Jashore , Sunday, 8 November 2026
সর্বশেষ:
যশোরে বিপ্লব ও সংহতি দিবসে জেলা ছাত্রদলের আলোচনা সভা কেশবপুরে ঘের ব্যবসায়ী হত্যায় পল্লিচিকিৎসকসহ আটক ২ যশোরে কবিরাজ পরিচয়ে প্রতারণা, স্বর্ণালংকারসহ গ্রেপ্তার ২ মাকে সঙ্গে নিয়ে ছাত্রলীগ নেতার ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল, গ্রেফতার ৫ প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০ ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন: ইসি সচিব যশোর সীমান্তে ১৬ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য আটক যশোরে বাওড় দখল ও মৎস্যজীবীদের প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন যশোরে নানা আয়োজনে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত যশোরে হামিদপুর আল-হেরা কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত দেশে ষড়যন্ত্র হচ্ছে ৭ নভেম্বরের মতো দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে: তারেক রহমান

ক্ষুব্ধ কোবরা বললেন, ১৫০ জনকে ক্রসফায়ারের সময় আইন কোথায় ছিল?

অনলাইন ডেস্ক:- গুলিতে মৃত্যুর আগে সাবেক মেজর সিনহা বেশ কয়েক ঘণ্টা ছিলেন অভিনেতা ইলিয়াস কোবরার সঙ্গে। এ নিয়ে নানা তর্ক-বিতর্ক হচ্ছে। এ বিষয়ে সময় সংবাদকে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তিনি।প্রতিক্রিয়ায় ইলিয়াস কোবরা বলেন, ‘এখানে ১০০ থেকে ১৫০ জনকে যে ক্রসফায়ার দেয়া হয়েছে, তখন এ দেশের আইন কোথায় ছিল?

আইন তো সবার জন্যে সমান হওয়া উচিত। একজন অবসরপ্রাপ্ত মেজর মারা গেছে এটা কখনো কাঙ্ক্ষিত না। আরও তো কত মায়ের বুক খালি হয়েছে, তখন কোথায় ছিলো এ আইন। আমি একজন শিল্পী হিসেবে মনে করি প্রত্যেক ক্রসফায়ারের তদন্ত হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, ক্রসফায়ার কখনোই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না। এটা আইন বিরোধী কাজ। সমাজ বিরোধী কাজ। এটার জন্যে আলাদা কোনো পদ্ধতি বের করতে হবে। ক্রসফায়ার দিয়ে শান্তি আনা যাবে না বরং আরো অশান্তি বেড়ে যাবে।অভিনেতা ইলিয়াস কোবরা বলেন, আমার এলাকায় ইয়াবার কোনো ব্যবসায়ী নেই। যারা আছে তারা লেবার হিসেবে কাজ করে। আমার এলাকায় একটা ভালো বাড়িও নেই। ইয়াবার কোনো গডফাদার তো দূরের কথা।

“এসময় এসআই লিয়াকতের সঙ্গে তার কথা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, লিয়াকতের সঙ্গে আমার পরিচয় আছে। তার সঙ্গে সাবেক মেজরের মৃত্যুর দিনও কথা হয়েছে। আমাদের এখানে একটা বস্তা পাওয়া গিয়েছিল, তখন আমি টেলিফোনে জানানোর পর লিয়াকত সাহেব আসেন। তিনি এসে বস্তাটা নিয়ে যান, আমাদের সদস্যকে নিয়ে গেছেন। তখন আমি তাকে বললাম, যে দেখে জানিয়েছে তাকেই যদি নিয়ে যান, তাহলে খবর দেবে কে? এসময় তিনি বলেছিলেন, তাদের স্যার কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করবেন। তখন তার সঙ্গে বার বার কথা হচ্ছিল, তিনি মানতে চাচ্ছিলেন না। পরে ছেলেটাকে নিয়ে চালানে দিয়ে দেয়। ৩-৪দিন পর জামিন পায়। এভাবেই তারা করে।তিনি আরো বলেন, সিনহার সঙ্গে যেখানে এই ঘটনা ঘটেছে সেখানে আমার কোনো সম্পর্ক নেই, এখানেও নেই, ঢাকাতেও কিছু নেই।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 11:36 pm, Sunday, 9 August 2020
26 Time View

ক্ষুব্ধ কোবরা বললেন, ১৫০ জনকে ক্রসফায়ারের সময় আইন কোথায় ছিল?

Update Time : 11:36 pm, Sunday, 9 August 2020

অনলাইন ডেস্ক:- গুলিতে মৃত্যুর আগে সাবেক মেজর সিনহা বেশ কয়েক ঘণ্টা ছিলেন অভিনেতা ইলিয়াস কোবরার সঙ্গে। এ নিয়ে নানা তর্ক-বিতর্ক হচ্ছে। এ বিষয়ে সময় সংবাদকে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তিনি।প্রতিক্রিয়ায় ইলিয়াস কোবরা বলেন, ‘এখানে ১০০ থেকে ১৫০ জনকে যে ক্রসফায়ার দেয়া হয়েছে, তখন এ দেশের আইন কোথায় ছিল?

আইন তো সবার জন্যে সমান হওয়া উচিত। একজন অবসরপ্রাপ্ত মেজর মারা গেছে এটা কখনো কাঙ্ক্ষিত না। আরও তো কত মায়ের বুক খালি হয়েছে, তখন কোথায় ছিলো এ আইন। আমি একজন শিল্পী হিসেবে মনে করি প্রত্যেক ক্রসফায়ারের তদন্ত হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, ক্রসফায়ার কখনোই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না। এটা আইন বিরোধী কাজ। সমাজ বিরোধী কাজ। এটার জন্যে আলাদা কোনো পদ্ধতি বের করতে হবে। ক্রসফায়ার দিয়ে শান্তি আনা যাবে না বরং আরো অশান্তি বেড়ে যাবে।অভিনেতা ইলিয়াস কোবরা বলেন, আমার এলাকায় ইয়াবার কোনো ব্যবসায়ী নেই। যারা আছে তারা লেবার হিসেবে কাজ করে। আমার এলাকায় একটা ভালো বাড়িও নেই। ইয়াবার কোনো গডফাদার তো দূরের কথা।

“এসময় এসআই লিয়াকতের সঙ্গে তার কথা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, লিয়াকতের সঙ্গে আমার পরিচয় আছে। তার সঙ্গে সাবেক মেজরের মৃত্যুর দিনও কথা হয়েছে। আমাদের এখানে একটা বস্তা পাওয়া গিয়েছিল, তখন আমি টেলিফোনে জানানোর পর লিয়াকত সাহেব আসেন। তিনি এসে বস্তাটা নিয়ে যান, আমাদের সদস্যকে নিয়ে গেছেন। তখন আমি তাকে বললাম, যে দেখে জানিয়েছে তাকেই যদি নিয়ে যান, তাহলে খবর দেবে কে? এসময় তিনি বলেছিলেন, তাদের স্যার কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করবেন। তখন তার সঙ্গে বার বার কথা হচ্ছিল, তিনি মানতে চাচ্ছিলেন না। পরে ছেলেটাকে নিয়ে চালানে দিয়ে দেয়। ৩-৪দিন পর জামিন পায়। এভাবেই তারা করে।তিনি আরো বলেন, সিনহার সঙ্গে যেখানে এই ঘটনা ঘটেছে সেখানে আমার কোনো সম্পর্ক নেই, এখানেও নেই, ঢাকাতেও কিছু নেই।