Jashore , Monday, 9 November 2026
সর্বশেষ:
যশোরে বিপ্লব ও সংহতি দিবসে জেলা ছাত্রদলের আলোচনা সভা কেশবপুরে ঘের ব্যবসায়ী হত্যায় পল্লিচিকিৎসকসহ আটক ২ যশোরে কবিরাজ পরিচয়ে প্রতারণা, স্বর্ণালংকারসহ গ্রেপ্তার ২ মাকে সঙ্গে নিয়ে ছাত্রলীগ নেতার ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল, গ্রেফতার ৫ প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০ ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন: ইসি সচিব যশোর সীমান্তে ১৬ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য আটক যশোরে বাওড় দখল ও মৎস্যজীবীদের প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন যশোরে নানা আয়োজনে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত যশোরে হামিদপুর আল-হেরা কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত দেশে ষড়যন্ত্র হচ্ছে ৭ নভেম্বরের মতো দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে: তারেক রহমান

দৌলতপুর সীমান্তে এলাকায় দুই সন্তানের জননীকে জোর পূর্বক ধর্ষনের অভিযোগ!

ফরিদুল ইসলাম ফরিদ দৌলতপুর প্রতিনিধি :- কুষ্টিয়া দৌলতপুরে সোমবার দিনগত রাতে ধর্মদহ গ্রামে দুই সন্তানের জননীকে জোর পূর্বক ধর্ষনের অভিযোগ।

এ ঘটনা কে কেন্দ্র করে দৌলতপুরে রাতেই ধর্ষককে ছেড়ে দিলো পুলিশ; সমালোচনার ঝড়ে পরে ধর্ষক আটক করলো পুলিশ।

প্রত্যক্ষদর্শী এলাকাবাসী জানান রাতে গান শুনে বাড়ী ফেরার পথে ধর্মদহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাশে আনে খাতুনের বাড়ীর কাছে পৌছালে, বাড়ীর ভিতর থেকে মহিলা মানুষের আত্বচিৎকার শুনেছি


এসময় টর্সলাইট জ্বালালে আনের বাড়ির ভিতর থেকে ধর্মদহ গ্রামের চমৎকারের ছেলে রুস্তম দৌড়ে পালিয়ে যায়।

এঘটনা দেখে লোকজন চিৎকার করলে স্থানীয় এলাকাবাসী এগিয়ে আসে। এমতাবস্থায় দুই সন্তানের জননী, তার পিতার কাছে কাঁদতে কাঁদতে সকলের সম্মুখে বলে আমাকে রুস্তম ধর্ষন করেছে।


ধর্ষিতার পিতা জানান তৎক্ষণাৎ আমরা তেকালা পুলিশ ক্যাম্পে ফোন দেয় এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি মহিলা মেম্বারকে জানানো হয়। পুলিশ ও জনপ্রতিনিধির উপস্থিতে ধর্ষিতা মেয়েটি সব কিছু খুলে বলে।


এ বিষয়ে মহিলা মেম্বার আমবিয়া খাতুন জানান, ঘটনাটি ঘটার পর রাত অনুমানিক ১২ টার পরে ঘটনা স্থানে পৌঁছায় , পৌঁছে দেখি অনেক মানুষ সেখানে এবং তেকালা পুলিশ ক্যাম্প আই সি ও উপস্থিত ছিলেন, সকলের উপস্থিতে মেয়েটা ধর্ষণের বর্ননা দেন। কিন্তু অভিযুক্ত রুস্তম ঘটনা অস্বীকার করে। পুলিশ ও লোকজন ঘটনা স্থল থেকে চলে আসে।


অসহায় মেয়েটি মঙ্গল বার সকালে মহিলা মেম্বার আমবিয়া খাতুন কে আইনি সেবার জন্য বললে, তিনি তাদেরকে চেয়ারম্যান এর কাছে যেতে বলেন। এ বিষয়ে সচেতন এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, মেয়েটি যেখানে সরাসরি বলছে আমাকে ধর্ষণ করেছে রুস্তম! এবং প্রত্যক্ষদর্শীরা যখন রুস্তমকে ঘটনা স্থল থেকে পালাতে দেখেছে।

তখন ধর্ষনের মত ঘটনায় ভিকটিম ও আসামীকে এক সাথে পেয়েও তাদের আইনের আওতায় নেওয়া হলো না কেন?
এ বিষয়ে তেকালা পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ ফশিউর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি ঘটনা অস্বীকার করেন, তিনি বলেন আমার উপর থানায় থেকে যে আদেশ এসেছে সেটাই পালন করেছি, তার বাহিরে কিছু করতে পারিনা।


এ বিষয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নিশিকান্ত সরকার জানান, মঙ্গলবার থানায় একটি ধর্ষণ বিষয়ে অভিযোগ হলে সাথে সাথে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। ধর্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে রাতে তেকালা পুলিশ ক্যাম্প থেকে আমাকে কোন তথ্য দেওয়া হয় নাই। আমি রাত দুইটার পরে অফিস থেকে গেছি বাসায়। রাতে আমাকে জানলে আমি সাথে সাথে ব্যবস্থা গ্রহন করতাম।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 12:05 am, Wednesday, 14 October 2020
35 Time View

দৌলতপুর সীমান্তে এলাকায় দুই সন্তানের জননীকে জোর পূর্বক ধর্ষনের অভিযোগ!

Update Time : 12:05 am, Wednesday, 14 October 2020

ফরিদুল ইসলাম ফরিদ দৌলতপুর প্রতিনিধি :- কুষ্টিয়া দৌলতপুরে সোমবার দিনগত রাতে ধর্মদহ গ্রামে দুই সন্তানের জননীকে জোর পূর্বক ধর্ষনের অভিযোগ।

এ ঘটনা কে কেন্দ্র করে দৌলতপুরে রাতেই ধর্ষককে ছেড়ে দিলো পুলিশ; সমালোচনার ঝড়ে পরে ধর্ষক আটক করলো পুলিশ।

প্রত্যক্ষদর্শী এলাকাবাসী জানান রাতে গান শুনে বাড়ী ফেরার পথে ধর্মদহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাশে আনে খাতুনের বাড়ীর কাছে পৌছালে, বাড়ীর ভিতর থেকে মহিলা মানুষের আত্বচিৎকার শুনেছি


এসময় টর্সলাইট জ্বালালে আনের বাড়ির ভিতর থেকে ধর্মদহ গ্রামের চমৎকারের ছেলে রুস্তম দৌড়ে পালিয়ে যায়।

এঘটনা দেখে লোকজন চিৎকার করলে স্থানীয় এলাকাবাসী এগিয়ে আসে। এমতাবস্থায় দুই সন্তানের জননী, তার পিতার কাছে কাঁদতে কাঁদতে সকলের সম্মুখে বলে আমাকে রুস্তম ধর্ষন করেছে।


ধর্ষিতার পিতা জানান তৎক্ষণাৎ আমরা তেকালা পুলিশ ক্যাম্পে ফোন দেয় এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি মহিলা মেম্বারকে জানানো হয়। পুলিশ ও জনপ্রতিনিধির উপস্থিতে ধর্ষিতা মেয়েটি সব কিছু খুলে বলে।


এ বিষয়ে মহিলা মেম্বার আমবিয়া খাতুন জানান, ঘটনাটি ঘটার পর রাত অনুমানিক ১২ টার পরে ঘটনা স্থানে পৌঁছায় , পৌঁছে দেখি অনেক মানুষ সেখানে এবং তেকালা পুলিশ ক্যাম্প আই সি ও উপস্থিত ছিলেন, সকলের উপস্থিতে মেয়েটা ধর্ষণের বর্ননা দেন। কিন্তু অভিযুক্ত রুস্তম ঘটনা অস্বীকার করে। পুলিশ ও লোকজন ঘটনা স্থল থেকে চলে আসে।


অসহায় মেয়েটি মঙ্গল বার সকালে মহিলা মেম্বার আমবিয়া খাতুন কে আইনি সেবার জন্য বললে, তিনি তাদেরকে চেয়ারম্যান এর কাছে যেতে বলেন। এ বিষয়ে সচেতন এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, মেয়েটি যেখানে সরাসরি বলছে আমাকে ধর্ষণ করেছে রুস্তম! এবং প্রত্যক্ষদর্শীরা যখন রুস্তমকে ঘটনা স্থল থেকে পালাতে দেখেছে।

তখন ধর্ষনের মত ঘটনায় ভিকটিম ও আসামীকে এক সাথে পেয়েও তাদের আইনের আওতায় নেওয়া হলো না কেন?
এ বিষয়ে তেকালা পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ ফশিউর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি ঘটনা অস্বীকার করেন, তিনি বলেন আমার উপর থানায় থেকে যে আদেশ এসেছে সেটাই পালন করেছি, তার বাহিরে কিছু করতে পারিনা।


এ বিষয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নিশিকান্ত সরকার জানান, মঙ্গলবার থানায় একটি ধর্ষণ বিষয়ে অভিযোগ হলে সাথে সাথে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। ধর্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে রাতে তেকালা পুলিশ ক্যাম্প থেকে আমাকে কোন তথ্য দেওয়া হয় নাই। আমি রাত দুইটার পরে অফিস থেকে গেছি বাসায়। রাতে আমাকে জানলে আমি সাথে সাথে ব্যবস্থা গ্রহন করতাম।