফেলছে সেটাই সবার মাথাব্যথার কারণ হয়ে গেল কিনা এবং কীভাবে এটাকে নষ্ট করা যায় সেই প্রচেষ্টা কিনা সে ব্যাপারে সন্দেহ আমারও আছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি তাদের এটাও বলেছি যে, এক সময় আমাদের দেশে ছিল গভমেন্ট বাই দি আর্মি, অব দি আর্মি ফর দি জেনারেল। আর গভমেন্ট বাই দি পিপল, অব দি পিপল, ফর দি পিপল- এটা তো আমরা স্ট্যাবলিশ করেছি।

সব ধরনের অপকর্ম থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটা নিয়মতান্ত্রিকতার মধ্যে এসে দেশটা যখন অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তখন হঠাৎ অবাধ, সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে সবার এত মাতামাতি কেন? সন্দেহ হয় রে…। এটাই বলতে হয়, সন্দেহ হয় রে…। আসল কথা নির্বাচনটাকে বানচাল করে দেওয়া। যারা জানে, নির্বাচনে ভোট পাবে না তারা সব জায়গায় গিয়ে ধরনা দিয়ে বেড়াচ্ছে। কারণ, তাদের তো কোটি কোটি টাকা। ক্ষমতায় থাকাকালে এত বেশি টাকার মারিল হয়ে গেছে তারা, অবাধে সেই টাকা খরচ করে যাচ্ছে। এর সাথে আন্তর্জাতিক পর্যায় থেকে বাস্তব অবস্থাটা বোঝে কিনা আমি জানি না, কিন্তু তারা এই একই কথা, ভাঙা রেকর্ড বাজিয়েই যাচ্ছে।

তিনি বলেন, আমি এ কথা বলে এসেছি যে, ভোটের জন্য তো আমরা সংগ্রাম করলাম। আমি নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ দেশের মানুষের জন্য ভোটের অধিকার নিশ্চিত করে দিয়েছি। আজকে আমাকে তো ভোটের বিষয়ে শেখাতে হবে না।

তিনি আরও বলেন, জিয়া, এরশাদ, খালেদা সবাই তো ভোট চোর। আওয়ামী লীগের তো ভোট চুরি করা লাগে না। আমাদের তো মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দেয়। আমরা কাজের মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন করি।