Jashore , Sunday, 8 November 2026
সর্বশেষ:
যশোরে বিপ্লব ও সংহতি দিবসে জেলা ছাত্রদলের আলোচনা সভা কেশবপুরে ঘের ব্যবসায়ী হত্যায় পল্লিচিকিৎসকসহ আটক ২ যশোরে কবিরাজ পরিচয়ে প্রতারণা, স্বর্ণালংকারসহ গ্রেপ্তার ২ মাকে সঙ্গে নিয়ে ছাত্রলীগ নেতার ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল, গ্রেফতার ৫ প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০ ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন: ইসি সচিব যশোর সীমান্তে ১৬ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য আটক যশোরে বাওড় দখল ও মৎস্যজীবীদের প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন যশোরে নানা আয়োজনে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত যশোরে হামিদপুর আল-হেরা কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত দেশে ষড়যন্ত্র হচ্ছে ৭ নভেম্বরের মতো দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে: তারেক রহমান

বাংলাদেশ চায় শুল্কমুক্ত কোম্পানিগুলো দেশে মার্কিন পোশাক রপ্তানি করতে

মানিক মিয়া ঢাকা:- থেকে আমদানি করা তুলায় উৎপাদিত তৈরি পোশাক দেশটিতে রফতানির ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা চায় বাংলাদেশ।শনিবার (২০ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীতে আয়োজিত গ্লোবাল কটন সামিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা জানান বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। আরও জানিয়েছেন, দেশে তুলা উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে। তুলার উৎপাদন বাড়ালেও দেশীয় তুলা দিয়ে পোশাক শিল্পের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়। এজন্য বিকল্প ভাবতে হবে। বিদেশে তুলা উৎপাদনে বিনিয়োগের বিষয়ে চিন্তা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, ব্যবসায়ী নেতারা মনে করেন, বছরে ১০ লাখ বেল তুলা উৎপাদন করা গেলে ২ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রফতানি বাড়ানো সম্ভব।উল্লেখ্য, বছরে মোট রফতানি আয়ের প্রায় ৮৫ ভাগ আসে পোশাক শিল্প খেকে। আর তৈরি পোশাকের মূল কাঁচামাল তুলা। যার প্রায় পুরোটাই আমদানি নির্ভর। ৯০ লাখ বেল চাহিদার বিপরীতে দেশে উৎপাদন হয় মাত্র দেড় লাখ বেল।

গ্লোবাল কটন সামিটের অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ীরা বললেন, পোশাক শিল্পের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে দেশে তুলা উৎপাদন বাড়াতে হবে। কৃষকদের তামাক চাষ বন্ধ করে তুলা উৎপাদনে উৎসাহিত করতে সরকারি উদ্যোগ দরকার বলেও মনে করেন তারা।

বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিল অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি মোহাম্মদ আলী খোকন বলেন, আমরা যদি ১ মিলিয় বেল তুলা উৎপাদন করতে পারি, তাহলে এর বাজার মূল্য হবে ৪৩৯ মিলিয়ন ডলার। সুতা বানালে এই বাজার মূল্য হবে ৯০০ মিলিয়ন ডলার আর কাপড় বানালে হবে ১.৩ বিলিয়ন ডলার। আর এটা গার্মেন্টস পর্যন্ত গেলে দুই বিলিয়ন পর্যন্ত হবে।বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, তামাকজাত পণ্য উৎপাদন কমাতে ট্যাক্স বৃদ্ধি এবং তুলা উৎপাদনের ক্ষেত্রে যদি প্রণোদনা দেয়া হয় তাহলে তুলার উৎপাদন বাড়বে।

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, আমাদের বন্ধ চিনি কলগুলো হাজার হাজার বিঘা জমি রয়েছে। একটি পক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যদি সেগুলোকে কাজে লাগানো যায় তাহলে আমাদের প্রয়োজনীয় তুলার ২৫ শতাংশ দেশে উৎপাদন করা যাবেতৈরি পোষাক শিল্প সংশ্লিষ্টদের মতে, রফতানিতে পোশাক শিল্পের বিকল্প গড়ে ওঠেনি। তাই এ শিল্পের প্রধান কাঁচামাল তুলার যোগান বাড়ানো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 07:07 pm, Friday, 20 January 2023
34 Time View

বাংলাদেশ চায় শুল্কমুক্ত কোম্পানিগুলো দেশে মার্কিন পোশাক রপ্তানি করতে

Update Time : 07:07 pm, Friday, 20 January 2023

মানিক মিয়া ঢাকা:- থেকে আমদানি করা তুলায় উৎপাদিত তৈরি পোশাক দেশটিতে রফতানির ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা চায় বাংলাদেশ।শনিবার (২০ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীতে আয়োজিত গ্লোবাল কটন সামিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা জানান বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। আরও জানিয়েছেন, দেশে তুলা উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে। তুলার উৎপাদন বাড়ালেও দেশীয় তুলা দিয়ে পোশাক শিল্পের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়। এজন্য বিকল্প ভাবতে হবে। বিদেশে তুলা উৎপাদনে বিনিয়োগের বিষয়ে চিন্তা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, ব্যবসায়ী নেতারা মনে করেন, বছরে ১০ লাখ বেল তুলা উৎপাদন করা গেলে ২ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রফতানি বাড়ানো সম্ভব।উল্লেখ্য, বছরে মোট রফতানি আয়ের প্রায় ৮৫ ভাগ আসে পোশাক শিল্প খেকে। আর তৈরি পোশাকের মূল কাঁচামাল তুলা। যার প্রায় পুরোটাই আমদানি নির্ভর। ৯০ লাখ বেল চাহিদার বিপরীতে দেশে উৎপাদন হয় মাত্র দেড় লাখ বেল।

গ্লোবাল কটন সামিটের অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ীরা বললেন, পোশাক শিল্পের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে দেশে তুলা উৎপাদন বাড়াতে হবে। কৃষকদের তামাক চাষ বন্ধ করে তুলা উৎপাদনে উৎসাহিত করতে সরকারি উদ্যোগ দরকার বলেও মনে করেন তারা।

বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিল অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি মোহাম্মদ আলী খোকন বলেন, আমরা যদি ১ মিলিয় বেল তুলা উৎপাদন করতে পারি, তাহলে এর বাজার মূল্য হবে ৪৩৯ মিলিয়ন ডলার। সুতা বানালে এই বাজার মূল্য হবে ৯০০ মিলিয়ন ডলার আর কাপড় বানালে হবে ১.৩ বিলিয়ন ডলার। আর এটা গার্মেন্টস পর্যন্ত গেলে দুই বিলিয়ন পর্যন্ত হবে।বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, তামাকজাত পণ্য উৎপাদন কমাতে ট্যাক্স বৃদ্ধি এবং তুলা উৎপাদনের ক্ষেত্রে যদি প্রণোদনা দেয়া হয় তাহলে তুলার উৎপাদন বাড়বে।

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, আমাদের বন্ধ চিনি কলগুলো হাজার হাজার বিঘা জমি রয়েছে। একটি পক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যদি সেগুলোকে কাজে লাগানো যায় তাহলে আমাদের প্রয়োজনীয় তুলার ২৫ শতাংশ দেশে উৎপাদন করা যাবেতৈরি পোষাক শিল্প সংশ্লিষ্টদের মতে, রফতানিতে পোশাক শিল্পের বিকল্প গড়ে ওঠেনি। তাই এ শিল্পের প্রধান কাঁচামাল তুলার যোগান বাড়ানো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।