স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
প্রকৃতিকে অবিকৃত ও সংরক্ষণ করেই পর্যটন শিল্পের টেকসই বিকাশ ঘটাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, কক্সবাজারের সমুদ্রসম্পদ, গভীর সমুদ্রবন্দর এবং লুকায়িত প্রাকৃতিক সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে এক বিশাল রাজস্ব আহরণ করে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক বাংলাদেশ বিনির্মাণই সরকারের মূল লক্ষ্য।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) দুপুরে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) সম্মেলন কক্ষে ‘স্বপ্নচূড়া আবাসিক প্রকল্পের’ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারকে মানুষ মূলত কেবল পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে চেনে। তবে এখানকার বিশাল সমুদ্রসম্পদে প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে, যা অর্জনের মাধ্যমে আমরা একটি অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ দেশ রেখে যেতে চাই। তারেক রহমানের এই রূপকল্প ও পরিকল্পনা আমরা বাস্তবায়ন করব। গভীর সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধান ও সম্পদ আহরণের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে সমুদ্রভিত্তিক গবেষণার পরিধি বাড়াতে কক্সবাজারে ‘ব্লু ইকোনমি’ এবং ‘মেরিন সায়েন্স ইউনিভার্সিটি’ প্রতিষ্ঠার কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।
প্রকৃতির ক্ষতি করে অবকাঠামোগত উন্নয়ন না করার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, উঁচু উঁচু ভবন নির্মাণ করা মানেই পর্যটন নয়। প্রকৃতি সংরক্ষণ করে পরিবেশবান্ধব রিসোর্ট ও স্থাপনা গড়তে হবে। পুরো ১০০ কিলোমিটার সমুদ্রসৈকতকে সুপরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করা হবে, যাতে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করা যায় এবং পুরো জাতি কক্সবাজারকে নিয়ে গর্ব করতে পারে।
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, আলমগীর মো. মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, সংরক্ষিত নারী আসন সদস্য শামীম আরা স্বপ্না, জেলা পরিষদ প্রশাসক এটিএম নুরুল বশর চৌধুরী, জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান, পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবেরসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও স্থানীয় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।
উদ্বোধনী সভা শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও ভিত্তিপ্রস্তর এলাকা পরিদর্শন করেন।

Reporter Name 























