ভাতিজা লেন্টুর বিরুদ্ধে মিথ্যা বক্তব্য ও সম্পত্তি দখলের অভিযোগ চাচার
নিজস্ব প্রতবেদক
যশোরের চৌগাছা বাজারের সার ব্যবসায়ী আতিকুর রহমান লেন্টুর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বক্তব্য দিয়ে হয়রানি, জমি-দোকানঘর দখল এবং পরিবারের অর্থ-সম্পদ আত্মসাতের অভিযোগ এনেছেন তার আপন ছোট চাচা মো. ইছাহক আলী। প্রমাণের ভিত্তিতে ভাতিজা লেন্টুর ছুঁড়ে দেওয়া চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে পরিবারের সম্পত্তি ফেরত পাওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার যশোর প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন ইছাহক আলী।
ইছাহক আলী জানান, গত ৭ সেপ্টেম্বর তার ভাতিজা আতিকুর রহমান লেন্টু প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে তার বিরুদ্ধে নানা মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করেন। ওই বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, লেন্টু দীর্ঘদিন রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিসিআইসির সারের ডিলারশিপ বাগিয়ে নিয়েছেন এবং বর্তমানে ক্ষমতার পটপরিবর্তনে নতুন রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে সেই ডিলারশিপ ধরে রাখার পাঁইতারা করছেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, চৌগাছা বাজারে ইছাহক আলীর জমি দখলের চেষ্টা করা হলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও প্রশাসনের সহায়তায় তা প্রতিহত করে তারা বৈধ দখল বহাল রাখেন। এ ছাড়া চৌগাছা বাজারের আরেকটি দোকানঘর, যা তার মেঝো ভাই মরহুম ইসমাইল হোসেনের সম্পত্তি ছিল, তা জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে দখল করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি লেন্টু চৌগাছা মডেল মসজিদ নির্মাণের বিরোধিতা করে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন বলেও অভিযোগ করেন ইছাহক আলী।
ভাতিজা লেন্টুর আত্মসাতকৃত সম্পত্তির প্রমাণের চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে ইছাহক আলী বলেন, লেন্টু দাবি করেছেন তিনি পরিবারের সম্পদ আত্মসাৎ করেননি এবং প্রমাণ দিতে পারলে তা ফেরত দেবেন। আমি তার সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলাম। আমার কাছে পর্যাপ্ত কাগজপত্র ও প্রমাণ রয়েছে। তিনি সংশ্লিষ্ট সকল ডকুমেন্টস পর্যালোচনা করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
অভিযোগের বিষয়ে আতিকুর রহমান লেন্টুর তাৎক্ষণিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ইছাহক আলীর বক্তব্য সূত্রে জানা যায়, এর আগে ৮ সেপ্টেম্বর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লেন্টু এসব অভিযোগ অস্বীকার করে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে ইছাহক আলীর সঙ্গে শফিকুল ইসলাম ও তরিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।























