Jashore , Sunday, 8 November 2026
সর্বশেষ:
যশোরে বিপ্লব ও সংহতি দিবসে জেলা ছাত্রদলের আলোচনা সভা কেশবপুরে ঘের ব্যবসায়ী হত্যায় পল্লিচিকিৎসকসহ আটক ২ যশোরে কবিরাজ পরিচয়ে প্রতারণা, স্বর্ণালংকারসহ গ্রেপ্তার ২ মাকে সঙ্গে নিয়ে ছাত্রলীগ নেতার ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল, গ্রেফতার ৫ প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০ ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন: ইসি সচিব যশোর সীমান্তে ১৬ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য আটক যশোরে বাওড় দখল ও মৎস্যজীবীদের প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন যশোরে নানা আয়োজনে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত যশোরে হামিদপুর আল-হেরা কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত দেশে ষড়যন্ত্র হচ্ছে ৭ নভেম্বরের মতো দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে: তারেক রহমান

বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে সরাসরি কথা বলবে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র

মানিক মিয়া ঢাকা:- বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ আলোচনা করবে এমনটা জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন তিনি বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূসের একটা গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।

এটি কাজে লাগিয়েই যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের এ বিষয়ে সাথে সরাসরি কথা বলবেন প্রধান উপদেষ্টা।

শনিবার (৫ এপ্রিল) মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে করণীয় বিষয়ে আলোচনার জন্য জরুরি বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে একথা জানান তিনি। এ সময় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত ড. খলিলুর উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর জন্য একটা উপায় হলো আমদানি বৃদ্ধি। আমাদের প্রয়োজনীয় দ্রব্যের আমদানি বৃদ্ধি করবো। তবে আমাদের প্রয়োজনের অতিরিক্ত আমরা আমদানি করতে পারবো না, সেটা যে পণ্যই হোক। প্রধান উপদেষ্টার সাথে আলোচনায় আলোচনায় অর্থনীতিবীদেরা উপস্থিত ছিলেন, এ বিষয়ে যারা ব্যাখ্যা করতে পারবেন তারাও উপস্থিত ছিলেন। আমদানি বৃদ্ধি করার মাধ্যমেই বাণিজ্য ঘাটতি পূরণ করা হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তৈরী পোশাক শিল্প ক্ষতির মুখে পড়বে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের সাথে যারা প্রতিযোগী দেশ রয়েছে ভিয়েতনাম, চীন কম্বোডিয়া এমনকি ভারত-পাকিস্তান শুল্ক কম হলেও আমাদের পণ্যের মান ভালো। আমাদের শিল্পের অবয়ব ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে অনেক সমৃদ্ধ। আমরা মনে করি এতে আরও সম্ভাবনার দুয়ার খুলবে।

এ বিষয়ে আলোচনা করতে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত ড. খলিলুর আগেই যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন । আমরা চাই বাণিজ্য সামগ্রিকভাবে বৃদ্ধি পাক। আর এজন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আমদানি নীতি সংশোধন করেছে বলেও জানান তিনি।

এ সময় ড. খলিলুর বলেন, আমি যখন প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্র যাই তখন প্রথমেই বিষয়টি স্টেট ডিপার্তমেন্টের সামনে উত্থাপন করি তখন তারা নিজে থেকেই তাদের কৃষি মন্ত্রণালয়ের সাথে কথা বলিয়ে দেয়। আমাদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এই মুহূর্তেও আমরা তাদের সাথে নিবিড় আলোচনায় আছি। এই আলোচনার মাধ্যমে আমরা আমাদের প্রতিক্রিয়া জানাবো।

এ সময়ে এটি নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শও দেন ড. খলিলুর।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 11:20 pm, Saturday, 5 April 2025
46 Time View

বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে সরাসরি কথা বলবে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র

Update Time : 11:20 pm, Saturday, 5 April 2025

মানিক মিয়া ঢাকা:- বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ আলোচনা করবে এমনটা জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন তিনি বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূসের একটা গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।

এটি কাজে লাগিয়েই যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের এ বিষয়ে সাথে সরাসরি কথা বলবেন প্রধান উপদেষ্টা।

শনিবার (৫ এপ্রিল) মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে করণীয় বিষয়ে আলোচনার জন্য জরুরি বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে একথা জানান তিনি। এ সময় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত ড. খলিলুর উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর জন্য একটা উপায় হলো আমদানি বৃদ্ধি। আমাদের প্রয়োজনীয় দ্রব্যের আমদানি বৃদ্ধি করবো। তবে আমাদের প্রয়োজনের অতিরিক্ত আমরা আমদানি করতে পারবো না, সেটা যে পণ্যই হোক। প্রধান উপদেষ্টার সাথে আলোচনায় আলোচনায় অর্থনীতিবীদেরা উপস্থিত ছিলেন, এ বিষয়ে যারা ব্যাখ্যা করতে পারবেন তারাও উপস্থিত ছিলেন। আমদানি বৃদ্ধি করার মাধ্যমেই বাণিজ্য ঘাটতি পূরণ করা হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তৈরী পোশাক শিল্প ক্ষতির মুখে পড়বে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের সাথে যারা প্রতিযোগী দেশ রয়েছে ভিয়েতনাম, চীন কম্বোডিয়া এমনকি ভারত-পাকিস্তান শুল্ক কম হলেও আমাদের পণ্যের মান ভালো। আমাদের শিল্পের অবয়ব ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে অনেক সমৃদ্ধ। আমরা মনে করি এতে আরও সম্ভাবনার দুয়ার খুলবে।

এ বিষয়ে আলোচনা করতে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত ড. খলিলুর আগেই যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন । আমরা চাই বাণিজ্য সামগ্রিকভাবে বৃদ্ধি পাক। আর এজন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আমদানি নীতি সংশোধন করেছে বলেও জানান তিনি।

এ সময় ড. খলিলুর বলেন, আমি যখন প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্র যাই তখন প্রথমেই বিষয়টি স্টেট ডিপার্তমেন্টের সামনে উত্থাপন করি তখন তারা নিজে থেকেই তাদের কৃষি মন্ত্রণালয়ের সাথে কথা বলিয়ে দেয়। আমাদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এই মুহূর্তেও আমরা তাদের সাথে নিবিড় আলোচনায় আছি। এই আলোচনার মাধ্যমে আমরা আমাদের প্রতিক্রিয়া জানাবো।

এ সময়ে এটি নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শও দেন ড. খলিলুর।