Jashore , Tuesday, 27 October 2026
সর্বশেষ:
বন্দর ইজারা দেওয়ার প্রতিবাদে যশোরে এনডিএফ’র বিক্ষোভ ও সমাবেশ বেনাপোল সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় চোরাচালানি পণ্য জব্দ পল্টনে সিপিবি কার্যালয়ে হামলা ও অবরুদ্ধ করার ঘটনায় গণসংহতি আন্দোলনের নিন্দা যশোরে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৩৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৪ ‘বিগ বি’ উদ্যোগ যৌথভাবে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ-জাপান একমত সকালে প্রভাতী ট্রেন চালুসহ ৬ দফা দাবিতে রেলপথমন্ত্রীকে যশোর সংগ্রাম কমিটির স্মারকলিপি যশোরে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ সিজন-২ এর মার্শাল আর্ট ইভেন্টে পৌরসভা দল বাছাই সম্পন্ন যশোরে গণঅধিকার পরিষদের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন যশোরে ১১ দলীয় জোটের লংমার্চ সফল করতে এনসিপির লিফলেট বিতরণ আইডিইএক্স ২০২৭-এ অংশ নিতে তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ

নেত্রকোণায় ১০ চেয়ারম্যান প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

নেত্রকোণা:- প্রথম ধাপে অনুষ্ঠিত নেত্রকোণার কলমাকান্দা ও দুার্গাপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোট ১৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন। নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নিয়মানুযায়ী প্রাপ্ত ভোটের ১৫ ভাগ ভোট না পাওয়ায় ১৪ জন প্রার্থীর মধ্যে ১০ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

নির্বাচন বিধি অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীর প্রাপ্ত বৈধ ভোটের ১৫ শতাংশ ভোট না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। গত বুধবার জেলার দুই উপজেলায় প্রথম ধাপে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার কলমাকান্দায় উপজেলা নির্বাচনে ৭ জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন। উপজেলায় মোট ভোট সংখ্যা ২ লাখ ২৫ হাজার ১২৫টি। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে গত বুধবার মোট বৈধ ভোট পড়েছে ৭৩ হাজার ৮৫৬টি। সেই হিসেবে জামানত রক্ষায় একজন প্রার্থীর ৯ হাজার ২৩২ পাওয়া প্রয়োজন। কলমাকান্দা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দোয়াত কলম প্রতীকের প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল কুদ্দুছ ৩২ হাজার ৩৫৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মুহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান (ঘোড়া প্রতীক) পেয়েছেন ২৯ হাজার ৩৭৩ ভোট। আর বাকি পাঁচ জন প্রার্থীর কেউই জামানত রক্ষার ভোট পাননি।

এদিকে একইদিনে জেলার দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন। উপজেলায় মোট ভোট সংখ্যা ১ লাখ ৯৯ হাজার ৪৭০। নির্বাচনে বৈধ ভোট পড়েছে ৬০ হাজার ৩৭১ ভোট। সেই হিসেবে জামানত রক্ষায় একজন প্রার্থীর ৭ হাজার ৫৪৬ ভোট পাওয়া দরকার। নির্বাচনে মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী নাজমুল হাসান নীরা ওরফে সাদ্দাম আকঞ্জি ৩১ হাজার ১৫৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাজ্জাদুর রহমান (কৈ মাছ প্রতীক) পেয়েছেন ২২ হাজার ১৪২ ভোট। বাকি পাঁচজন প্রার্থীর কেউই জামানত রক্ষার প্রর্যাপ্ত ভোট পাননি।

এ বিষয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা বলেন, কাস্টিং ভোটের ১৫ শতাংশের কম যারা ভোট পেয়েছেন তাদের জামানত বাতিল হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 08:33 pm, Thursday, 9 May 2024
29 Time View

নেত্রকোণায় ১০ চেয়ারম্যান প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

Update Time : 08:33 pm, Thursday, 9 May 2024

নেত্রকোণা:- প্রথম ধাপে অনুষ্ঠিত নেত্রকোণার কলমাকান্দা ও দুার্গাপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোট ১৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন। নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নিয়মানুযায়ী প্রাপ্ত ভোটের ১৫ ভাগ ভোট না পাওয়ায় ১৪ জন প্রার্থীর মধ্যে ১০ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

নির্বাচন বিধি অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীর প্রাপ্ত বৈধ ভোটের ১৫ শতাংশ ভোট না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। গত বুধবার জেলার দুই উপজেলায় প্রথম ধাপে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার কলমাকান্দায় উপজেলা নির্বাচনে ৭ জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন। উপজেলায় মোট ভোট সংখ্যা ২ লাখ ২৫ হাজার ১২৫টি। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে গত বুধবার মোট বৈধ ভোট পড়েছে ৭৩ হাজার ৮৫৬টি। সেই হিসেবে জামানত রক্ষায় একজন প্রার্থীর ৯ হাজার ২৩২ পাওয়া প্রয়োজন। কলমাকান্দা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দোয়াত কলম প্রতীকের প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল কুদ্দুছ ৩২ হাজার ৩৫৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মুহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান (ঘোড়া প্রতীক) পেয়েছেন ২৯ হাজার ৩৭৩ ভোট। আর বাকি পাঁচ জন প্রার্থীর কেউই জামানত রক্ষার ভোট পাননি।

এদিকে একইদিনে জেলার দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন। উপজেলায় মোট ভোট সংখ্যা ১ লাখ ৯৯ হাজার ৪৭০। নির্বাচনে বৈধ ভোট পড়েছে ৬০ হাজার ৩৭১ ভোট। সেই হিসেবে জামানত রক্ষায় একজন প্রার্থীর ৭ হাজার ৫৪৬ ভোট পাওয়া দরকার। নির্বাচনে মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী নাজমুল হাসান নীরা ওরফে সাদ্দাম আকঞ্জি ৩১ হাজার ১৫৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাজ্জাদুর রহমান (কৈ মাছ প্রতীক) পেয়েছেন ২২ হাজার ১৪২ ভোট। বাকি পাঁচজন প্রার্থীর কেউই জামানত রক্ষার প্রর্যাপ্ত ভোট পাননি।

এ বিষয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা বলেন, কাস্টিং ভোটের ১৫ শতাংশের কম যারা ভোট পেয়েছেন তাদের জামানত বাতিল হবে।