Jashore , Sunday, 1 November 2026
সর্বশেষ:
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে: শফিকুর রহমান টিকটকে নেতিবাচক কমেন্ট নিয়ে আশুগঞ্জে দুই গোষ্ঠীর দফায় দফায় সংঘর্ষ আরেকটি বিপ্লবের হুঁশিয়ারি জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসহাক মোল্যার প্রয়াণ, পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন কন্দাল ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি ও গবেষণা জোরদারে যশোরে আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত যশোর শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসির পাসের হার ৪৪.৯২%, জিপিএ-৫ ৩২২৮ মহিলা পরিষদ যশোরের নতুন সভাপতি আফরোজা বেগম, সম্পাদক কামরুন নাহার জলাবদ্ধতা নিরসন ও কৃষি উপকরণের দাবিতে সতীঘাটায় হাটসভা তাহসিফের মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত চান বাবা, এখনো হয়নি মামলা যশোর সীমান্তে ১৭ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

কমরেড নিজামুদ্দিনের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীতে কেশবপুরে শোকসভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ যশোর জেলা কমিটির অন্যতম নেতা কমরেড নিজামুদ্দিনের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কেশবপুরের গরভাঙা প্রাইমারি স্কুলে এক শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১১টায় কমরেড নিজামুদ্দিন স্মৃতি রক্ষা কমিটির উদ্যোগে এ শোকসভার আয়োজন করা হয়।

স্মৃতি রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক ও বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ যশোর জেলা কমিটির নেতা কমরেড সনৎ কুমার হরির সভাপতিত্বে শোকসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য ও যশোর জেলা সম্পাদক কমরেড তসলিম উর রহমান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সদস্য কমরেড গাজী আব্দুল হামিদ, জাতীয় কৃষক-খেতমজুর সমিতি যশোর জেলার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মিজানুর রহমান, আবু বক্কার সিদ্দিকী, বাবর আলী গোলদার ও অশোক কুমার মন্ডল।

শোকসভায় বক্তারা কমরেড নিজামুদ্দিনের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, কমরেড নিজামুদ্দিন ছিলেন সুবিধাবাদ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন এক সংগ্রামের প্রতীক। মেহনতী, শ্রমজীবী ও কৃষক-খেতমজুর মানুষের অধিকার রক্ষায় তিনি আমৃত্যু লড়াই করে গেছেন। বিশেষ করে ফুলবাড়ীতে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলনের বিরুদ্ধে পরিবেশ, কৃষি ও জনজীবনের স্বার্থে তাঁর দৃঢ় অবস্থান আজও স্মরণীয়।

কৃষি খাতের সংকট তুলে ধরে নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, দেশের স্বার্থবিরোধী নানা বাণিজ্য চুক্তির ফলে কৃষি খাত আজ চরম হুমকির মুখে। সারসহ প্রয়োজনীয় সব কৃষি উপকরণের কৃত্রিম সংকট ও অনিয়ন্ত্রিত মূল্যবৃদ্ধির কারণে কৃষকরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন, যা দেশকে কৃষি বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। অনতিবিলম্বে কৃষি ও কৃষক রক্ষায় কার্যকরী রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানান তাঁরা।

সভা থেকে কমরেড নিজামুদ্দিনের অসমাপ্ত বিপ্লবী স্বপ্নকে সামনে এগিয়ে নেওয়া এবং শোষিত-বঞ্চিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে আরও জোরদার করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 09:45 pm, Friday, 4 September 2026
50 Time View

কমরেড নিজামুদ্দিনের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীতে কেশবপুরে শোকসভা অনুষ্ঠিত

Update Time : 09:45 pm, Friday, 4 September 2026

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ যশোর জেলা কমিটির অন্যতম নেতা কমরেড নিজামুদ্দিনের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কেশবপুরের গরভাঙা প্রাইমারি স্কুলে এক শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১১টায় কমরেড নিজামুদ্দিন স্মৃতি রক্ষা কমিটির উদ্যোগে এ শোকসভার আয়োজন করা হয়।

স্মৃতি রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক ও বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ যশোর জেলা কমিটির নেতা কমরেড সনৎ কুমার হরির সভাপতিত্বে শোকসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য ও যশোর জেলা সম্পাদক কমরেড তসলিম উর রহমান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সদস্য কমরেড গাজী আব্দুল হামিদ, জাতীয় কৃষক-খেতমজুর সমিতি যশোর জেলার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মিজানুর রহমান, আবু বক্কার সিদ্দিকী, বাবর আলী গোলদার ও অশোক কুমার মন্ডল।

শোকসভায় বক্তারা কমরেড নিজামুদ্দিনের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, কমরেড নিজামুদ্দিন ছিলেন সুবিধাবাদ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন এক সংগ্রামের প্রতীক। মেহনতী, শ্রমজীবী ও কৃষক-খেতমজুর মানুষের অধিকার রক্ষায় তিনি আমৃত্যু লড়াই করে গেছেন। বিশেষ করে ফুলবাড়ীতে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলনের বিরুদ্ধে পরিবেশ, কৃষি ও জনজীবনের স্বার্থে তাঁর দৃঢ় অবস্থান আজও স্মরণীয়।

কৃষি খাতের সংকট তুলে ধরে নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, দেশের স্বার্থবিরোধী নানা বাণিজ্য চুক্তির ফলে কৃষি খাত আজ চরম হুমকির মুখে। সারসহ প্রয়োজনীয় সব কৃষি উপকরণের কৃত্রিম সংকট ও অনিয়ন্ত্রিত মূল্যবৃদ্ধির কারণে কৃষকরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন, যা দেশকে কৃষি বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। অনতিবিলম্বে কৃষি ও কৃষক রক্ষায় কার্যকরী রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানান তাঁরা।

সভা থেকে কমরেড নিজামুদ্দিনের অসমাপ্ত বিপ্লবী স্বপ্নকে সামনে এগিয়ে নেওয়া এবং শোষিত-বঞ্চিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে আরও জোরদার করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।