Jashore , Thursday, 5 November 2026
সর্বশেষ:
কেশবপুরে উপমহাদেশের প্রখ্যাত অভিনেতা ধীরাজ ভট্টাচার্যের ১২১তম জন্মবার্ষিকী পালিত যশোরে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ যশোর এমএম কলেজে সহকারী অধ্যাপক নাঈমা ফারহানার স্মরণে শোকসভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত বেনাপোলে স্থলবন্দর শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বিক্ষোভ ও পথসভা যশোরে জমকালো আয়োজনে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’ উদ্বোধন যশোরে তেলাপোকা ও অনিয়মের অভিযোগে ‘বনফুল’কে লাখ টাকা জরিমানা বিএনপিও আন্দোলনে জামায়াত-শিবিরের ভূত দেখে: নাহিদ ইসলাম বাগেরহাটে একাধিক প্রকল্প উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যশোরে জেলা পর্যায়ে শিশু-কিশোর ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত বেনাপোলে এক কেজি গাঁজাসহ সাখাওয়াত আটক

বেনাপোলে স্থলবন্দর শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বিক্ষোভ ও পথসভা

নিজস্ব প্রতিবেদক
বেনাপোল স্থলবন্দরে কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিবেশ বা নাশকতা সৃষ্টির অপচেষ্টা প্রতিহত করতে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা করেছে বেনাপোল স্থলবন্দর শ্রমিক ইউনিয়ন (৮৯১ ও ৯২৫)। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন-৯২৫ এবং ৮৯১-এর যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

বন্দর এলাকা থেকে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে বেনাপোল বলফিল্ড প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শ্রমিক সংগঠন দুটির স্থায়ী কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। মিছিল চলাকালীন নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক গোষ্ঠী ও স্বৈরাচারের দোসরদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগানে রাজপথ প্রকম্পিত করে তোলেন অংশগ্রহণকারী শ্রমিকরা। মিছিল শেষে সেখানে একটি প্রতিবাদী পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।

পথসভায় শ্রমিক নেতারা বলেন, সারা দেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক গোষ্ঠী বা স্বৈরাচারের দোসররা যেন শ্রমিক ভাই-বোনদের পরিচয়ে বা তাদের ভেতরে প্রবেশ করে কোনো ধরনের জ্বালাও-পোড়াও কিংবা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড চালাতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

শ্রমিক নেতা সহিদ আলী তাঁর বক্তব্যে বলেন, শেখ হাসিনার দোসর ও সন্ত্রাসীরা বন্দরের শ্রমিকদের মাঝে মিশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চক্রান্ত করছে। পুলিশ সম্প্রতি যাদের গ্রেপ্তার করেছে তারা সাধারণ বা পোশাকশ্রমিক নয়, বরং বাইরে থেকে এসে নাশকতার চেষ্টা চালাচ্ছে।

বেনাপোল একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংবেদনশীল স্থলবন্দর উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, বন্দরের ভেতরে কোনো দুষ্কৃতকারী বা সন্দেহভাজনকে দেখলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিহত করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করতে হবে। দেশের উন্নয়ন ও শান্তি বজায় রাখতে এবং বন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি স্থানে পাহারা জোরদার করার পাশাপাশি সজাগ থাকার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

যৌথ এ কর্মসূচিতে শ্রমিক ইউনিয়ন ৮৯১ ও ৯২৫-এর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ শত শত সাধারণ শ্রমিক উপস্থিত ছিলেন। দেশের স্বার্থে এ ধরনের সচেতনতামূলক ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে ঘোষণা দেন শ্রমিক নেতারা।

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : One hour ago
17 Time View

বেনাপোলে স্থলবন্দর শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বিক্ষোভ ও পথসভা

Update Time : One hour ago

নিজস্ব প্রতিবেদক
বেনাপোল স্থলবন্দরে কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিবেশ বা নাশকতা সৃষ্টির অপচেষ্টা প্রতিহত করতে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা করেছে বেনাপোল স্থলবন্দর শ্রমিক ইউনিয়ন (৮৯১ ও ৯২৫)। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন-৯২৫ এবং ৮৯১-এর যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

বন্দর এলাকা থেকে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে বেনাপোল বলফিল্ড প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শ্রমিক সংগঠন দুটির স্থায়ী কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। মিছিল চলাকালীন নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক গোষ্ঠী ও স্বৈরাচারের দোসরদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগানে রাজপথ প্রকম্পিত করে তোলেন অংশগ্রহণকারী শ্রমিকরা। মিছিল শেষে সেখানে একটি প্রতিবাদী পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।

পথসভায় শ্রমিক নেতারা বলেন, সারা দেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক গোষ্ঠী বা স্বৈরাচারের দোসররা যেন শ্রমিক ভাই-বোনদের পরিচয়ে বা তাদের ভেতরে প্রবেশ করে কোনো ধরনের জ্বালাও-পোড়াও কিংবা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড চালাতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

শ্রমিক নেতা সহিদ আলী তাঁর বক্তব্যে বলেন, শেখ হাসিনার দোসর ও সন্ত্রাসীরা বন্দরের শ্রমিকদের মাঝে মিশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চক্রান্ত করছে। পুলিশ সম্প্রতি যাদের গ্রেপ্তার করেছে তারা সাধারণ বা পোশাকশ্রমিক নয়, বরং বাইরে থেকে এসে নাশকতার চেষ্টা চালাচ্ছে।

বেনাপোল একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংবেদনশীল স্থলবন্দর উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, বন্দরের ভেতরে কোনো দুষ্কৃতকারী বা সন্দেহভাজনকে দেখলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিহত করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করতে হবে। দেশের উন্নয়ন ও শান্তি বজায় রাখতে এবং বন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি স্থানে পাহারা জোরদার করার পাশাপাশি সজাগ থাকার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

যৌথ এ কর্মসূচিতে শ্রমিক ইউনিয়ন ৮৯১ ও ৯২৫-এর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ শত শত সাধারণ শ্রমিক উপস্থিত ছিলেন। দেশের স্বার্থে এ ধরনের সচেতনতামূলক ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে ঘোষণা দেন শ্রমিক নেতারা।