Jashore , Sunday, 8 November 2026
সর্বশেষ:
যশোরে বিপ্লব ও সংহতি দিবসে জেলা ছাত্রদলের আলোচনা সভা কেশবপুরে ঘের ব্যবসায়ী হত্যায় পল্লিচিকিৎসকসহ আটক ২ যশোরে কবিরাজ পরিচয়ে প্রতারণা, স্বর্ণালংকারসহ গ্রেপ্তার ২ মাকে সঙ্গে নিয়ে ছাত্রলীগ নেতার ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল, গ্রেফতার ৫ প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০ ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন: ইসি সচিব যশোর সীমান্তে ১৬ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য আটক যশোরে বাওড় দখল ও মৎস্যজীবীদের প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন যশোরে নানা আয়োজনে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত যশোরে হামিদপুর আল-হেরা কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত দেশে ষড়যন্ত্র হচ্ছে ৭ নভেম্বরের মতো দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে: তারেক রহমান

কংগ্রেস ভবনে ট্রাম্প অনুসারীদের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার কতোটা ক্ষতি হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :- ৬ই জানুয়ারি ক্যাপিটল হিল বা কংগ্রেস ভবনে ট্রাম্প অনুসারীদের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার কতোটা ক্ষতি হয়েছে এখন তার হিসেব নিকেষ চলছে।

বিশ্বজুড়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রচারে সবচে সোচ্চার দেশটির এ পরিস্থিতি তাদের বৈদেশিক নীতিতে কোন প্রভাব পড়বে কিনা সে প্রশ্নও ওঠেছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শাসনব্যবস্থা নিয়ে নিয়মিত প্রশ্ন তুলে আসছে মার্কিন প্রশাসন। বিশেষত মধ্যপ্রাচ্য ও তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর ক্ষমতার পালাবদল নিয়ে সমালোচনায় সবসময়ই সরব যুক্তরাষ্ট্র।

কোন কোন দেশে ক্ষমতার পালাবদলে রেখেছে সক্রিয় ভূমিকা। দেশটির ভাষ্য থাকে, গণতান্ত্রিক উপায়ে শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরই সম্মৃদ্ধি আনতে পারে।

সামরিক–রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক দিক থেকে শক্তিশালী দেশটিকে দেখা গেছে নানা দেশে গণতন্ত্র উদ্ধারের নামে অভিযান চালাতে। ইরাক, আফগানিস্তান, ভিয়েতনামের মত দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার অজুহাতে সামরিক হামলাও চালিয়েছে আটলান্টিক পাড়ের দেশটি।

আবার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কয়েক দশক ধরে দক্ষিণ আমেরিকার একের পর এক দেশে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার পতনেও হাত ছিল মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর।

তবে মিত্র দেশ, যেগুলোতে রীতিমত রাজতন্ত্র চলে, সেগুলোর ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান অনেকটা এক চোখা দৈত্যের মতই। ওয়াশিংটনের প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ মদদে বহাল তবিয়তেই দেশগুলোতে চলমান থাকে অগণতান্ত্রিক স্বৈরশাসন ব্যবস্থা।

সমালোচকদের মতে, মার্কিন অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখে এসব মিত্র দেশ। গণতন্ত্রের ধারক-বাহক সেই যুক্তরাষ্ট্রেই ক্যাপিটল হিলে জো বাইডেনের জয়কে স্বীকৃতি দিতে যখন আইনপ্রণেতারা আলোচনা করছেন, তখনই ট্রাম্পের একদল সমর্থক ক্যাপিটল হিলে ঢুকে চালায় তাণ্ডব।

বাইরে অপেক্ষমান ছিলো আরো কয়েক হাজার উগ্র জাতীয়তাবাদী। এই ঘটনায় স্তম্ভিত হয়েছে পুরো বিশ্ব। কয়েক বছর ধরেই যুক্তরাষ্ট্রে যে বিভেদের রাজনীতি চলছে, তাই স্পষ্ট হয়েছে ক্যাপিটল হিল দাঙ্গায়।

এই বিভেদ আরো বাড়িয়ে তোলার ঈঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে নব নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শপথে ট্রাম্পের উগ্র সমর্থকদের হাজির হওয়ার প্রতিজ্ঞার মধ্য দিয়ে।

এখন দেখার বিষয়, ক্ষমতা হস্তান্তরের এই অস্থির ডামাডোল থেকে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে কিভাবে উদ্ধার করে মার্কিনীরা

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 10:05 am, Wednesday, 13 January 2021
23 Time View

কংগ্রেস ভবনে ট্রাম্প অনুসারীদের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার কতোটা ক্ষতি হয়েছে

Update Time : 10:05 am, Wednesday, 13 January 2021

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :- ৬ই জানুয়ারি ক্যাপিটল হিল বা কংগ্রেস ভবনে ট্রাম্প অনুসারীদের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার কতোটা ক্ষতি হয়েছে এখন তার হিসেব নিকেষ চলছে।

বিশ্বজুড়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রচারে সবচে সোচ্চার দেশটির এ পরিস্থিতি তাদের বৈদেশিক নীতিতে কোন প্রভাব পড়বে কিনা সে প্রশ্নও ওঠেছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শাসনব্যবস্থা নিয়ে নিয়মিত প্রশ্ন তুলে আসছে মার্কিন প্রশাসন। বিশেষত মধ্যপ্রাচ্য ও তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর ক্ষমতার পালাবদল নিয়ে সমালোচনায় সবসময়ই সরব যুক্তরাষ্ট্র।

কোন কোন দেশে ক্ষমতার পালাবদলে রেখেছে সক্রিয় ভূমিকা। দেশটির ভাষ্য থাকে, গণতান্ত্রিক উপায়ে শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরই সম্মৃদ্ধি আনতে পারে।

সামরিক–রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক দিক থেকে শক্তিশালী দেশটিকে দেখা গেছে নানা দেশে গণতন্ত্র উদ্ধারের নামে অভিযান চালাতে। ইরাক, আফগানিস্তান, ভিয়েতনামের মত দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার অজুহাতে সামরিক হামলাও চালিয়েছে আটলান্টিক পাড়ের দেশটি।

আবার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কয়েক দশক ধরে দক্ষিণ আমেরিকার একের পর এক দেশে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার পতনেও হাত ছিল মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর।

তবে মিত্র দেশ, যেগুলোতে রীতিমত রাজতন্ত্র চলে, সেগুলোর ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান অনেকটা এক চোখা দৈত্যের মতই। ওয়াশিংটনের প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ মদদে বহাল তবিয়তেই দেশগুলোতে চলমান থাকে অগণতান্ত্রিক স্বৈরশাসন ব্যবস্থা।

সমালোচকদের মতে, মার্কিন অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখে এসব মিত্র দেশ। গণতন্ত্রের ধারক-বাহক সেই যুক্তরাষ্ট্রেই ক্যাপিটল হিলে জো বাইডেনের জয়কে স্বীকৃতি দিতে যখন আইনপ্রণেতারা আলোচনা করছেন, তখনই ট্রাম্পের একদল সমর্থক ক্যাপিটল হিলে ঢুকে চালায় তাণ্ডব।

বাইরে অপেক্ষমান ছিলো আরো কয়েক হাজার উগ্র জাতীয়তাবাদী। এই ঘটনায় স্তম্ভিত হয়েছে পুরো বিশ্ব। কয়েক বছর ধরেই যুক্তরাষ্ট্রে যে বিভেদের রাজনীতি চলছে, তাই স্পষ্ট হয়েছে ক্যাপিটল হিল দাঙ্গায়।

এই বিভেদ আরো বাড়িয়ে তোলার ঈঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে নব নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শপথে ট্রাম্পের উগ্র সমর্থকদের হাজির হওয়ার প্রতিজ্ঞার মধ্য দিয়ে।

এখন দেখার বিষয়, ক্ষমতা হস্তান্তরের এই অস্থির ডামাডোল থেকে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে কিভাবে উদ্ধার করে মার্কিনীরা