Jashore , Monday, 9 November 2026
সর্বশেষ:
যশোরে বিপ্লব ও সংহতি দিবসে জেলা ছাত্রদলের আলোচনা সভা কেশবপুরে ঘের ব্যবসায়ী হত্যায় পল্লিচিকিৎসকসহ আটক ২ যশোরে কবিরাজ পরিচয়ে প্রতারণা, স্বর্ণালংকারসহ গ্রেপ্তার ২ মাকে সঙ্গে নিয়ে ছাত্রলীগ নেতার ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল, গ্রেফতার ৫ প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০ ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন: ইসি সচিব যশোর সীমান্তে ১৬ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য আটক যশোরে বাওড় দখল ও মৎস্যজীবীদের প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন যশোরে নানা আয়োজনে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত যশোরে হামিদপুর আল-হেরা কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত দেশে ষড়যন্ত্র হচ্ছে ৭ নভেম্বরের মতো দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে: তারেক রহমান

দৌলতপুরে গ্রামীন ব্যাংকের মাঠকর্মীকে জবাই করে হত্যা

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি:- কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে নুরুজ্জামান নান্টু (৩৮) নামের এক গ্রামীন ব্যাংকের মাঠকর্মীর জবাই করা লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

আজ বৃহস্পতিবার( ১ অক্টোবর ) রাত ৯ দিকে উপজেলার ফিলিপনগরের মন্ডলপাড়া এলাকার মমিন দফাদারের বাড়ির বাথরুম থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত নুরুজ্জামান উপজেলার কামালপুর গ্রামের মোতলেব হোসেনের ছেলে। সে দৌলতপুর উপজেলার হোসেনাবাদ গ্রামীন ব্যাংক শাখায় মাঠকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিল।

প্রতিদিনের ন্যায় তিনি কিস্তি আদায় করতে বের হয়, সকাল ৭ টাই তারপর থেকে সে দুপুরে সে খেতে ও আসেনি ! বিকেল হয়ে সন্ধ্যা গড়িয়ে যাচ্ছে তবুও আসছেনা নুরুজ্জামান ! তখন হোসেনাবাদ গ্রামীণ ব্যাংকের ম্যানেজার সালাউদ্দিন আছে সন্দেহ মনে হয় তাৎক্ষণিক তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে ।

একপর্যায়ে তিনি ফিলিপনগর গ্রামের তার কিস্তি তোলার দিন ছিল এখান থেকে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। স্থানীয় লোকরা বলে যে মমিনের বাড়ির দিকে গেছে কিস্তি তোলা লোক তখন আমার সেখানে যেয়ে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেল দেখতে পাই। তখনই আর আশ্বস্ত হয়। সে এই বাড়িতে আছে! সে মমিনের বাড়িতে আছে ।

নুরুজ্জামানের গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মী বাথরুমে গলাকাটা লাশ

তারপর হঠাৎই আমাদের উপস্থিতি টের পেয়ে বাড়িঘর ছেড়ে মমিন এবং বাড়িতে থাকা সদস্যরা পালিয়ে যায়। একপর্যায়ে অনেক খোঁজাখুঁজির পরে রুমের মধ্যে বাথরুমে তার গলা কাটা লাশ দেখতে পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশকে খবর দি পরে তারা এসে গলা কাটা লাশ টা উদ্ধার করে।


দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম জানান, আজ বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে ব্যাংকের কিস্তির টাকা উত্তোলনের জন্য ফিলিপনগর গ্রামের মন্ডলপাড়ায় যান নুরুজ্জামান। এরপর সন্ধায় এলাবাসীর দেয়া খবরের ভিত্তিতে মন্ডলপাড়ার মমিন দফাদারের বাড়ির বাথরুম থেকে নুরুজ্জামানের জবাই করা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এসময় বাড়ির মালিকসহ অন্যান্য সদস্যরা বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়।

পুলিশের ধারনা কিস্তির টাকা নিয়ে বিবাদের জের ধরেই নুরুজ্জামানকে হত্যা করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 11:50 pm, Thursday, 1 October 2020
39 Time View

দৌলতপুরে গ্রামীন ব্যাংকের মাঠকর্মীকে জবাই করে হত্যা

Update Time : 11:50 pm, Thursday, 1 October 2020

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি:- কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে নুরুজ্জামান নান্টু (৩৮) নামের এক গ্রামীন ব্যাংকের মাঠকর্মীর জবাই করা লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

আজ বৃহস্পতিবার( ১ অক্টোবর ) রাত ৯ দিকে উপজেলার ফিলিপনগরের মন্ডলপাড়া এলাকার মমিন দফাদারের বাড়ির বাথরুম থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত নুরুজ্জামান উপজেলার কামালপুর গ্রামের মোতলেব হোসেনের ছেলে। সে দৌলতপুর উপজেলার হোসেনাবাদ গ্রামীন ব্যাংক শাখায় মাঠকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিল।

প্রতিদিনের ন্যায় তিনি কিস্তি আদায় করতে বের হয়, সকাল ৭ টাই তারপর থেকে সে দুপুরে সে খেতে ও আসেনি ! বিকেল হয়ে সন্ধ্যা গড়িয়ে যাচ্ছে তবুও আসছেনা নুরুজ্জামান ! তখন হোসেনাবাদ গ্রামীণ ব্যাংকের ম্যানেজার সালাউদ্দিন আছে সন্দেহ মনে হয় তাৎক্ষণিক তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে ।

একপর্যায়ে তিনি ফিলিপনগর গ্রামের তার কিস্তি তোলার দিন ছিল এখান থেকে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। স্থানীয় লোকরা বলে যে মমিনের বাড়ির দিকে গেছে কিস্তি তোলা লোক তখন আমার সেখানে যেয়ে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেল দেখতে পাই। তখনই আর আশ্বস্ত হয়। সে এই বাড়িতে আছে! সে মমিনের বাড়িতে আছে ।

নুরুজ্জামানের গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মী বাথরুমে গলাকাটা লাশ

তারপর হঠাৎই আমাদের উপস্থিতি টের পেয়ে বাড়িঘর ছেড়ে মমিন এবং বাড়িতে থাকা সদস্যরা পালিয়ে যায়। একপর্যায়ে অনেক খোঁজাখুঁজির পরে রুমের মধ্যে বাথরুমে তার গলা কাটা লাশ দেখতে পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশকে খবর দি পরে তারা এসে গলা কাটা লাশ টা উদ্ধার করে।


দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম জানান, আজ বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে ব্যাংকের কিস্তির টাকা উত্তোলনের জন্য ফিলিপনগর গ্রামের মন্ডলপাড়ায় যান নুরুজ্জামান। এরপর সন্ধায় এলাবাসীর দেয়া খবরের ভিত্তিতে মন্ডলপাড়ার মমিন দফাদারের বাড়ির বাথরুম থেকে নুরুজ্জামানের জবাই করা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এসময় বাড়ির মালিকসহ অন্যান্য সদস্যরা বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়।

পুলিশের ধারনা কিস্তির টাকা নিয়ে বিবাদের জের ধরেই নুরুজ্জামানকে হত্যা করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।