Jashore , Thursday, 29 October 2026

বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতি রোধে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: রুহুল কবির রিজভী

স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
বিদ্যুৎ খাতে অতীতের অনিয়ম ও লুটপাটের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি স্পষ্ট করেন, বিগত আমলের মতো বর্তমান সরকারের সময় বিদ্যুৎ খাতে নয়-ছয় করার কোনো সুযোগ নেই; কারণ এই সরকারের সময় প্রতিটি স্তরে সবাইকে জবাবদিহির আওতায় আনা হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের কঠোর সমালোচনা করে রিজভী বলেন, কুইক রেন্টালের নামে ব্যাপক দুর্নীতি ও লুটপাটের পথ সুগম করতে বিগত সরকার ইনডেমনিটি বা দায়মুক্তি আইন জারি করেছিল। এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ খাতকে চরম হযবরল পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দেওয়া হয় এবং অনিয়ম ঢাকা হয়।

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক সমাজে কোনো খাতই জবাবদিহির বাইরে থাকতে পারে না। বর্তমান সরকারের প্রতিটি কাজের ক্ষেত্রে জনগণের কাছে দায়বদ্ধতা রয়েছে।

বিশ্বজুড়ে চলমান জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে উল্লেখ করে তিনি আশ্বস্ত করেন, সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি ঘটছে। সংকট মোকাবিলায় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিকল্প উৎসের উদ্যোগ নেওয়ার বিরাট সুযোগ রয়েছে এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও এ খাতে উৎসাহ দেখাচ্ছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক জাপান সফরের কথা উল্লেখ করে রুহুল কবির রিজভী জানান, জাপানের সঙ্গে যেসব চুক্তি ও সমঝোতা হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম প্রধান খাত হলো বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তা। এই দীর্ঘমেয়াদি দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশের বিদ্যুতের ঘাটতি ও জ্বালানি সংকট বহুলাংশে সমাধান হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আলোচনা সভায় রিজভী আরও উল্লেখ করেন, কেবল বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিসংখ্যান দিয়ে দারিদ্র্যের প্রকৃত চিত্র বোঝা কঠিন। দেশে শতভাগ বিদ্যুতায়নের দাবি করা হলেও প্রান্তিক অঞ্চল, চর ও বস্তি এলাকায় অনেক পরিবারকে এখনো বিদ্যুৎ ভাগাভাগি করে ব্যবহার করতে হয়। তাই যেকোনো উন্নয়ন নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়নে বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 06:16 pm, Wednesday, 28 October 2026
16 Time View

বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতি রোধে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: রুহুল কবির রিজভী

Update Time : 06:16 pm, Wednesday, 28 October 2026

স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
বিদ্যুৎ খাতে অতীতের অনিয়ম ও লুটপাটের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি স্পষ্ট করেন, বিগত আমলের মতো বর্তমান সরকারের সময় বিদ্যুৎ খাতে নয়-ছয় করার কোনো সুযোগ নেই; কারণ এই সরকারের সময় প্রতিটি স্তরে সবাইকে জবাবদিহির আওতায় আনা হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের কঠোর সমালোচনা করে রিজভী বলেন, কুইক রেন্টালের নামে ব্যাপক দুর্নীতি ও লুটপাটের পথ সুগম করতে বিগত সরকার ইনডেমনিটি বা দায়মুক্তি আইন জারি করেছিল। এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ খাতকে চরম হযবরল পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দেওয়া হয় এবং অনিয়ম ঢাকা হয়।

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক সমাজে কোনো খাতই জবাবদিহির বাইরে থাকতে পারে না। বর্তমান সরকারের প্রতিটি কাজের ক্ষেত্রে জনগণের কাছে দায়বদ্ধতা রয়েছে।

বিশ্বজুড়ে চলমান জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে উল্লেখ করে তিনি আশ্বস্ত করেন, সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি ঘটছে। সংকট মোকাবিলায় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিকল্প উৎসের উদ্যোগ নেওয়ার বিরাট সুযোগ রয়েছে এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও এ খাতে উৎসাহ দেখাচ্ছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক জাপান সফরের কথা উল্লেখ করে রুহুল কবির রিজভী জানান, জাপানের সঙ্গে যেসব চুক্তি ও সমঝোতা হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম প্রধান খাত হলো বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তা। এই দীর্ঘমেয়াদি দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশের বিদ্যুতের ঘাটতি ও জ্বালানি সংকট বহুলাংশে সমাধান হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আলোচনা সভায় রিজভী আরও উল্লেখ করেন, কেবল বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিসংখ্যান দিয়ে দারিদ্র্যের প্রকৃত চিত্র বোঝা কঠিন। দেশে শতভাগ বিদ্যুতায়নের দাবি করা হলেও প্রান্তিক অঞ্চল, চর ও বস্তি এলাকায় অনেক পরিবারকে এখনো বিদ্যুৎ ভাগাভাগি করে ব্যবহার করতে হয়। তাই যেকোনো উন্নয়ন নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়নে বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি।