Jashore , Thursday, 5 November 2026
সর্বশেষ:
তরিকুল ইসলামের রুহের মাগফিরাত কামনায় যশোরে দোয়া ও খাবার বিতরণ যশোরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ১ লাখ টাকা জরিমানা ও সিলগালা কেশবপুরে উপমহাদেশের প্রখ্যাত অভিনেতা ধীরাজ ভট্টাচার্যের ১২১তম জন্মবার্ষিকী পালিত যশোরে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ যশোর এমএম কলেজে সহকারী অধ্যাপক নাঈমা ফারহানার স্মরণে শোকসভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত বেনাপোলে স্থলবন্দর শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বিক্ষোভ ও পথসভা যশোরে জমকালো আয়োজনে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’ উদ্বোধন যশোরে তেলাপোকা ও অনিয়মের অভিযোগে ‘বনফুল’কে লাখ টাকা জরিমানা বিএনপিও আন্দোলনে জামায়াত-শিবিরের ভূত দেখে: নাহিদ ইসলাম বাগেরহাটে একাধিক প্রকল্প উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

যশোরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ১ লাখ টাকা জরিমানা ও সিলগালা

নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সামনে স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানে ইউনানী চিকিৎসক দিয়ে অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা দেওয়ার অপরাধে একটি প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা এবং প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র না থাকায় অপর একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে শহরের জেনারেল হাসপাতাল মোড় ও এর আশপাশের এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে যৌথভাবে নেতৃত্ব দেন যশোরের সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মীম বিনতে মুস্তাফিজ। এ সময় আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে হাসপাতালের সামনে অবস্থিত ‘প্রিন্স ডায়াগনস্টিক সেন্টার’-এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে দেখা যায়, সেখানে মতিয়ার রহমান নামে এক ব্যক্তি রোগী দেখছেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিনি কোনো এমবিবিএস ডিগ্রিধারী অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসক নন, বরং একজন ইউনানী চিকিৎসক। দীর্ঘ দিন ধরে তিনি নিয়মবহির্ভূতভাবে রোগীদের ব্যবস্থাপত্রে অ্যালোপ্যাথিক ও বিভিন্ন ধরনের কড়া ওষুধ লিখে আসছিলেন। এই অনিয়মের সত্যতা পাওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক সেলিম হোসেনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেন।

একই এলাকার অপর একটি প্রতিষ্ঠান ‘ইসলামী ডায়াগনস্টিক সেন্টার’-এ অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। অনুসন্ধানে প্রতিষ্ঠানটির কোনো বৈধ ও হালনাগাদ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। এছাড়া অভিযানের সময় সেখানে হাবিবুর রহমান নামে এক ডিএমএফ (ডিপ্লোমা মেডিকেল ফ্যাসিলিটেটর) চিকিৎসক রোগী দেখছিলেন। প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্রের অনুপস্থিতি এবং নানা অনিয়মের কারণে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেন।

অভিযান শেষে যশোরের সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা গণমাধ্যমকে জানান, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কোনো ধরনের ছিনিমিনি খেলা কিংবা অপচিকিৎসা বরদাস্ত করা হবে না। স্বাস্থ্যসেবামূলক প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অবৈধ কার্যক্রম রোধে স্বাস্থ্য বিভাগের এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 36 Minutes Ago
14 Time View

যশোরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ১ লাখ টাকা জরিমানা ও সিলগালা

Update Time : 36 Minutes Ago

নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সামনে স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানে ইউনানী চিকিৎসক দিয়ে অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা দেওয়ার অপরাধে একটি প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা এবং প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র না থাকায় অপর একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে শহরের জেনারেল হাসপাতাল মোড় ও এর আশপাশের এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে যৌথভাবে নেতৃত্ব দেন যশোরের সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মীম বিনতে মুস্তাফিজ। এ সময় আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে হাসপাতালের সামনে অবস্থিত ‘প্রিন্স ডায়াগনস্টিক সেন্টার’-এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে দেখা যায়, সেখানে মতিয়ার রহমান নামে এক ব্যক্তি রোগী দেখছেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিনি কোনো এমবিবিএস ডিগ্রিধারী অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসক নন, বরং একজন ইউনানী চিকিৎসক। দীর্ঘ দিন ধরে তিনি নিয়মবহির্ভূতভাবে রোগীদের ব্যবস্থাপত্রে অ্যালোপ্যাথিক ও বিভিন্ন ধরনের কড়া ওষুধ লিখে আসছিলেন। এই অনিয়মের সত্যতা পাওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক সেলিম হোসেনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেন।

একই এলাকার অপর একটি প্রতিষ্ঠান ‘ইসলামী ডায়াগনস্টিক সেন্টার’-এ অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। অনুসন্ধানে প্রতিষ্ঠানটির কোনো বৈধ ও হালনাগাদ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। এছাড়া অভিযানের সময় সেখানে হাবিবুর রহমান নামে এক ডিএমএফ (ডিপ্লোমা মেডিকেল ফ্যাসিলিটেটর) চিকিৎসক রোগী দেখছিলেন। প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্রের অনুপস্থিতি এবং নানা অনিয়মের কারণে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেন।

অভিযান শেষে যশোরের সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা গণমাধ্যমকে জানান, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কোনো ধরনের ছিনিমিনি খেলা কিংবা অপচিকিৎসা বরদাস্ত করা হবে না। স্বাস্থ্যসেবামূলক প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অবৈধ কার্যক্রম রোধে স্বাস্থ্য বিভাগের এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।